March 24, 2026, 8:36 am

সংবাদ শিরোনাম
রাস্তায় ‘মরণফাঁদ’—রংপুরের প্রাণকেন্দ্র সাতমাথা সড়কের দায় কার? ঈদ যাত্রায় জনভোগান্তি নিরসনে সেনাবাহিনীর বিশেষ অভিযান শ্রম পরিদর্শন: লাইসেন্সে অস্বচ্ছতা, বোনাসে নীরবতা রসিক-এর পূর্ণকালীন প্রশাসক হলেন-আইনজীবী মাহফুজ-উন-নবী চৌধুরী আলুর লাভজনক দাম নিশ্চিত করা এবং সার নিয়ে দুর্নীতি, কালোবাজারী বন্ধ করে ভর্তুকি মূল্যে কৃষকের সার পাওয়ার নিশ্চয়তার দাবিতে রংপুরে কৃষক সংগঠনের বিক্ষোভ শ্রম পরিদর্শন না প্রহসন? বদর দিবস উপলক্ষে গঙ্গাচড়ায় আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে রংপুর জেলার নব-নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের পরিচিতি সভা শ্রম পরিদর্শন না প্রহসন? ঈদের আগে হোটেল শ্রমিকদের বোনাস সংকটের ভেতরের গল্প একটি প্রজ্ঞাপন, বহু প্রত্যাশা: ঈদ বোনাসের অন্তরালের গল্প

পাগলের লক্ষণ নয় একা একা কথা বলা

পাগলের লক্ষণ নয় একা একা কথা বলা

ডিটেকটিভ নিউজ ডেস্ক

অফিসে যাওয়ার পথে লিফটে একা একাই বলে ফেললেন ‘আজ অফিসে দেরী হয়ে গেল।’ অথবা মার্কেটের ওয়াশরুমে গিয়ে আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজে দেখে নিজেই বললেন, ‘জামাটায় ভালো লাগছে দেখতে।’ আপনার এমন আচরণে পাশের ব্যক্তিটি হয়তো আপনাকে পাগল ভেবে বসতে পারে। কিন্তু গবেষকরা বলছেন অন্য কথা।

গবেষকদের মতে, একা একা কথা বলার আছে বেশ কিছু ইতিবাচক দিক। ক্লিনিকাল সোশ্যাল ওয়ার্কার, সাইকোথেরাপিস্ট এবং ‘ফাইন্ডিং ইউর রুবি স্লিপার্স: ট্রান্সফরমেটিভ লাইফ লেসনস ফ্রম দ্য থেরাপিস্ট কোচ’ বইয়ের লেখক লিসা ফেরেন্টজ এর মতে বর্তমান এবং ভবিষ্যতকে আরও ভালভাবে জয় করে নিতে একা একা কথা বলার জুড়ি নেই। মনের ভেতরের কথা বেখেয়ালে বলে ফেলার অভ্যাস এর মাধ্যমে নিজের সম্পর্কে ইতিবাচক ধারণা তৈরি হয় যা সারাদিনের আত্মবিশ্বাসের যোগান দেয়।

লিসা ফেরেন্টজ বলেন, নিজের সঙ্গে নিজে কথা বলার চাইতে গুরুত্বপূর্ণ আর কিছু নেই। কারণ এতে নিজের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করা যায় এবং নিজের মানসিক অবস্থা বোঝা যায়। বিশেষ করে সারাদিন যদি নিজের অনেক দোষ শুনতে হয় এবং খারাপ ব্যবহারের শিকার হতে হয়, তাহলে নিজের সঙ্গে কথা বলে মনটা হালকা করা যায় সহজেই। তাই মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য একা একা কথা বলার অভ্যাসটা খুবই ভালো। এই অভ্যাসে মানসিক শক্তি বাড়ে।

ইউনিভার্সিটি অব লেথব্রিজ এর একটি গবেষণাতেও একই তথ্য পাওয়া গিয়েছিল। শিক্ষার্থীদের উপর একা একা কথা বলার প্রভাব লক্ষ্য করে দেখা গিয়েছিল নিজের সঙ্গে নিজের নেতিবাচক এবং ইতিবাচক কথা বলার প্রভাব ব্যক্তির আচরণ, মনোভাব এবং দৃষ্টিভঙ্গির উপরে পড়ে।

তাই এরপর যখন নিজের সঙ্গে কথা বলতে ইচ্ছে হবে, বলে ফেলুন। নিজেকে পাগল ভাবার কোনো কারণ নেই। আপনি সম্পূর্ণ সুস্থ। তবে রাস্তাঘাটে হঠাৎ একা একা জোরে কথা বলে উঠলে অপ্রস্তুত অবস্থায় পড়তে হতে পারে, এই বিষয়টিও মাথায় রাখুন। রিডার্স ডাইজেস্ট

Share Button

     এ জাতীয় আরো খবর