May 28, 2024, 7:26 pm

সংবাদ শিরোনাম
আদমদীঘির ধান শরিয়তপুরে উদ্ধার; গ্রেপ্তার-২ অবৈধভাবে চাঁদা উত্তোলনকালে রাজধানীর যাত্রাবাড়ী এলাকা হতে ০৬ জন পরিবহন চাঁদাবাজকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১০ মুন্সিগঞ্জ জেলার সিরাজদিখান এলাকা হতে গাঁজা ও বিদেশী পিস্তলসহ কুখ্যাত অস্ত্রধারী মাদক ব্যবসায়ী সাগর’কে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১০ মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বৈদ্যুতিক খুঁটির সাথে ধাক্কায় চালকের মৃত্যু ঘূর্ণিঝড় রেমাল এর প্রভাবে উপকুলের সতাধিক ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত কুড়িগ্রামে বেবী তরমুজের চাষে তিন মাসে আয় দেড় লাখ টাকা মাঝরাত্রে প্রবাসীর ঘরে ঢুকে স্ত্রীও মা কে ছুরি মেরে পালালো দুর্বৃত্তরা বগুড়ার শিবগঞ্জে জাতীয় অনলাইন প্রেসক্লাবের কমিটি গঠন: এমদাদুল আহবায়ক রবি সদস্য সচিব গাইবান্ধা প্রেসক্লাব’র কমিটি গঠিত প্রধানমন্ত্রী হস্তক্ষেপ কামনা, বাগাতি পাড়ার ভূমিহীন রাবেয়া বেগমের

বড়পুকুরিয়ায় হচ্ছে ২ হাজার মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন বিদ্যুৎ কেন্দ্র

বড়পুকুরিয়ায় হচ্ছে ২ হাজার মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন বিদ্যুৎ কেন্দ্র
ডিটেকটিভ নিউজ ডেস্ক


দিনাজপুরে বড়পুকুরিয়া কয়লাভিত্তিক তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রে ২০০০ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন কেন্দ্র নির্মিত হবে। গত শুক্রবার সকাল ১০টায় বড়পুকুরিয়া তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রে নবনির্মিত ২৭৫ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন তৃতীয় ইউনিটটি পরিদর্শন কালে বিদ্যুৎ, জ¦ালানী ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ এমপি উপস্থিত সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন। এ সময় বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান খালেদ মাহমুদ, বোর্ডের সদস্য (পিএন্ডডি) আজহারুল ইসলাম, প্রকল্পের প্রধান প্রকৌশলী আঃ হাকিম সরকার, প্রকল্প পরিচালক চৌধুরী নুরুজ্জামান, বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ হাবিব উদ্দিন আহম্মদ, ইসতিয়াক ইন্ডিয়া লিমিটেডের নির্বাহী পরিচালক কে পি মুরালি, কনসালটেন্ট আঃ মালেক, সান্তনু চৌধুরী, সমরেশ নন্দি সহ প্রকল্পের কর্মকর্তা-কর্মচারী উপস্থিত ছিলেন। পরে মন্ত্রী পার্শ্ববর্তী নবাবগঞ্জের দীঘিপাড়া কয়লাক্ষেত্র পরিদর্শনে যান। সূত্রমতে জানাযায়, দিনাজপুরের পার্বতীপুরে অবস্থিত বড়পুকুরিয়া তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ২৭৫ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন তৃতীয় ইউনিট প্রকল্পটির নির্মান কাজ শেষ পর্যায়ে। বর্তমানে বিভিন্ন ইকুইপমেন্টের টেষ্টিং এবং কমিশনিং কাজ চলছে। আগামি মাসে জাতীয় গ্রীডে সংযোগ ও পরীক্ষামূলক চালু হতে যাচ্ছে বলে জানান তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ মাহবুবুর রহমান। এ লক্ষ্যে গত ১৬ অক্টোবর তৃতীয় ইউনিটের নবনির্মিত প্রথম বয়লার ফায়ার করা হয়। আগামি নভেম্বর মাসের শেষ দিকে ইনিসিয়াল কমার্শিয়াল অপারেশন কাজ শুরু হয়ে তা দেড় মাসাধিক সময় ধরে চলবে এবং জানুয়ারীর মাঝামাঝি সময়ে তৃতীয় ইউনিটটি বানিজ্যিক ভাবে উৎপাদনে যাবে বলে তিনি আশা ব্যক্ত করেন। পার্শ্ববর্তী বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি থেকে প্রাপ্ত কয়লা জ¦ালানি হিসেবে ব্যবহার করে ইউনিটটি চালু রাখা হবে। তিন বছর প্রকল্প বাস্তবায়নের সময় ধরা হলেও বিশেষজ্ঞ প্রকৌশলীদের দক্ষতায় আড়াই বছরে প্রকল্পটি উৎপাদনে যাচ্ছে। বড়পুকুরিয়া কয়লাখনির পশ্চিম পার্শ্বেই কয়লা ভিত্তিক ২৫০ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন একটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র রয়েছে। এ বিদ্যুৎ কেন্দ্রে ১২৫ মেগাওয়াট করে দুইটি ইউনিট রয়েছে। বিদ্যুতের চাহিদা পূরনের লক্ষ্য নিয়ে এ বিদ্যুৎ কেন্দ্রটিকে সম্প্রসারিত করে ২৭৫ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন তৃতীয় ইউনিটটি স্থাপন করা হয়েছে। ২০১৫ সালের জুনে অর্থনৈতিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হলে জুলাই মাসে চায়না হারবিন কোম্পানি ২৭৫ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন বড়পুকুরিয়া তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের তৃতীয় ইউনিট নির্মান কাজ শুরু করে। তিন বছরে প্রকল্প বাস্তবায়নের মেয়াদে ব্যয় ধরা হয়েছে ২৮০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার অর্থাৎ দুই হাজার ৪০ কোটি টাকা। প্রকল্পটির ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান চায়না জয়েন্ট ভেঞ্চার হারবিন ইলেকট্রিক ইন্টারন্যাশনাল কোম্পানি লিঃ এবং সিসিসি ইঞ্জিনিয়ারিং, পিআর চায়না (এইচইআই-সিসিসিই জেভি)। তৃতীয় ইউনিট প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে এর উৎপাদিত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রীডে সংযুক্ত হবে। এর ফলে লো-ভোল্টেজের সমস্যা দূর হয়ে দেশের উত্তর-পশ্চিম জোনে বিদ্যুতের চাহিদা পূরন হবে এবং সারা দেশের ট্রান্সমিশন লস ও লোড-শেডিং কমে আসবে। সেই সাথে বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি থেকে উৎপাদিত কয়লার সঠিক ব্যবহার হবে। কারণ তৃতীয় ইউনিটটি চালাতে বছরে সাড়ে ৬ লাখ মেট্রিক টন কয়লার প্রয়োজন হবে। এছাড়াও ১২৫ মেগাওয়াট করে দুইটি ইউনিটের জন্য বছরে সাড়ে ৬ লাখ মেট্রিক টন কয়লার প্রয়োজন হবে। এদিকে অভারহোলিং কাজের জন্য ১২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন এক নম্বর ইউনিটটি বন্ধ রয়েছে। এ কাজে প্রায় তিন মাস সময় লাগবে বলে কর্তৃপক্ষ জানান। বর্তমানে দুই নম্বর ইউনিটের উৎপাদন চালু রয়েছে।

Share Button

     এ জাতীয় আরো খবর