April 20, 2026, 4:45 pm

হবিগঞ্জ শহরে চোরাই মোটর সাইকেলসহ জনতার হাতে পুলিশ সদস্য আটক

মো:মকসুদ মিয়া হবিগঞ্জ সদর::

mostbet

 

হবিগঞ্জ শহরের তিনকোনা পুকুরপাড় এলাকায় ভূয়া নাম্বার প্লেইটযুক্ত চোরাই মোটর সাইকেলসহ এক পুলিশ সদস্যকে আটক করেছে জনতা। বিষয়টি নিয়ে শহরজুড়ে সৃষ্টি হয়েছে নানা আলোচনা-সমালোচনা।
জানা যায়,বুধবার রাত ৯ টায় শহরের তিনকোনা পুকুরপাড়স্থ ‘ফিজা পয়েন্টে’ লাল রঙের ১৫০ সিসির পালসার ব্রান্ডের একটি মোটর সাইকেলসহ বন্ধুদের নিয়ে খেতে আসেন হবিগঞ্জ আদালতের পুলিশ সদস্য (কোর্ট পুলিশ) ইমন। মোটর সাইকেলটি তখন ফিজা পয়েন্টের নিচে পার্ক করা ছিল। এ সময় ইউসুফ আলী নামে এক যুবক মোটর সাইকেলটি তার বলে দাবি করেন। পরে স্থানীয় লোকজন জমায়েত হলে পুলিশ সদস্য ইমনকে আটক করা হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে চৌধুরী বাজার
ফাঁড়ির এ.এস.আই ফরহাদ হোসেনের নেতৃত্বে একদল পুলিশ।
ইউসুফ আলী জানান, মোটর সাইকেলটির মালিক তিনি। যা প্রায় ৮ মাস আগে নিজ বাড়ি থেকে চুরি হয়েছিল। সে সময় তিনি থানায় একটি জি.ডিও করেছিলেন। পুলিশ সদস্য ইমন জানান, তিনি মোটর সাইকেলটি মৌলভীবাজারের জেলা প্রশাসকের বডিগার্ডের নিকট থেকে ৬০ হাজার টাকায় ক্রয় করেছেন। তবে তার কাছে কোন বৈধ কাগজপত্র নেই।
কাগজপত্র যাচাইয়ের পর এ.এস.আই ফরহাদ নিশ্চিত হন মোটর সাইকেলটির প্রকৃত মালিক মোঃ ইউসুফ আলী। যার সঠিক রেজিস্ট্রেশন নম্বর হবিগঞ্জ-ল- ১১-১২২৯। কিন্তু ভূয়া নাম্বার প্লেইট (সুনামগঞ্জ-ল- ১১-৮৮০৯) লাগিয়ে এতদিন সাইকেলটি চালিয়েছেন পুলিশ সদস্য ইমন। পরে প্রকৃত মালিক ইউসুফ আলীকে মোটর সাইকেলটি বুঝিয়ে দেন এ.এস.আই ফরহাদ।
কিন্তু বিষয়টি জানাজানি হবার পর শহর জুড়ে সৃষ্টি হয়েছে নানা আলোচনা-সমালোচনা। অনেকেই বলছেন পুলিশ সদস্য ইমনকে আইনের আওতায় নিয়ে আসলে মোটর সাইকেল চোর সিন্ডিকেটের মূলহোতাদের সন্ধান পাওয়া যেত। মোটর সাইকেলটির প্রকৃত মালিক ইউসুফ আলী বানিয়াচং উপজেলার লামাপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি ওই গ্রামের ছোয়াব আলীর পুত্র।

Share Button

     এ জাতীয় আরো খবর