কমলগঞ্জে ব্রি-৪৯ জাতের বাম্পার ফলন ॥ কৃষকের মুখে হাসির ঝলক
মশাহিদ আহমদ, মৌলভীবাজার

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলায় ব্রি-৪৯ জাতের ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলা করে কৃষকরা এ সফলতা অর্জন করেন। এতে কৃষকের মুখে হাসির ঝলক দেখা যাচ্ছে। গোপালনগর গ্রামের সফল কৃষক ও সংবাদকর্মী সুব্রত দেবরায় সঞ্জয় এর ব্রি-৪৯ জাতের প্রদর্শনী ক্ষেতে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে শস্য কর্তন করেন কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাহমুদুল হক। এ সময় উপস্থিত ছিলেন- কমলগঞ্জ পৌরসভার মেয়র মো. জুয়েল আহমদ, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. শামসুদ্দীন আহমদসহ কৃষি বিভাগের মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তা ও সাংবাদিকবৃন্দ। কৃষক ও সংবাদকর্মী সুব্রত দেবরায় সঞ্জয় বলেন, এ বছর তিন বিঘা জমিতে ব্রি-৪৯ জাতের ধান চাষাবাদ করেন। নিজের পরিচর্চা ও সময়মতো সার, কীটনাশক প্রয়োগ করার ফলে বাম্পার ফলন হয়েছে। তিনি আরও বলেন, বন্যা ও প্রাকৃতিক দুর্যোগে এবছর আমন ক্ষেতে বিভিন্ন স্থানে কৃষকরা ক্ষতিগ্রস্ত হলেও উঁচু স্থান ও বন্যামুক্ত এলাকা থাকায় ফসলি মাঠে কোন সমস্যা দেখা দেয়নি। উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, এ বছর কমলগঞ্জ উপজেলায় ৩ হাজার ৫শ’ হেক্টর জমিতে ব্রি-৪৯ জাতের ধান চাষাবাদ করা হয়। ফলে ধানক্ষেত্রের বাম্পার ফলন হয়েছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলা করে কৃষকরা ক্ষেতে বাম্পার ফলন দেখিয়েছেন। হেক্টর প্রতি ফলন ৪ দশমিক ৫৬ মে.টন হবে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. শামসুদ্দীন আহমদ বলেন-, কৃষি বিভাগের সার্বিক সহযোগিতা ও পরামর্শের ভিত্তিতে ব্রি-৪৯ জাতের বাম্পার ফলন হয়েছে। উপজেলার সবকটি স্থানেই এভাবে ধানের বাম্পার ফলন দেখা গেছে। কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাহমুদুল হক বলেন- এভাবে প্রত্যেককে কৃষি উৎপাদনে ভূমিকা রাখা উচিত। তাছাড়া খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হতে অনাবাদি সকল জমিতেও চাষাবাদ করার জন্য কৃষকদের উৎসাহ প্রদান করা হচ্ছে।