March 5, 2024, 10:53 am

সংবাদ শিরোনাম
শিক্ষক হাজির ২জন শিক্ষার্থীও হাজির ২ জন উলিপুরে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে মানববন্ধন চিলমারীতে এইড-কুমিল্লার ই-কমার্স বিষয়ে সচেতনতা মূলক র‍্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত আন্তঃজেলা ডাকাত দলের ০৪ সদস্যকে গোপালগঞ্জের সদর থানা এলাকা থেকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব কুড়িগ্রামে ব্রহ্মপুত্রের চরের শিশুদের শিক্ষা উপকরণ দিলো বাফলা পটুয়াখালীতে আগুনে পুড়ে গেছে মাছের আড়তসহ ৬ টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। কুয়াকাটায় পালিত বিশ্ব বন্যপ্রানী দিবস পালিত হয়েছে শার্শায় মরা গরুর মাংস বিক্রির অভিযোগে কসায়সহ দুজনকে জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত ভোলায় ২২ লক্ষ মানুষের জন্য নেই ব্লাড ব্যাংক সুন্দরগঞ্জে মাদক ব্যবসা অবাধে চলছে নেই কোন প্রতিকার

পদ্মা সেতু নির্মাণের মাধ্যমে মিথ্যা অপবাদের জবাব দিয়েছে বাংলাদেশ : প্রধানমন্ত্রী

পদ্মা সেতু নির্মাণের মাধ্যমে মিথ্যা অপবাদের জবাব দিয়েছে বাংলাদেশ : প্রধানমন্ত্রী

ডিটেকটিভ নিউজ ডেস্ক

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণের মাধ্যমে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে আনিত তথাকথিত ‘দূর্নীতি’র মিথ্যা অভিযোগের সমুচিত জবাব দিয়েছে তাঁর সরকার।
যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রিটেনে তিন সপ্তাহের সফর শেষে দেশে ফেরার পর বিমান বন্দরে সংক্ষিপ্ত ভাষণে তিনি বলেন, ‘আমরা নিজস্ব অর্থে পদ্মাসেতু নির্মাণ করছি। যারা আমাদের এই পদ্মা সেতু নির্মাণ নিয়ে মিথ্যা অপবাদ এবং বাংলাদেশের সামর্থ্যকে হেয় করার চেষ্টা করেছিল আমরা তাদের সমুচিত জবাব দিয়েছি।’
নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সদ্য সমাপ্ত ৭২তম অধিবেশনে তাঁর সফল অংশগ্রহণের জন্য এক সংবর্ধনার জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, নিজস্ব অর্থায়নে মেগা প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নের মাধ্যমে আবারো বিদেশে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জল হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী তিন সপ্তাহের সফর শেষে দেশে ফেরার পর বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরের ভিভিআইপি লাউঞ্জে এই সংবর্ধনার আয়োজন করে ।
নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতুর মত বৃহৎ প্রকল্প গ্রহণ সরকারের জন্য বিরাট চ্যালেঞ্জ ছিল উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, একে কেন্দ্র করে তাঁর সরকার এবং পরিবারকে নিয়ে কুৎসা রটনা করার অপচেষ্টা চালানো হয়েছিল।
শেখ হাসিনা বলেন, ‘স্বার্থান্বেষী মহল একে কেন্দ্র করে আমাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির মিথ্যা অভিযোগ দেয়ার চেষ্টা করে এবং অতি উৎসাহী মহল জনগণকেও বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করে।’
