এ. এস. এম রিজোয়ান নোয়াখালী থেকেঃ
নোয়াখালী জেলার সোনাইমুড়ীর পাঁচ বাড়িয়ায় প্রতিষ্ঠিত রুবিরহাট বঙ্গবন্ধু উচ্চ বিদ্যালয় জাতীয় করনে বাধা কোথায় ? সাবেক গন পরিষদ সদস্য জাতির জনকের একান্ত সহচর মরহুম রফিক উল্যাহ মাষ্টার ১৯৭০ সালে বিদ্যালয়টি প্রতিষ্টা করেন দেড় একর ভূমির উপর। বর্তমানে স্কুলটির ২ একর ভূমি রয়েছে।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতি বিজড়িত স্বাধীনতার পূর্বে প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে অত্র এলাকার শিক্ষা বিস্তারে এই প্রতিষ্ঠান অগ্রণী ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। ১৯৭১ সালে বিদ্যালয়টি স্বীকৃতি লাভ করে ।
এলাকাবাসী ও শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন সময়ে সরকারী করনের দাবী করে আসছে। সর্বশেষ ২০১৫ সালের ১৮ অক্টোবর জাতীয় সংসদের মাননীয় স্পীকার শিরিন শারমীন চৌধুরীর সুপারিশ ক্রমে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সচিব এর নিকট জাতীয় করনের দাবীতে জোরালো আবেদন করা হয়েছিলো। সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে সরকার দেশের বিভিন্ন স্থানে প্রতিষ্ঠিত বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের সদস্যদের নামে গড়ে ওঠা সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে জাতীয় করন কাজে হাত দিয়েছেন। ১৬ জানুয়ারী বৃহস্পতিবার শিক্ষামন্ত্রণনালয়কে এই বিষয়ে পরবর্তী প্রদক্ষেপ নিতে নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে। কিন্তু পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদনে ২৮ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নামের সাথে দেশে প্রথম প্রতিষ্ঠিত রুবিরহাট বঙ্গবন্ধু উচ্চ বিদ্যালয়ের নামটি দেখা যায়নি। এতে করে অত্রএলাকার শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে।
১৪ জানুয়ারী প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় পরিচালক-২ মোঃ রফিকুল আলম স্বাক্ষরীত পত্রে বলা হয় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু মেমোরিয়াল ট্রাস্টে অনুমোদিত প্রতিষ্ঠান গুলি জাতীয় করনের আওতায় আসবে। বাকী গুলোর কথা কিছুই বলা হয়নি। এতে করে নোয়াখালী জেলায় মানুষের মাঝে বিভিন্ন প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। এ জেলায় বেগমগঞ্জে গাবুয়া বঙ্গবন্ধু আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় নামে ও আরেকটি স্কুল রয়েছে। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমানের নামে প্রথম প্রতিষ্ঠিত স্কুলটি জাতীয় করন থেকে বাদ পড়লে স্বাধীনতার স্থপতি বঙ্গবন্ধুর আত্মার সাথে স্বদাচারন করা হয়নি বলে বিজ্ঞ মহল মনে করেন।
তাই শিক্ষা বান্ধব সরকারের জননন্দিত নেত্রী আধুনিক বাংলাদেশ গড়ার রূপকার প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার নিকট এই বিষয়টি পূন-বিবেচনা ক্রমে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা পাওয়ার অপেক্ষায় নোয়াখালী বাসী। অত্র বিদ্যালয়ে পড়াশুনা শেষে উচ্চ শিক্ষা লাভের পর প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে দক্ষতার সাথে দ্বায়ীত্ব পালন করছেন প্রেস শাখায় মোঃ আব্দুল ওয়াদুদ। রুবিরহাট বঙ্গবন্ধু উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের দায়ীত্ব পালন করছেন বেচু লাল কর্মকার, গভর্নিং কমিটি সভাপতির দায়ীত্ব পালন করছেন প্রতিষ্ঠাতার সুযোগ্য সন্তান ইমদালুল হক চৌধুরী। সোনাইমুড়ী হেড কোয়াটার থেকে বিদ্যালয়টির দুরত্ব প্রায় ১০/১২ কিলোমিটার উত্তরে অত্র বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা মরহুম রফিক উল্যা মাষ্টার বেগমগঞ্জ উপজেলায় প্রথম চেয়ারম্যান হিসেবে দক্ষতার সাথে দায়ীত্ব পালন করেছেন। এই বিষয়ে প্রতিষ্ঠানটি জাতীয় করনের আওতায় আনা খুবই জরুরী মনে করছেন নোয়াখালী আঞ্চলীক প্রেস ক্লাবের সাংবাদিক বৃন্দ।
প্রাইভেট ডিটেকটিভ/০২ ফেব্রুয়ারী ২০২০/ইকবাল