April 2, 2026, 8:45 pm

সংবাদ শিরোনাম
বৈধ কাগজপত্র-হেলমেট ছাড়া মিলবে না জ্বালানি তেল ক্যাম্পবেলটাউনে গার্হস্থ্য সহিংসতা প্রতিরোধে সেমিনার অনুষ্ঠিত দিনাজপুরে যাত্রীবাহী কোচ ও ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২, গুরুতর আহত ৬ ক্যান্সার প্রতিরোধে স্বাস্থ্য সচেতনতা ও খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তনের বিকল্প নেই পূর্ব শত্রুতার জেরে রাতের আঁধারে শতাধিক গাছ নষ্টের অভিযোগ এক-এগারোর ছায়া: বন্ধ দরজার ভেতর থেকে উঠে আসা নাম—মাসুদ রাস্তায় ‘মরণফাঁদ’—রংপুরের প্রাণকেন্দ্র সাতমাথা সড়কের দায় কার? ঈদ যাত্রায় জনভোগান্তি নিরসনে সেনাবাহিনীর বিশেষ অভিযান শ্রম পরিদর্শন: লাইসেন্সে অস্বচ্ছতা, বোনাসে নীরবতা রসিক-এর পূর্ণকালীন প্রশাসক হলেন-আইনজীবী মাহফুজ-উন-নবী চৌধুরী

গোপালগঞ্জে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে সহকারীদের বেতন আটকে রাখার অভিযোগ

গোপালগঞ্জে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে সহকারীদের বেতন আটকে রাখার অভিযোগ

ডিটেকটিভ নিউজ ডেস্ক

গোপালগঞ্জের বৌলতলী সাহাপুর সম্মিলনী উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আশরাফুল আলমের বিরুদ্ধে সহকারী শিক্ষকদের এক বছরের বেতন বন্ধ করে রাখাসহ নানাভাবে হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। তিন সহকারী শিক্ষকের কাছে চাঁদা দাবি, ব্যবস্থাপনা কমিটির বিরুদ্ধে মামলা দায়েরসহ এসব অভিযোগ তুলেছেন বিদ্যালয়ের অন্য শিক্ষকরা। সহকারী শিক্ষক পরেশ বিশ্বাস অভিযোগ করেন, প্রধান শিক্ষক আমাদের এক বছরের বেতন বন্ধ করে রেখেছেন। চাঁদা দাবির অভিযোগ তুলেছেন গণিতের সহকারী শিক্ষক পরেশ বিশ্বাস, শরীরচর্চা শিক্ষক সুব্রত ম-ল ও বিজ্ঞানের সহকারী শিক্ষক বিভাষ বিশ্বাস। তারা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাম্মী আক্তারের (ইউএনও) কাছে এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০১৬ সালের ২৪ মার্চ ওই তিন শিক্ষক চাকরিতে যোগ দেন। এরপর থেকে প্রধান শিক্ষক আশরাফুল তাদের প্রত্যেকের কাছে এক লাখ টাকা করে চাঁদা দাবি করে আসছেন। তারা টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় প্রধান শিক্ষক তাদের চাকরিচ্যুত করার ভয় দেখাচ্ছেন। সম্প্রতি প্রধান শিক্ষক এই তিন শিক্ষককে হাজিরা খাতায় সই করতে দেন না এবং তাদের অকথ্য ভাষায় গালাগাল করেন বলেও অভিযোগ। সহকারী শিক্ষক সুব্রত ম-ল অভিযোগ করেন, প্রধান শিক্ষক বিদ্যালয়ের ২০ লক্ষাধিক টাকা আত্মসাৎ করছেন। এসএসসি ও জেএসসির ফরম পূরণ বাবদ প্রধান শিক্ষ চার-পাঁচ গুণ টাকা বেশি আদায় করেন। প্রধান শিক্ষ বার্ষিক ও অর্ধবার্ষিক পরীক্ষায় বোর্ড নির্ধারিত ফির তিন গুণ বেশি টাকা আদায় করে আসছেন বলে অভিযোগ করেছেন সহকারী শিক্ষক বিভাষ বিশ্বাস। এসব অভিযোগের পর সম্প্রতি বিদ্যালয় পরিদর্শন করেন জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো.আকরাম হোসেন। তিনি বলেন, প্রধান শিক্ষকের কর্মকা-ে অসংখ্য অসঙ্গতি পেয়েছি। এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানান। ইউএনও শাম্মী আক্তার বলেন, প্রধান শিক্ষক তিন সহকারী শিক্ষককে হয়রানি ও নির্যাতন করছেন বলে অভিযোগ পেয়েছি। এ ছাড়া প্রধান শিক্ষক বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটি মামলা দিয়ে স্থগিত করে রেখেছেন। এ সুযোগে প্রধান শিক্ষক ক্ষমতার অপব্যবহার করছেন। এসব অভিযোগ তদন্ত করে দেখা হবে। অভিযোগ বিষয়ে প্রধান শিক্ষকের বক্তব্য জানার জন্য তার মোবাইল ফোনে একাধিকবার চেষ্টা করলেও তিনি সাড়া দেননি।

Share Button

     এ জাতীয় আরো খবর