April 8, 2026, 12:46 pm

সংবাদ শিরোনাম
নিজের অপরাধ আড়াল করতে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ মেইন রাস্তার ধুলো নয়, নীরব বিষ: রংপুরে তামাক ক্রাসিংয়ের অবৈধ বিস্তার রংপুরে হামের ছায়া: সংখ্যা নয়, গল্পগুলোই বলছে আসল কথা দিনাজপুরে আশ্রম ও এতিমখানায় ৩ কোটি ৬২ লক্ষ ৮৮ হাজার টাকার চেক বিতরণ হাম-আতঙ্কের ভেতর পাঁচ শিশু, রমেকে নীরব লড়াই রংপুরে ”আলোকিতো’র প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত সাড়ে চার কোটির ছায়া: শ্বশুর সামনে, কাস্টমস্ জামাতার সংযোগ গংগাচড়ায় আপোষের নামে বোনকে ডেকে মারপিট, আসামীদের গ্রেফতারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন স্বাস্থ্যসেবা দোরগোড়ায়—দাবি, বাস্তবতা ও অপেক্ষার বৈধ কাগজপত্র-হেলমেট ছাড়া মিলবে না জ্বালানি তেল

ভবিষ্যত প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস জানাতে আহ্বান রাষ্ট্রপতির

ভবিষ্যত প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস জানাতে আহ্বান রাষ্ট্রপতির

mostbet

ডিটেকটিভ নিউজ ডেস্ক

বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্ম যাতে মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস জানতে পারে তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। তিনি বলেছেন, স্বাধীনতার ৪৭ বছরেও এ দেশের মানুষ পরিপূর্ণভাবে স্বাধীনতার সুফল ভোগ করতে পারেনি। স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধবিরোধী একটি চক্র এখনও সুযোগ পেলে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃত করতে উঠেপড়ে লাগে। অতীতেও এ চক্রটি আমাদের মুক্তিসংগ্রামে ও মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে বার বার বদলাবার অপচেষ্টা করেছে। সাময়িকভাবে এ চেষ্টা সফল হলেও চূড়ান্তভাবে তারা পরাস্ত হয়। ইতিহাস তার নিজস্ব গতিতে চলে। কেউ তা বদলাতে পারে না। বরং যারা এ অপচেষ্টা করে তারাই ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে নিক্ষিপ্ত হয়। তাই বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্ম যাতে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানতে পারে তা নিশ্চিত করা আমাদের সকলের পবিত্র দায়িত্ব ও কর্তব্য। গতকাল বৃহস্পতিবার বঙ্গভবনে ‘১৯৭১: রেজিসটেন্স, রেজিলেন্স অ্যান্ড রিডেম্পশান’ শীর্ষক’ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক একটি গবেষণাধর্মী বইয়ের প্রকাশনা উৎসবে রাষ্ট্রপতি এসব কথা বলেন। বইটির লেখক রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব মেজর জেনারেল মো. সরোয়ার হোসেন। বইটি বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত। অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি বলেন, মুক্তিসংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে অনেক লেখালেখি গলেও গবেষণাধর্মী বইয়ের সংখ্যা খুব একটা বেশি না। আর যা আছে তাও বেশিরভাগ এলাকাভিত্তিক, বাহিনীভিত্তিক বা অপরেশনভিত্তিক। সে বিবেচনায় ‘১৯৭১: রেজিসটেন্স, রেজিলেন্স অ্যান্ড রিডেম্পশান’ প্রকাশনা একটি গুরুত্বপূর্ণ গবেষণাকর্ম। এতে মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে গবেষণার অনেক উপকরণ রয়েছে। আমি আশা করব আমাদের প্রাজ্ঞ লেখক, গবেষক, বুদ্ধিজীবী, সাংবাদিকসহ মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় সিক্ত আগ্রহীগণ মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিসংগ্রাম নিয়ে গবেষণা চালাবেন। এতে প্রজন্মের পর প্রজন্ম মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানতে পারবে, নিজেদেরকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় সমৃদ্ধ করতে পারবে। আর তাহলেই দেশ ও জাঁতি উপকৃত হবে। প্রধানমন্ত্রী আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপদেষ্টা গওহর রিজভীর সভাপতিত্বে বঙ্গভবনের দরবার হলের ওই অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক শামসুজ্জামান খান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম, অধ্যাপক সৈয়দ আনোয়ার হোসেন এবং বইটির লেখক সরোয়ার হোসেন।

Share Button

     এ জাতীয় আরো খবর