May 26, 2024, 5:39 am

সংবাদ শিরোনাম
মাঝরাত্রে প্রবাসীর ঘরে ঢুকে স্ত্রীও মা কে ছুরি মেরে পালালো দুর্বৃত্তরা বগুড়ার শিবগঞ্জে জাতীয় অনলাইন প্রেসক্লাবের কমিটি গঠন: এমদাদুল আহবায়ক রবি সদস্য সচিব গাইবান্ধা প্রসক্লাব’র কমিটি গঠিত প্রধানমন্ত্রী হস্তক্ষেপ কামনা, বাগাতি পাড়ার ভূমিহীন রাবেয়া বেগমের জৈন্তাপুরে ৫১০ বোতল ফেনসিডিল সহ এক নারী আটক পটুয়াখালীতে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু এন এস আই পরিচয় দিয়ে এন এস আই এ চাকরির মিথ্যা প্রলোভনে মোটা অংকের টাকা আত্মসাৎ আটক দুই পটুয়াখালীতে প্রতিমা ভাঙচুর ও স্বর্ণের চোখ চুরি মামলার প্রধান আসামি গ্রেফতার আদমদীঘিতে হেলমেট নেই, জ্বালানি নেই কার্যক্রম শুরু কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত থেকে অজ্ঞাত নারীর মরদেহ উদ্ধার

দেশের জীবনমান উন্নয়নে সবাইকে স্বতঃস্ফ‚র্তভাবে অংশগ্রহণের আহবান প্রধানমন্ত্রীর

দেশের জীবনমান উন্নয়নে সবাইকে স্বতঃস্ফ‚র্তভাবে অংশগ্রহণের আহবান প্রধানমন্ত্রীর

ডিটেকটিভ নিউজ ডেস্ক

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পরিবেশের ভারসাম্য ও দেশীয় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য অটুট রেখে পর্যটন উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে দেশের জীবনমান উন্নয়নে সংশিøষ্ট সকলকে স্বতঃস্ফ‚র্তভাবে অংশগ্রহণের আহবান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, সরকার বাংলাদেশের অফুরন্ত পর্যটন সম্ভাবনাকে দেশি বিদেশি সকল শ্রেণির পর্যটকদের কাছে তুলে ধরতে সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ করে যাচ্ছে। পর্যটন উন্নয়নে স্থানীয় জনসাধারণকে সম্পৃক্ত করা হয়েছে। ‘বিশ্ব পর্যটন দিবস-২০১৭’উপলÿে গতকাল মঙ্গলবার এক বাণীতে তিনি এ কথা বলেন। আজ বুধবার ‘বিশ্ব পর্যটন দিবস। দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য ‘উন্নয়নের জন্য টেকসই পর্যটন একটি অন্যরকম হাতিয়ার।’ কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর দারিদ্র্য দূর করতে কমিউনিটি বেসড ট্যুরিজম এর ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে উলেøখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, একইসঙ্গে জীববৈচিত্র্য, পরিবেশ ও নিজস্ব সংস্কৃতির ÿতি সাধন না করে ‘দায়িত্বশীল পর্যটন’ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য সংশিøষ্ট সকলকে সচেতন করে তুলতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। এ ছাড়াও এ শিল্পের সঙ্গে সংশিøষ্ট অংশীজন ও জনগোষ্ঠীর দÿতা বৃদ্ধিতে কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। পর্যটন শিল্পের সমন্বিত ও সামগ্রিক উন্নয়নের লÿ্যে পর্যটন আকর্ষণীয় এলাকাসমূহে পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রেখে পর্যটকদের জন্য বিভিন্ন সুবিধাদি প্রবর্তন করা হয়েছে বলে তিনি উলেøখ করেন। শেখ হাসিনা বলেন, সরকার ২০১০ সালে জাতীয় পর্যটন নীতিমালা প্রণয়ন করেছে। এতে পরিবেশ, প্রকৃতি ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য বজায় রেখে টেকসই পর্যটন উন্নয়নে বিভিন্ন পদÿেপ গ্রহণের বিষয়ে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমান পর্যটন শিল্পের সম্ভাবনা উপলব্ধি করে ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন গঠন করেছেন বলেও তিনি উলেøখ করেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, টেকসই পর্যটন জাতিসংঘ ঘোষিত এসডিজিএস এর অন্যতম অনুষঙ্গ। এর মাধ্যমে পর্যটনশিল্পের সামগ্রিক উন্নয়নে পর্যটক, অংশীজন এবং জনগণের গুরুত্বপূর্ণ ভ‚মিকার উলেøখ রয়েছে। তিনি আশা করেন, সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ÿুধা, দারিদ্র্যমুক্ত ও সুখীসমৃদ্ধ জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সÿম হবে। এদিকে, বিশ্ব পর্যটন দিবস-২০১৭ উপলÿে গতকাল মঙ্গলবার বাণী দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ। তিনি বলেন, প্রতিবেশ ও পরিবেশগত ভারসাম্যের কোনো প্রকার ÿতি না করে নিজস্ব সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে সমুন্নত রেখে পর্যটনখাতের উন্নয়নে সরকার সর্বাত্মক প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছে। তিনি বলেন, পর্যটন মানুষের একটি সহজাত প্রবৃত্তি। মানুষ বিভিন্ন স্থান পরিভ্রমণের মাধ্যমে একে অপরের সান্নিধ্যে এসে ভিন্ন ও বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতি, সভ্যতা, ঐতিহ্য এবং প্রকৃতি সম্পর্কে জানতে পারে। পর্যটনের ÿেত্রে বাংলাদেশ একটি অফুরন্ত সম্ভাবনাময় দেশ। বিশ্বের যে কোনো দেশের পর্যটককে আকৃষ্ট করার মতো সকল উপাদান এদেশে রয়েছে। আবদুল হামিদ বলেন, বিশ্ব পর্যটন সংস্থা ২০১৭ সালকে উন্নয়নের জন্য টেকসই পর্যটন আন্তর্জাতিক বর্ষ হিসাবে পালন করছে। এ প্রেÿাপটে এবছর বিশ্ব পর্যটন দিবসের প্রতিপাদ্য ‘উন্নয়নের জন্য টেকসই পর্যটন একটি অন্যতম হাতিয়ার’ যথার্থ হয়েছে। এবারের প্রতিপাদ্যে টেকসই পর্যটন উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে, যা পর্যটনশিল্পের উন্নয়নে সকল শ্রেণির মানুষের দায়িত্বশীল অংশগ্রহণকে উৎসাহিত করবে। তিনি বলেন, ‘টেকসই পর্যটন উন্নয়নে পর্যটক, স্থানীয় জনগণ ও পর্যটনসংশিøষ্ট অংশীজন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভ‚মিকা পালন করে থাকে। পর্যটন উন্নয়ন কর্মপরিকল্পনায় প্রকৃতি, পরিবেশ, জীববৈচিত্র্য এবং স্থানীয় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের প্রতি পর্যটকগণ সহানুভ‚তিশীল ও শ্রদ্ধাশীল হবেন বলে আমার বিশ্বাস। সরকার জাতিসংঘ ঘোষিত টেকসই উন্নয়ন লÿ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনের লÿ্যে বিভিন্ন কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। পর্যটনশিল্পে স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্তকরণ এবং তাদের সচেতনতা ও দÿতা বৃদ্ধির মাধ্যমে জীবনমানের উন্নয়ন ঘটানো সম্ভব হবে এবং এর মাধ্যমে বাংলাদেশের পর্যটনশিল্প কাঙ্খিত লÿ্য অর্জনে সÿম হবে।

Share Button

     এ জাতীয় আরো খবর