April 13, 2026, 9:04 pm

সংবাদ শিরোনাম
অধিকার না ব্যবসা? ট্রেড ইউনিয়ন নিবন্ধনের অন্ধকার অর্থনীতি রেস্টুরেন্ট, ভবন, আর অদৃশ্য টাকা: এক কর্মকর্তার সম্পদের নীরব বিস্তার জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশ্ন: রংপুরে ১১ দলের বিক্ষোভ দিনাজপুর বধির ইনস্টিটিউটে শিক্ষার্থীদের মাঝে উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে দিতে নতুন পোশাক বিতরণ সাড়ে চার কোটি বিনিয়োগ নথি ঠিক, অদৃশ্য উৎস–আয়ের শেষ গন্তব্য কোথায়? রংপুরে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ আত্মীয়ের বাসা থেকে সাড়ে চার কোটির ছায়া: নথি ঠিক, উৎস অদৃশ্য নিজের অপরাধ আড়াল করতে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ মেইন রাস্তার ধুলো নয়, নীরব বিষ: রংপুরে তামাক ক্রাসিংয়ের অবৈধ বিস্তার রংপুরে হামের ছায়া: সংখ্যা নয়, গল্পগুলোই বলছে আসল কথা

যে কারণে রোহিঙ্গা নারীদের সন্তানের সংখ্যা বেশি ॥ জন্ম নিয়ন্ত্রণ সম্পর্কে জানেনা রোহিঙ্গারা

যে কারণে রোহিঙ্গা নারীদের সন্তানের সংখ্যা বেশি ॥ জন্ম নিয়ন্ত্রণ সম্পর্কে জানেনা রোহিঙ্গারা

mostbet

ডিটেকটিভ নিউজ ডেস্ক

 

মিয়ানমার সেনাদের বলপ্রয়োগে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গা নারীদের সন্তানের সংখ্যা বেশি। প্রতিটি পরিবারে পাঁচ থেকে বেশী সন্তান রয়েছে। ক্যাম্প গুলোতে নেওয়া অনেক নারী এখন গর্ভবতী। জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি সম্পর্কে তাদের কোন ধ্যান ধারণা নেই। মিয়ানমার থেকে পালিয়ে বাংলাদেশে আসার পর থেকে রোহিঙ্গারা নারীদেরকে জন্মনিয়ন্ত্রণের আওতায় আনা হচ্ছে। প্রতিদিন তাদেরকে জন্মনিয়ন্ত্রণ সম্পর্কে সচেতনতাসহ ধ্যান ধারণা দেওয়া হচ্ছে।

উখিয়া পরিবার পরিকল্পনা সুত্র জানিয়েছে,, কক্সবাজারের উখিয়ায় প্রতিটি রোহিঙ্গা ঝুপড়িতে গিয়ে নারীদের জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি সম্পর্কে পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। সেই সাথে তাদের জন্মনিয়ন্ত্রণ ইনজেকশন, খাবার বড়ি এবং কনডমও সরবরাহ করা হচ্ছে। স্বল্প মাঠকর্মী শর্তেও  ক্যাম্প গুলোতে এ পর্যন্ত ১১৮০ নারীকে তিন মাস মেয়াদের জন্মনিয়ন্ত্রণ ইনজেকশন দেওয়া হয়েছে। জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি খাওয়ানো হয়েছে এক  হাজারেরও বেশি নারীকে। ৯০০ বেশি পুরুষকে কনডমে অভ্যস্থ করা  হয়েছে।

কক্সবাজার পরিবার পরিকল্পনা অধিদফতরের উপ পরিচালক ডা. পিন্টু কান্তি ভট্টাচার্য্য বলেন, মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্তানুযায়ী রোহিঙ্গাদের জন্ম নিয়ন্ত্রণসহ অন্যান্য চিকিৎসা সেবা দেওয়া হচ্ছে। রোহিঙ্গাদের জন্য সাতটি মেডিক্যাল টিম কাজ করছে। এর মধ্যে উখিয়ায় চারটি ও টেকনাফে তিনটি। এসব টিমে কাজ করার জন্য বিভিন্ন উপজেলা থেকে দু’শ কর্মী নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এসব কর্মী ক্যাম্পে ঝুপড়িতে গিয়ে রোহিঙ্গাদের জন্মনিয়ন্ত্রণ সর্ম্পকে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করছেন।

কক্সবাজার সিভিল সার্জন ডা. আব্দুস সালাম বলেন, পঁিচশ আগস্ট থেকে এই পর্যন্ত মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গা নারীরা সাত শতাধিক শিশু জন্ম নিয়েছে। আর গর্ভবতী অনস্থায় রোহিঙ্গা নারী রয়েছেন একুশ হাজার চার’শ ছেচল্লিশ।

Share Button

     এ জাতীয় আরো খবর