মাদারীপুর প্রতিনিধিঃ
র্যাব-৮, সিপিসি -৩, মাদারীপুর ক্যাম্পের একটি বিশেষ আভিযানিক দল গত ২৪ জুন ২০১৮ তারিখ রত্না সরকার (২২), পিতাঃ অমর সরকার, সাং-দিঘীরপাড়, থানাঃ রাজৈর, জেলাঃ মাদারীপুর এর অভিযোগের
ভিত্তিতে জানতে পারে যে, গোপালগঞ্জ জেলার সদর থানাধীন মিলন চৌধুরী (৩৮), পিতাঃ মৃত রঞ্জিত চৌধুরী, সাং- চামটা , থানা ও জেলাঃ গোপালগঞ্জ এর সহিত গত ১৬/০২/১৬ ইং তারিখ বিজ্ঞ নোটারী পাবলিকের আদালত ,ফরিদপুর এফিডেভিট এর মাধ্যমে বিবাহ করে। রত্না সরকার ফরিদপুর হোস্টেলে থেকে পড়ালেখা করিতে থাকে। গত ৩০ জানুয়ারি ২০১৭ ইং তারিখে তার সাথে দেখা করার জন্য তার বাসায় যায়। রাতের বেলায় উক্ত কলেজ ছাত্রী ঘুমন্ত অবস্থায় থাকলে তাকে জড়িয়ে ধরে বিভিন্ন গোপনে অশ্লীল ছবি ধারণ করে। বিবাদীর সাথে ০২ ফ্রেরুয়ারি ২০১৭ তারিখ পর্যন্ত থাকাকালীন সময়ে ঘুমের মাঝে অচেতন থাকার সুযোগ নিয়া অশ্লীল করিয়া জড়িয়ে ধরে মোবাইলে ছবি তোলার কথা মোবাইল ফোনের মাধ্যমে উক্ত কলেজ ছাত্রীকে জানায়। উক্ত কলেজ ছাত্রী ছবিগুলো ফেরত চাইলে সে ০২(দুই) লক্ষ টাকা দাবী করে। পরবর্তীতে ১৯ মার্চ ২০১৭ তারিখে তার সাথে বিবাহ বিচ্ছেদ হয়। প্রাপ্ত সংবাদের ভিত্তিতে র্যাবের আভিযানিক দলটি কোম্পানী অধিনায়ক অতিঃ পুলিশ সুপার মোহাম্মাদ তাজুল ইসলাম এর নেতৃতে ২৪ জুন ২০১৮ তারিখে রাত আনুমানিক ১০.৩০ ঘটিকায় টেকেরহাট এলাকা হতে মিলন চৌধুরীকে আটক করে এবং তার হেফাজত থেকে অশ্লীল ছবি ধারণ কাজে ব্যবহৃত ০১টি মোবাইল ফোন এবং ০২টি সীমকার্ড উদ্ধার করে। জিজ্ঞাসাবাদে ধৃত আসামীর নিকট হতে আরো জানা যায় ইতিপূর্বে সে বিবাহ করেছেন এবং তাহার সংসারে ০৩টি ছেলেমেয়ে রয়েছে। তাহার নিজস্ব ফেসবুক এবং মেসেঞ্জার আইডির মাধ্যমে বিভিন্নজনকে উক্ত অশ্লীল ছবিগুলো এবং অশ্লীল কথাবার্তা লেখে পাঠায়। পরবর্তীতে ধৃত আসামী মিলন চৌধুরী (৩৮), পিতাঃ মৃত রঞ্জিত চৌধুরী, সাং- চামটা , থানা ও জেলাঃ গোপালগঞ্জকে গোপালগঞ্জ জেলার সদর থানায় হস্তান্তরের জন্য প্রক্রিয়াধীন ।
প্রাইভেট ডিটেকটিভ/২৫জুন ২০১৮/ইকবাল