March 24, 2026, 3:49 pm

সংবাদ শিরোনাম
রাস্তায় ‘মরণফাঁদ’—রংপুরের প্রাণকেন্দ্র সাতমাথা সড়কের দায় কার? ঈদ যাত্রায় জনভোগান্তি নিরসনে সেনাবাহিনীর বিশেষ অভিযান শ্রম পরিদর্শন: লাইসেন্সে অস্বচ্ছতা, বোনাসে নীরবতা রসিক-এর পূর্ণকালীন প্রশাসক হলেন-আইনজীবী মাহফুজ-উন-নবী চৌধুরী আলুর লাভজনক দাম নিশ্চিত করা এবং সার নিয়ে দুর্নীতি, কালোবাজারী বন্ধ করে ভর্তুকি মূল্যে কৃষকের সার পাওয়ার নিশ্চয়তার দাবিতে রংপুরে কৃষক সংগঠনের বিক্ষোভ শ্রম পরিদর্শন না প্রহসন? বদর দিবস উপলক্ষে গঙ্গাচড়ায় আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে রংপুর জেলার নব-নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের পরিচিতি সভা শ্রম পরিদর্শন না প্রহসন? ঈদের আগে হোটেল শ্রমিকদের বোনাস সংকটের ভেতরের গল্প একটি প্রজ্ঞাপন, বহু প্রত্যাশা: ঈদ বোনাসের অন্তরালের গল্প

হাসপাতালে ‘নেওয়ার আগেই’ জাতীয় ফুটবলার সাবিনার মৃত্যু

হাসপাতালে নেওয়ার আগেইজাতীয় ফুটবলার সাবিনার মৃত্যু

ডিটেকটিভ নিউজ ডেস্ক

বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৫ জাতীয় ফুটবল দলের সদস্য সাবিনা খাতুন মারা গেছে। আজ মঙ্গলবার বেলা সোয়া ৩টার দিকে মারা যায় এই কিশোরী ফুটবলার।

২০১৩ সালে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব গোল্ডকাপ ফুটবল প্রতিযোগিতায় প্রথম অংশ নিয়েছিল সাবিনা। এরপর বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৪ দলের প্রাথমিক ক্যাম্পে প্রথম ডাক পায় সে। ২০১৫ সালে এএফসি অনূর্ধ্ব-১৪ বালিকা আঞ্চলিক চ্যাম্পিয়নশিপ টুর্নামেন্টে অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হওয়া বাংলাদেশের জাতীয় দলের হয়ে খেলা কিশোরী ফুটবলারদের মধ্যে সাবিনা খাতুনও ছিল।

ধোবাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক খাদেমুল ইসলাম জানান, পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন দুদিন ধরে জ্বরে ভুগছিল সাবিনা। আজ সোয়া ৩টার সময় তাকে হাসপাতালে আনা হয়।  তবে পরীক্ষা করে দেখা যায় সাবিনা হাসপাতালে আসার আগেই মারা গেছে।

সাবিনার মরদেহ তার প্রতিষ্ঠান কলসিন্দুর স্কুল মাঠে আনা হলে হাজার হাজার মানুষ, ছাত্র-ছাত্রী, তার সহযোগী ফুটবল-কন্যারা কান্নায় ভেঙে পড়ে। তার এই হঠাৎ মৃত্যু কেউ মেনে নিতে পারছে না।

সাবিনা ধোবাউড়া উপজেলার কলসিন্দুরের রানিপুর গ্রামে তার মায়ের সঙ্গে বসবাস করত। তার বাবা সেলিম মিয়া আগেই মারা গেছেন।

কলসিন্দুর স্কুল অ্যান্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মালা রানী সরকার জানান, দুদিন ধরে জ্বরে ভুগলেও চিকিৎসকের কাছে নেওয়া হয়নি সাবিনাকে। তিনি বলেন, সাবিনার মা হয়তো স্থানীয় কোনো ওষুধের দোকান থেকে জ্বরের ওষুধ কিনে খাইয়ে থাকতে পারেন। পরিবারটি অনেক দরিদ্র বলেও জানান এই শিক্ষিকা।

Share Button

     এ জাতীয় আরো খবর