May 26, 2024, 5:56 am

সংবাদ শিরোনাম
মাঝরাত্রে প্রবাসীর ঘরে ঢুকে স্ত্রীও মা কে ছুরি মেরে পালালো দুর্বৃত্তরা বগুড়ার শিবগঞ্জে জাতীয় অনলাইন প্রেসক্লাবের কমিটি গঠন: এমদাদুল আহবায়ক রবি সদস্য সচিব গাইবান্ধা প্রসক্লাব’র কমিটি গঠিত প্রধানমন্ত্রী হস্তক্ষেপ কামনা, বাগাতি পাড়ার ভূমিহীন রাবেয়া বেগমের জৈন্তাপুরে ৫১০ বোতল ফেনসিডিল সহ এক নারী আটক পটুয়াখালীতে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু এন এস আই পরিচয় দিয়ে এন এস আই এ চাকরির মিথ্যা প্রলোভনে মোটা অংকের টাকা আত্মসাৎ আটক দুই পটুয়াখালীতে প্রতিমা ভাঙচুর ও স্বর্ণের চোখ চুরি মামলার প্রধান আসামি গ্রেফতার আদমদীঘিতে হেলমেট নেই, জ্বালানি নেই কার্যক্রম শুরু কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত থেকে অজ্ঞাত নারীর মরদেহ উদ্ধার

সম্ভাব্য মার্কিন অবরোধ: গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ব্যাহত হওয়ার হুমকি মিয়ানমারের

সম্ভাব্য মার্কিন অবরোধ: গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ব্যাহত হওয়ার হুমকি মিয়ানমারের

ডিটেকটিভ আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর ওপর প্রস্তাবিত মার্কিন নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হলে জেনারেলদের সঙ্গে নির্বাচিত বেসামরিক সরকারের ক্ষমতার দ্বিপাক্ষিক প্রক্রিয়া ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তেমনটা ঘটলে দেশটির গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ব্যাহত হতে পারে। খারাপ পরিণতির দিকে যেতে পারে দেশটির বিনিয়োগ ও ব্যবসা-বাণিজ্য।  গত শুক্রবার মিয়ানমারের রাষ্ট্রীয় উপদেষ্টা অং সান সু চির দফতর থেকে  মুখপাত্র জ হতে ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে এসব আশঙ্কার কথা বলেন।

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দীর্ঘ ও প্রথম এশিয়া সফর শুরুর ঠিক আগের দিন বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসের উচ্চকক্ষ সিনেটে আইনপ্রণেতারা মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কিছু নিষেধাজ্ঞা ও ভ্রমণ-সংক্রান্ত বিধিনিষেধ আরোপের প্রস্তাবসংবলিত একটি বিল উত্থাপন করেন।  রোহিঙ্গা সংকটে এ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের নেওয়া সবচেয়ে কঠোর পদক্ষেপের একটি হিসেবে দেখা হচ্ছে বিলটিকে। মার্কিন সিনেটরদের একাংশের উত্থাপিত এই বিল পাস হলে গত বছর মিয়ানমারের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় উত্তরণের প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে প্রত্যাহারকৃত কিছু নিষেধাজ্ঞা আবার ফিরে আসতে পারে। এ ছাড়া বিল পাস হলে মিয়ানমার সেনাবাহিনীকে দেওয়া মার্কিন সহায়তাও বন্ধ হয়ে যাবে।

ওয়াশিংটনের এ পদক্ষেপের প্রতিক্রিয়ায় অং সান সু চির মুখপাত্র জ হতে বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেন, মিয়ানমারের অর্থনৈতিক অগ্রগতির জন্য দেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতা দরকার। আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হলে তা এ দেশের জনগণের ভ্রমণ ও ব্যবসা-বাণিজ্যের বিনিয়োগে সরাসরি প্রভাব ফেলবে। এ ছাড়া আরও অনেক খারাপ পরিণতি বয়ে আনতে পারে সিদ্ধান্তটি। মুখপাত্র বলেন, ’এ দেশের পুনর্গঠন কাজ সু চি সরকারের একার পক্ষে সম্ভব নয়। রাখাইন নিয়ে যে পদক্ষেপই মিয়ানমারের ক্ষমতাসীন সরকার গ্রহণ করুক তাতে সেনাবাহিনীকে সম্পৃক্ত করতে হবে।  ২০০৮ সালের সংবিধানের অধীন সেনাবাহিনীর সঙ্গে সমঝোতা করেই সব করা হচ্ছে। এ অবস্থায় নিষেধাজ্ঞা ও চাপ সরকারের কাজে ব্যাঘাত ঘটাবে।’

মুখপাত্র আরও বলেন, মিয়ানমারে ১৫ নভেম্বর মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী রেক্স টিলারসনের আসার কথা। ওই সময় রাখাইন নিয়ে সরকারের প্রচেষ্টার কথা তাঁর কাছে তুলে ধরা হবে। ‘আগামী ১৫ নভেম্বর মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী রেক্স টিলারসনের মিয়ানমার সফরে রাখাইন সম্পর্কে তার কাছে দেশটির সরকারের অবস্থান তুলে ধরা হবে। আমরা কী করছি সেটা মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী রেক্স টিলারসনকে বুঝিয়ে বলব। অবরোধের বিষয়ে তো আর কিছু বলতে পারব না। কারণ আমরা মার্কিন নীতি সম্পর্কে কিছু জানি না।’ বলেন তিনি।

এদিকে মিয়ানমারের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের প্রস্তাব নিয়ে বিলটি উত্থাপনকারী আইনপ্রণেতাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকজন হলেন সিনেটের আর্মড সার্ভিস কমিটির চেয়ারম্যান রিপাবলিকান সিনেটর জন ম্যাককেইন ও সিনেটের পররাষ্ট্র সম্পর্কবিষয়ক কমিটির শীর্ষ ডেমোক্র্যাট সদস্য বেন কার্ডিন। কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদেও অনুরূপ একটি বিল আনা হচ্ছে বলে জানা গেছে। সিনেটে বিল উত্থাপন-পরবর্তী আলোচনায় আইনপ্রণেতারা রোহিঙ্গাদের দুর্দশার জবাবে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য চাপ দেন।

Share Button

     এ জাতীয় আরো খবর