তিনি বলেন, অনেকেই মনে করে যখন একটি আন্তর্জাতিক সং¯’া এমন অভিযোগ করছে, কাজেই এটি সত্যি হতে পারে। কিš‘ু আমার আত্মবিশ্বাস ছিল যে, এদেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্যই আমার এই দেশে আসা, নিজের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য নয়।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরও সংবর্ধনায় বক্তৃতা করেন।
তিনি এবং তাঁর পরিবার পদ্মা সেতু নিয়ে আন্তর্জাতিক সং¯’ার মিথ্যা দুর্নীতির অভিযোগ উত্থাপনের সময় কেমন মানসিক যন্ত্রণায় সময় অতিবাহিত করেছেন সে প্রসঙ্গ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সবাই আমাদের এমনভাবে দেখতে আরম্ভ করে যেন আমরা না যেন কি অন্যায় করে ফেলেছি।’
শেখ হাসিনা বলেন, আন্তর্জাতিক সং¯’াটি সে সময় অপপ্রচার শুরু করে এবং দুর্নীতির অভিযোগে পদ্মাসেত ুপ্রকল্পে অর্থায়ন বন্ধ করে দেয়, দুর্নীতির তদন্তে একটি কমিটিও গঠন করে তারা।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি তখন বলেছি প্রকল্পে কোন দুর্নীতি হয়নি। আর যদি হয়ে থাকে তাহলে তা প্রমাণ করতে হবে। কিš‘ তারা এই অভিযোগ প্রমাণে ব্যর্থ হয়। অথচ, যিনি বাংলাদেশের দুর্নীতির বিষয়ে সে সময় সবচেয়ে সরব ছিলেন তার নিজেরই ৪০ হাজার পৃষ্টার দুর্নীতির খতিয়ান প্রকাশ পেয়েছে।
শেখ হাসিনা বলেন, অনেকেই তখন বিশ্বাস করতে পারেনি সরকার নিজস্ব অর্থে এই সেতু নির্মাণে সক্ষম হবে,মন্ত্রী সভার অনেকের মধ্যেও তখন সে বিশ্বাস ছিল না। কিš‘ু আমার প্রতিজ্ঞা ছিল, নিজস্ব অর্থেই পদ্মাসেতু নির্মাণ হবে।
অনেকেই তখন আশংকা প্রকাশ করেছিল, যেহেতু পদ্মাসেতু এলাকার সাথে তার নির্বাচনী এলাকা সম্পর্কিত সেহেতু তার নির্বাচনী আসনের কি হবে, তখন আমি বলেছিলাম, আমরা ক্ষমতায় যাওয়ার লোভে বা নির্বাচনে বিজয়ের জন্য এটা করছি না,’ বলেন প্রধানমন্ত্রী।
তিনি বলেন, তিনি বিশ্বাস করেন সত্যের জয় অনিবার্য। আর এটা শুধু সময়ের ব্যাপার মাত্র।
পদ্মা সেতুর প্রথম স্প্যান বসানোর দিন তিনি এবং তাঁর ছোট বোন শেখ রেহানা যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে অব¯’ানকালিন বিনিদ্র রাত কাটিয়েছেন উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন,‘রাত ৩ টায় ব্রিজের প্রথম স্প্যান বসানোর কাজ সফলভাবে সম্পন্ন হবার সংবাদ পেয়ে আমরা আনন্দে কেঁদে ফেলি।’
প্রধানমন্ত্রী এ সময় দেশের দক্ষিণ জনপদকে যুক্তকারি এই সেতু নির্মানে তাঁকে অকুন্ঠ সমর্থনের জন্য দেশে-বেদেশে অব¯’ানকারি সকল বাংলাদেশীদের অভিনন্দন জানান।
নিজস্ব অর্থায়নে এই সেতু নির্মাণে সমর্থ হওয়ায় তাঁর সরকার দেশ ও জনগণের আ¯’া ও বিশ্বাস অর্জনে সক্ষম হয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জনগণের আ¯’া ও বিশ্বাস অর্জনের চেয়ে বড়ো আর কিছু একজন রাজনীতিকের জীবনে হতে পারে না। আর এটাই সব থেকে বড়ো উপহার, যা আমি অর্জন করেছি।’
