ঢাকার সরকারি স্কুলগুলোতে আবেদন গ্রহণ শুরু হবে ১ ডিসেম্বর থেকে
ডিটেকটিভ নিউজ ডেস্ক

নতুন শিক্ষাবর্ষ শুরুর আগে ছাত্র–ছাত্রীর ভর্তি প্রক্রিয়া শুরু হতে যাচ্ছে রাজধানীর সরকারি–বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে। সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোতে ভর্তি প্রক্রিয়ার দিনক্ষণ ঠিক হয়েছে। শিগগির জানা যাবে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তির খবরও। ঢাকার সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোতে আগামি ১ থেকে ১৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত অনলাইনে আবেদনপত্র গ্রহণ করা হবে। বিষয়টি নিশ্চিত করে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের পরিচালক (মাধ্যমিক) আবদুল মান্নান বলেন, বেসরকারি স্কুলগুলোর জন্য শিগগিরই সভা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। রাজধানীর ৩৫টি সরকারি স্কুলে আগামি ১৯, ২০ ও ২১ ডিসেম্বর ভর্তি পরীক্ষা শেষে ৩০ ডিসেম্বর ফল প্রকাশ করা হবে বলে জানান তিনি। মান্নান আরও বলেন, ভর্তির জন্য স্কুলগুলো তারিখ নির্ধারণ করবে। গত ১৬ নভেম্বর সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোর জন্য ২০১৮ শিক্ষাবর্ষে ভর্তির নীতিমালা প্রকাশ করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এবারও লটারির মাধ্যমে প্রথম শ্রেণিতে শিক্ষার্থী ভর্তি করানো হবে। দ্বিতীয় থেকে অষ্টম শ্রেণির শূন্য আসনে লিখিত পরীক্ষার মাধ্যমে মেধাক্রম অনুসারে ভর্তির জন্য শিক্ষার্থী বাছাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। ঢাকা মহানগরীর স্কুল পার্শ্ববর্তী শিক্ষার্থীদের জন্য ৪০ শতাংশ এলাকা কোটা সংরক্ষণ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অবশিষ্ট ৬০ শতাংশ আসন সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে। নীতিমালায় ২০১৮ শিক্ষাবর্ষে সকল মহানগরী, বিভাগীয় শহর ও জেলা সদরের সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অনলাইনে ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে বলা হয়েছে। উপজেলা সদরেও কেন্দ্রীয় অনলাইন পদ্ধতিতে ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করা বাধ্যতামূলক। তবে নিয়ন্ত্রণ বর্হিভূত কোনো কারণে অনলাইনে করা না গেলে কেবল উপজেলার ক্ষেত্রে ম্যানুয়ালি আবেদন করা যাবে। এবার ষষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তির ক্ষেত্রে মোট আসনের ১০ শতাংশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণি উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে। এছাড়া মুক্তিযোদ্ধার সন্তান বা সন্তানদের ছেলে–মেয়ের জন্য ৫ শতাংশ, প্রতিবন্ধীদের জন্য ২ শতাংশ, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে কর্মরত কর্মকর্তা–কর্মচারীদের সন্তানদের জন্য আরও ২ শতাংশ কোটা সংরক্ষণ করতে হবে। এবার ভর্তির আবেদন ফরমের মূল্য ধরা হয়েছে ১৭০ টাকা। ভর্তি পরীক্ষায় দ্বিতীয়–তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত পূর্ণমান–৫০। এরমধ্যে বাংলা–১৫, ইংরেজি–১৫, গণিত–২০ নম্বর। ভর্তি পরীক্ষার সময় ১ ঘণ্টা। আর চতুর্থ থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের ভর্তির পূর্ণমাণ–১০০। এর মধ্যে বাংলা–৩০, ইংরেজি–৩০, গণিত–৪০ এবং ভর্তি পরীক্ষার সময় ২ ঘণ্টা। এদিকে সন্তানদের ভালো স্কুলে ভর্তির জন্য এরইমধ্যে দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছেন অভিভাবকেরা। তারা খুঁজছেন পছন্দের স্কুল। এ ক্ষেত্রে নিজ নিজ এলাকার ভালোমানের স্কুলগুলোকে প্রাধ্যান্য দিচ্ছেন মা–বাবারা।