July 13, 2024, 12:24 pm

সংবাদ শিরোনাম
রাজধানীর নিউমার্কেট এলাকা হতে জাল সার্টিফিকেট ও জাল সার্টিফিকেট তৈরীর সরঞ্জামাদিসহ ০২ জন’কে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১০ র‌্যাব-১০ এর অভিযানে মুন্সীগঞ্জের লৌহজং এলাকা হতে ইয়াবাসহ ০১ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার কক্সবাজারে ভারী বৃষ্টিপাত পাহাড় ধ্বসে নারী-শিশু নিহত পীরগঞ্জে মসজিদের দোহাই সরকারি খাস জমির গাছ কর্তন পার্বতীপুরে বীর মুক্তিযোদ্ধা সিদ্দিক হোসেন এর রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন দারুসসালাম লাফনাউট মাদ্রাসার দস্তারবন্দী নিবন্ধন ফরম বিতরণ শুরু পীরগঞ্জে নিখোঁজের একদিন পর শিশু’র লাশ উদ্ধার মাদক মামলায় ১৫ বছরের সাজাপ্রাপ্ত গ্রেফতারী পরোয়ানাভুক্ত দীর্ঘদিন পলাতক আসামী আলাউদ্দিন’কে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১০ যশোরের মুজিব সড়ক থেকে উদ্ধার হওয়া মরদেহ ঝিকরগাছার আখির মোবাইলে আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও ডিলিট না করায় কক্সবাজারে বন্ধুকে হত্যা

পাকিস্তানি কাশ্মীরে ‘গুপ্তধন’

পাকিস্তানি কাশ্মীরে ‘গুপ্তধন’

ডিটেকটিভ নিউজ ডেস্ক

কাশ্মীর উপত্যকার পাকিস্তান-নিয়ন্ত্রিত অংশের মানুষ বলা চলে গুপ্তধনের ওপরই বসে রয়েছে। লাখো রুবি এই অঞ্চলের মাটির নিচে রয়েছে, যার বাজার দর অর্ধ শত কোটি মার্কিন ডলারের কাছাকাছি। কিন্তু সেগুলো তুলতে সেকেলে উপকরণ আর বিনিয়োগের অভাবে সেই গুপ্তধন মাটির নিচেই রেখে দিতে হচ্ছে।

হুমা রিজভি এই অঞ্চলের মূল্যবান পাথর ব্যবসায়ীদের একজন। তিনি বলেন, মিয়ানমারে যে উন্নত মানের রুবি পাওয়া যায়, ঠিক তেমন উন্নত রুবিই পাকিস্তানি কাশ্মীরের মাটির নিচে রয়েছে। তবে অনুন্নত উত্তোলনপ্রক্রিয়া এবং অবকাঠামো ও প্রযুক্তিতে বিনিয়োগের অভাবের কারণে সম্ভাবনাময় এই অঞ্চলটি পেছনে রয়ে যাচ্ছে।

কাশ্মীর উপত্যকার এই অংশে একটি মাত্র খনি রয়েছে, আর রয়েছে একটি মাত্র অনুসন্ধানস্থল। এখানে সম্ভাব্য রতেœর খোঁজে খনিশ্রমিকেরা খননকাজ চালাচ্ছেন। কিন্তু প্রাদেশিক নির্বাহী কমিটি অনুমোদিত একটি ভূতাত্ত্বিক জরিপ থেকে জানা গেছে, এই অঞ্চলের মাটির নিচে ৪০ হাজার কেজির বেশি রুবি লুকিয়ে রয়েছে। কপার, সোনা ও রুপার মতো অন্য মূল্যবান পদার্থও রয়েছে প্রায় ৫০ হাজার কেজির মতো।

পাকিস্তানি কাশ্মীরের খনি ও শিল্পোন্নয়ন কোম্পানির (একেএমআইডিসি) মহাপরিচালক শহীদ আইয়ুব বলেন, এই অঞ্চলে যে পরিমাণ মূল্যবান পাথর রয়েছে, তা উত্তোলন করা গেলে পুরো এলাকার ভাগ্যই বদলে যাবে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। কিন্তু এসব পাথর উত্তোলনের জন্য যে আধুনিক যন্ত্রপাতি কেনা দরকার বা নতুন খনি খনন করা দরকার, তার ব্যয় নির্বাহের মতো পর্যাপ্ত অর্থ নেই। ভারতের সঙ্গে বিতর্কিত নিয়ন্ত্রণরেখায় প্রায়ই গোলাগুলির ঘটনা ঘটায় বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোও সেখানে বিনিয়োগে নিরুৎসাহিত হচ্ছে।

Share Button

     এ জাতীয় আরো খবর