প্রধানমন্ত্রী এ সময় পদ্মাসেতুর প্রথম স্প্যান সফলভাবে সংযোজন সম্পন্ন হওয়ায় মহান রাব্বুল আলামিনের দরবারে শোকরিয়া জানিয়ে বলেন, বঙ্গবন্ধু দেশ স্বাধীন করেছেন আর আমরা চাই সমগ্র বিশ্বের দরবারে বাংলাদেশ সবসময় মাথা উঁচু করে চলবে।
এদিন রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়েও বিস্তরিত খোলামেলা কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। রোহিঙ্গা ইস্যুকে কেন্দ্র করে আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ আমাদের ওপর যুদ্ধ পর্যন্ত চাপিয়ে দেয়ার চেষ্টা করেছিল বলেও অভিযোগ করেন প্রধানমন্ত্রী ।
রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেয়াটাকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সে চ্যালেঞ্জ বাংলাদেশ গ্রহণ করায় এখন আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃষ্টিও বিষয়টির ওপর পড়েছে এবং মিয়ানমারও আলোচনা করতে আগ্রহী হয়েছে।
সরকার প্রধান বলেন, ‘আরো বেশ কিছু ঘটনা ছিল যেটা হয়তো এখন বিস্তারিত বলবো না, আমাদের একেবারে প্রতিবেশী, তারা একটা পর্যায়ে এমন একটা ভাব দেখালো যে আমাদের সঙ্গে যেন যুদ্ধই বেঁধে যাবে। আমি আমাদের সেনাবাহিনী বর্ডার গার্ড- সকলকে সতর্ক করে বললাম, ‘কোন রকম উস্কানিতে তারা যেন বিভ্রান্ত না হয়। যতক্ষণ পর্যন্ত আমি নির্দেশ না দেই। তারা এরকম একটা ঘটনা ঘটাতে চাইবে এবং অনেকেই আছে এখানে নানারকমের উস্কানি দেবে বা এমন একটা অব¯’া তৈরি করতে চাইবে যেটা অন্যদিকে দৃষ্টি ফেরাবে।
বিদেশে যাবার পূর্বেই যেকোন ধরনের অনভিপ্রেত পরি¯ি’তির উদ্ভব সম্পর্কে সকলকে সতর্ক করে যান উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘সেদিকে আমরা খুবই সতর্ক ছিলাম। জনগণ জানে আমাদের সশ¯্রবাহিনী আমাদের বিজিবি পুলিশ থেকে শুরু করে ¯’ানীয় যারা সংগঠন করেন এবং অন্যান্য প্রত্যেককেই আমরা এ ব্যাপারে সতর্ক করি। যা যা দরকার তার আগাম ব্যব¯’া আমি করে দিয়ে গিয়েছিলাম।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, যাই হোক আমি এটুকুই বলব, বাংলাদেশ এই আশ্রয়টা দিয়ে একটা চ্যালেঞ্জ নিয়েছি। শুধু তাই নয়, আমরা বললাম প্রয়োজনে আমরা একবেলা খাব, আর অন্য বেলার খাবারটা ওদেরকে দিয়ে দেব এবং আমরা কিš‘ু সেটা করে যা”িছ। আর আজকে বাংলাদেশ যদি এই অব¯’ানটা না নিত, তাহলে হয়তো আন্তর্জাতিক সম্পদায়েরও দৃষ্টিটা এভাবে আকর্ষণ করতে পারতো না।
মিয়ানমার থেকে বিতাড়িত রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেয়াটা সম্পূর্ণই মানবিক উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মানুষ মানুষের জন্য। আর বিপন্ন মানুষকে আশ্রয় দেয়া মানুষের দায়িত্ব।’
