April 22, 2026, 3:07 pm

সংবাদ শিরোনাম
রংপুর কেন্দ্রীয় সমবায় ব্যাংকের শপিং কমপ্লেক্স, সংকুচিত সদস্যপদ আর বিস্তৃত ক্ষমতার এক অনুসন্ধান গাজীপুরে ব্যক্তি মালিকানাধীন জমি বন বিভাগের গেজেট থেকে অবমুক্তি প্রয়োজন রামুতে গাঁজাসহ দম্পতি আটক কাজের প্রলোভন দেখিয়ে অপহরণ, ৭ দিন পর ৩ যুবক উদ্ধার হিলিতে আধিবাসী উচ্চ বিদ্যালয়সহ বিভিন্ন বিদ্যালয়ে এসএসসি’র দোয়া ও বিদায় অনুষ্ঠান মরিচের লাল রং মুছে গেলে যা থাকে এক্সিম ব্যাংকের প্রতারণার শিকার জামাল কন্সট্রাকশন কোম্পানির প্রোপাইটর ভোলায় গৃহবধূর মৃত্যু, শিশুর তথ্যে আটক ১ বাঙ্গালহালিয়া ছাগলখাইয়াতে শ্মশানের পাশে পড়ে ছিলো নবজাতক শিশু, উদ্ধার করল পথচারী যশোরে মাদকসহ ৫ কারবারি আটক

রংপুরে ক্লিনিকের বিরুদ্ধে শিশু বিক্রির অভিযোগ দম্পতির

রংপুর জেলা প্রতিনিধি ::
পীরগাছার তাম্বুলপুর এলাকার দিনমজুর আলাল মিয়া থাকেন পুরান ঢাকায়। চাকুরী করেন একটি ইঞ্জিনিয়ারিং কারখানায়।  তার স্ত্রী শারমিন আক্তার বয়স ২১ বছর। গর্ভবতী হওয়ার ছয়মাস পর আলট্রাসনোগ্রাম  করেন ঢাকায়। রিপোর্টে আসে দুটি বাচ্চা রয়েছে। এরপর পীরগাছার তাম্বুলপুর গ্রামের বাড়িতে আসার পর পীরগাছা লাইফ কেয়ার ডায়াগনষ্টিক সেন্টারে  দ্বিতীয় বার আলট্রসনোগ্রাম  করলে তখনও রিপোর্ট আসে দুটি বাচ্চা। এর পর নাজমুন নাহার ক্লিনিকে ২২ ডিসেম্বর সকালে আলট্রসনোগ্রাম  করে। সেখানে রিপোর্ট আসে দুটি বাচ্চা একটি ছেলে ও একটি মেয়ে । তারা ওজনও বলে দেয়।

mostbet

তিনি জানান, ২২ ডিসেম্বর সকালে স্থানীয় দালাল চক্রের খপ্পরে পড়ে ভর্তি হন রংপুর নগরীর তিনমাথা মাহিগঞ্জ নাজমুন নাহার ক্লিনিকে সিজারিয়ান অপারেশনের জন্য। আলট্রাসনোগ্রাম রিপোর্ট অনুযায়ী রাত সাড়ে দশটায় সিজার করা হয়। মা ও শিশুর অবস্থা খারাপ বলে ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ দ্রত পাঠিয়ে দেন রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। মেডিকেলে যাওয়ার পর মেডিকেল কর্তৃপক্ষ বলেন শিশু ভাল আছে। পরে ২ / ৩ ঘন্টা থেকে তারা আবার চলে আসেন নাজমুন নাহার ক্লিনিকে। দ্বিতীয় ছেলে সন্তানের কথা বললে ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ তাদেরকে হুমকি দিয়ে বলে একটি বাচ্চা হয়েছে। সেখানে ৫দিন  অবস্থান করে এবং তাঁর দ্বিতীয় সন্তানটিকে দেয়ার অনুরোধ করে। কিন্তু খুটির জোড় নেই গরীব, অসহায় এই পরিবারের। তাই অনেক আকুতি মিনতির পরও যখন কোন উপায় হলনা  তখন সাড়ে ৮ হাজার টাকা ক্লিনিক ভাড়া দিয়ে বাড়িতে চলে যান। শারমিন আক্তার বলছেন, ছেলে সন্তানটিকে ক্লিনিকের লোকজন বিক্রি করে দিয়েছে। আমি আমার সন্তাকে ফিরে চাই। আজও সদ্য প্রস্ফুটিত ছেলে সন্তান ফিরে পাওয়ার আকুতি সেই প্রসূতি মায়ের।

স্বজন ও পাড়া প্রতিবেশি বলছেন , এর আগেও এই ক্লিনিকের উপর বাচ্চা বিক্রি ও অন্যান্য অভিযোগ রয়েছে।
স্বজনদের দাবি হতদরিদ্র এই পরিবারটির মাঝে ফেরত দেওয়া হোক ছেলে সন্তানটি। চায় স্থানীয় প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ।

তবে এবিষয়ে ক্লিনিক কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলতে গেলে তারা কথা বলতে রাজি হননি।
রংপুরে এরকম দালাল চক্রের খপ্পরে পড়ে সর্বশান্ত হচ্ছে অনেক হতদরিদ্র সহজ সরল পরিবারের মানুষজন। চক্ষুলজ্জার অন্তরালে থাকা এসব ঘটনার যেনো আর পূর্ণাবৃত্তি না ঘটে  সেদিকে প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপের দাবি পীরগাছা তাম্বুলপুরবাসীর।

Share Button

     এ জাতীয় আরো খবর