April 10, 2026, 12:16 am

সংবাদ শিরোনাম
সাড়ে চার কোটি বিনিয়োগ নথি ঠিক, অদৃশ্য উৎস–আয়ের শেষ গন্তব্য কোথায়? রংপুরে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ আত্মীয়ের বাসা থেকে সাড়ে চার কোটির ছায়া: নথি ঠিক, উৎস অদৃশ্য নিজের অপরাধ আড়াল করতে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ মেইন রাস্তার ধুলো নয়, নীরব বিষ: রংপুরে তামাক ক্রাসিংয়ের অবৈধ বিস্তার রংপুরে হামের ছায়া: সংখ্যা নয়, গল্পগুলোই বলছে আসল কথা দিনাজপুরে আশ্রম ও এতিমখানায় ৩ কোটি ৬২ লক্ষ ৮৮ হাজার টাকার চেক বিতরণ হাম-আতঙ্কের ভেতর পাঁচ শিশু, রমেকে নীরব লড়াই রংপুরে ”আলোকিতো’র প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত সাড়ে চার কোটির ছায়া: শ্বশুর সামনে, কাস্টমস্ জামাতার সংযোগ

ঢাকা মেডিকেল থেকে শিশু নিখোঁজ

ঢাকা মেডিকেল থেকে শিশু নিখোঁজ

mostbet

ডিটেকটিভ নিউজ ডেস্ক

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মায়ের কোল থেকে তিন মাসের এক শিশুর নিখোঁজ হওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত সোমবার মধ্যরাতের পর কোনো একসময় হাসপাতালের নতুন ভবনের ৭০১ নম্বর ওয়ার্ড থেকে জিম নামের ওই শিশুটি হারিয়ে যায় বলে পরিবারের অভিযোগ। জিম ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার জুয়েল হোসেন ও সুমাইয়া আক্তারের মেয়ে। অসুস্থ বাবার সঙ্গে গত ৩১ অক্টোবর হাসপাতালে এসেছিল সে। ঢাকা মেডিকেল পুলিশ ফাঁড়ির এসআই বাচ্চু মিয়া বলেন, শিশুটিকে উদ্ধারের সব ধরনের চেষ্টাই আমরা করছি। তবে কীভাবে শিশুটি নিখোঁজ হল, কেউ তাকে তুলে নিয়ে গেছে কি না- সে বিষয়ে কোনো ধারণা দিতে পারেননি তিনি। বাচ্চু মিয়া জানান, জিমের বাবা জুয়েল ডায়াবেটিস ও কিডনি সমস্যা নিয়ে হাসপাতালের ওই ওয়ার্ডের ৪০ নম্বর বেডে ভর্তি হন। তার সেবার জন্য জিমকে নিয়ে তার মাও হাসপাতালে থাকছিলেন। গত সোমবার রাত ১২ দিকে সুমাইয়া স্বামীর পাশে ৪১ নম্বর বেডে জিমকে নিয়ে ঘুমিয়ে পড়েন। পরে হঠাৎ ঘুম ভেঙে দেখেন জিম নেই। তার চিৎকারে অন্যরা এগিয়ে এসে খোঁজাখুঁজি করলেও সকাল পর্যন্ত শিশুটির খোঁজ পাওয়া যায়নি বলে বাচ্চু মিয়া জানান। সুমাইয়া হাসপাতালে সাংবাদিকদের বলেছেন, তার মেয়েকে দেখে অন্য রোগীর স্বজনসহ অনেকেই প্রশংসা করেছেন, কথা বলেছেন। কিন্তু তাদের কেউ জিমকে চুরি করেছে কি না, সে বিষয়ে তিনি নিশ্চিত নন। এদিকে, শিশু নিখোঁজের ঘটনায় তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে ঢামেক কর্তৃপক্ষ। তদন্ত কমিটির প্রধান হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে ঢামেকের উপপরিচালক বিদ্যুৎ কান্তি পালকে। গতকাল মঙ্গলবার এই তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। বিকেলে তদন্ত কমিটির প্রধান বিদ্যুৎ কান্তি পাল জানান, আমরা তিন কার্যদিবসের মধ্যেই তদন্ত কমিটির রিপোর্ট প্রদান করবো। এ ছাড়া এই বাচ্চা চুরির ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর লোকজন আমাদের সিসিটিভির ফুটেজগুলো মনিটরিং করেছেন। ইতোমধ্যেই তারা শিশুটিকে উদ্ধারের জন্য কাজ শুরু করেছেন।

Share Button

     এ জাতীয় আরো খবর