তিনি বলেন, খোঁজ নিয়ে দেখলাম মিয়ানমারে যেভাবে সাধারণ মানুষের ওপর অত্যাচার হয়েছে, যেভাবে গণহত্যা, পাশবিক অত্যাচার হয়েছে, তাতে ছোট শিশুরা পর্যন্ত রেহাই পায়নি। খুব স্বাভাবিকভাবে তাদেরকে আমাদের তাদেরকে আশ্রয় দিতে হলো। প্রধানমন্ত্রী বলেন, পৃথিবীর বহুদেশে এধরনের ঘটনা ঘটে যা”েছ, কিš‘ আমরা দেখেছি বিশ্বে অনেকেই দরজা বন্ধ করে দিয়েছে। আশ্রয় দিতে চায়নি।
প্রধানমন্ত্রী এ সময় ছোটবেনি শেখ রেহানাকে সঙ্গে করে কক্সবাজারের উখিয়ায় একটি রোহিঙ্গা শরনার্থী শিবির পরিদর্শনের স্মৃতিচারন করে বলেন, ‘সে সময় রেহানাও আমার সঙ্গে ছিল সে বললো ১৬ কোটি মানুষকেতো ভাত খাওয়া”েছা আর ৫-৭ লাখ লোক, তাদেরকে আশ্রয় দিতে পারবে না। খাওয়াতে পারবে না।’ এই যে কথাটা- সত্য কথা বলতে কি এটা একটা আত্ম বিশ্বাসের ব্যাপার।
প্রধানমন্ত্রী সেখানে ত্রাণকার্য পরিচালনার উল্লেখ করে বলেন, কে কখন আমাদের কি সাহায্য দেবে তার জন্য কিš‘ আমরা অপেক্ষা করিনি। আমাদের দলের নেতা-কর্মী, প্রশাসন, সেনাবাহিনী, বর্ডার গার্ড সকলেই একটি মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে তাদের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছে।
আন্তর্জাতিক সং¯’া যারা সহযোগিতা করছে তাদের ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, ‘সকলেই সহযোগিতা করছে। সকলেই সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে। আমি এটাই শুধু চিন্তা করেছি ১৯৭১ সালের কথা। আজকের অনেকের সে সময় জন্মই হয়নি। তারা জানে না সে সময়কার ভয়াবহতার কথা।
প্রধানমন্ত্রী এ সময় নিজেকে ভুক্তভোগী উল্লেখ করে তাঁদের গ্রাম, দাদা-দাদী, নানা-নানীর ঘর বাড়ি সহ পাকিস্তানী হানাদারদের গ্রামের পর গ্রাম জ্বালিয়ে দেয়া এবং হত্যাযজ্ঞের দুঃসহ স্মৃতি স্মরণ করেন। তিনি বলেন, আমাদের সাড়ে সাত কোটি মানুষের মধ্যে তিন কোটি সাড়ে তিন কোটি মানুষের ঘর-বাড়ি জালিয়ে দিয়ে তাদের নি:স্ব করে দেয়া হয়েছিল। প্রায় এক কোটি মানুষ ভারতে আশ্রয় নিয়েছিল।
তিনি বলেন, কাজেই আমাদের যখন এমন একটি অভিজ্ঞতা রয়েছে তারপর যখন আমরা বিপন্ন মানবতা দেখলাম আমি মনে করলাম এসব আশ্রয়হীন মানুষকে আশ্রয় দেয়া জাতিয়ভাবে আমাদের কর্তব্য।
এ সময় শরনার্থীদের কাছে যথাযথভাবে ত্রাণ পৌঁছে দেয়ার জন্য প্রশাসন এবং তাঁর দলের ব্যব¯’াপনা সম্পর্কেও আলোকপাত করেন প্রধানমন্ত্রী।
‘যারা বিপন্ন মানুষ আগে তাঁদের পাশে দাঁড়াতে হবে-’ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব আমাদের সেই রাজনীতিই শিখিয়েছেন উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের আওয়ামী লীগের কিš‘ু একটি স্বভাবজাত প্রবণতা আছে- দু¯’ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর, এটিই আমাদের রাজনীতি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের যা আছে তা দিয়েই আমরা শুরু করেছি এবং এখনো একটি বিরাট দায়িত্ব আমাদের এবং আমি ধন্যবাদ জানাই
মিয়ানমার সরকার আন্তর্জাতিক চাপে এবং যেভাবেই হোক তারা অন্তত এগিয়ে এসেছে, আলোচনা শুরু করেছে। আমি মনে করি এটাও একটি বিশেষ দিক, আন্তর্জাতিক চাপ আছে।এ অব¯’ায় আলোচনার মধ্যদিয়ে আমরা এটার সমাধান করতে পারবো। তিনি বলেন, এই যে আপনারা সমাজের বিশিষ্ট জনেরা আজ এখানে আছেন- আসলে যখন একটা বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হয় তখন সিদ্ধান্ত সঠিক কি ভুল সেটা ঠিক করার চাইতেও দ্রুত সিদ্ধান্ত নেয়াটাই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে পড়ে। যখন দেখি সিদ্ধান্ত সঠিক এবং এজন্য মানুষের সমর্থনটা পা”িছ সেটা কিš‘ু আমাদের মানসিক শক্তি জোগায়।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি ছিলাম ওখানে (দেশের বাইরে) কিš‘ু প্রতিদিনই আমার সংগে যোগাযোগ ছিল। অফিসের কাজও বাদ দেইনি। আর এখনতো ডিজিটাল বাংলাদেশ তাই অনলাইনেও ফাইল সই করেছিলাম। প্রধানমন্ত্রী এ সময় মিয়ানমারের আগত নাগরিকদের তালিকা করা, বায়োমেট্রিক রেজিষ্ট্রেশনের তাঁর সরকারের প্রচেষ্টার কথা উল্লেখ করেন।
এরআগে, আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ, ১৪ দলীয় জোট, বিশিষ্ট নাগরিকবৃন্দ, শিক্ষক নেতৃবৃন্দ, ক্রীড়াবিদ গণ, মিডিয়া ব্যাক্তিত্ববৃন্দ, ব্যবসায়ী, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ প্রধানমন্ত্রীকে ফুলের তোড়া দিয়ে অভ্যর্থনা জানান।
বিমানবন্দরে বাণিজ্য মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, জন প্রশাসন মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম,এলজিআরডি ও সমবায় মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন, দুর্যোগ ব্যব¯’াপনা ও ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জ্বল হোসেন চৌধুরী মায়া, বীরবিক্রম, খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম, ভূমিমন্ত্রী শামসুর রহমান শরীফ দিলু, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা এইচটি ইমাম এবং ইকবাল সোবহান চৌধুরী,জনপ্রশাসনপ্রতিমন্ত্রী ইসমত আরা সাদেক, মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকি,যুব ও ক্রীড়া উপমন্ত্রী আরিফ খান জয়, জেষ্ঠ্য সাংবাদিক এবং বাংলাদেশ সংবাদ সং¯’া’র (বাসস) চেয়ারম্যান রাহাত খান, দৈনিক সমকাল সম্পাদক গোলাম সারোয়ার, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে) সভাপতি মঞ্জুরুল আহসান বুলবুল, জাতীয় প্রেসক্লাব সভাপতি মুহম্মদ শফিকুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক ফরিদা ইয়াসমিন,জেষ্ঠ সাংবাদিক আবেদ খান, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন, বাংলাদেশ ওয়ান ডে দলের অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা,শিল্পী হাশেম খান, আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টি (মঞ্জু),সাম্যবাদি দল,তরিকত ফেডারেশনসহ ১৪ দলীয় নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যবৃন্দ, শিল্পী, গায়কসহ গণমাধ্যম ব্যক্তিবর্গ উপ¯ি’ত ছিলেন।
সূত্র : বাসস

Facebook Comments Box
Share Button

     এ জাতীয় আরো খবর