April 14, 2026, 12:22 am

সংবাদ শিরোনাম
অধিকার না ব্যবসা? ট্রেড ইউনিয়ন নিবন্ধনের অন্ধকার অর্থনীতি রেস্টুরেন্ট, ভবন, আর অদৃশ্য টাকা: এক কর্মকর্তার সম্পদের নীরব বিস্তার জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশ্ন: রংপুরে ১১ দলের বিক্ষোভ দিনাজপুর বধির ইনস্টিটিউটে শিক্ষার্থীদের মাঝে উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে দিতে নতুন পোশাক বিতরণ সাড়ে চার কোটি বিনিয়োগ নথি ঠিক, অদৃশ্য উৎস–আয়ের শেষ গন্তব্য কোথায়? রংপুরে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ আত্মীয়ের বাসা থেকে সাড়ে চার কোটির ছায়া: নথি ঠিক, উৎস অদৃশ্য নিজের অপরাধ আড়াল করতে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ মেইন রাস্তার ধুলো নয়, নীরব বিষ: রংপুরে তামাক ক্রাসিংয়ের অবৈধ বিস্তার রংপুরে হামের ছায়া: সংখ্যা নয়, গল্পগুলোই বলছে আসল কথা

খেলাধুলার মধ্য দিয়ে জঙ্গি-মাদক নির্মূল করে দেশ এগোবে যুব গেমসের উদ্বোধনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

মোৃঃ ইকবাল হাসান সরকারঃ

mostbet

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, খেলাধুলার মধ্য দিয়েই জঙ্গিবাদ-সন্ত্রাস ও মাদক নির্মূল করে বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে। গতকাল সন্ধ্যায় বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে দেশের প্রথমবারের মতো আয়োজিত ‘যুব গেমস’ প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ যেমন অর্থনৈতিকভাবে, সামাজিকভাবে এগিয়ে যাচ্ছে, সেরকম খেলাধুলাতেও এগিয়ে যাবে, সেটাই আমরা চাই। ক্রিকেটে আমাদের ছেলেরা কোয়ার্টার ফাইনাল খেলে। আমরা বিশ্বাস করি, একদিন বিশ্বকাপ জয় করব। তিনি বলেন, মেয়েরাও পিছিয়ে নেই। ফুটবলে নারীরা ২০১৭ সালে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। খেলাধুলার জন্য আমরা প্রত্যেকটা উপজেলায় একটি করে মিনি স্টেডিয়াম তৈরি করে দেব। খেলাধুলার মধ্য দিয়ে জঙ্গিবাদ-সন্ত্রাসবাদ যেমন মোকাবিলা করব, মাদকাসক্তি থেকেও দেশ ও যুবসমাজকে রক্ষা করব। আজকের যুবকরাই হবে আগামীতে রাষ্ট্র পরিচালনার কর্ণধার। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, খেলাধুলা যুব সমাজকে মানবিক ও দেশপ্রেমিক হিসেবে গড়ে উঠতে সহায়তা করে। জীবনকে উন্নত সমৃদ্ধ করে গড়ে তুলতে মনোবল চাঙ্গা করে। প্রথমবারের মতো যুব গেমসের প্রতিযোগিতার জন্য আয়োজকদের ধন্যবাদ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকে শুধু দেশেই নয়, এই প্রতিযোগিতার মধ্য দিয়ে বিশ্ব পর্যায়ে বা বিশ্ব অলিম্পিকে যোগদান করার সুযোগ সৃষ্টি হলো। তিনি বলেন, আমরা যখই ক্ষমতায় এসেছি, তখনই যুবকদের সুন্দর চরিত্র গঠনের জন্য খেলাধুলার ব্যাপক সুযোগ করে দিচ্ছি। এজন্য স্টেডিয়াম নির্মাণ করেছি। আমাদের ক্রীড়াবিদরা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে কৃতিত্ব রাখছেন। ক্রিকেট, ফুটবলে আমাদের ছেলে-মেয়েরা পিছিয়ে নেই। খেলাধুলায় নিজের পরিবারের অবদান তুলে ধরে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা বলেন, খেলাধুলা চর্চা আমাদের পারিবারিকভাবেই। আমার পরিবার ছিল খেলা-অনুরাগী। আমার দাদা ফুটবল খেলতেন। আবার আব্বাও ছোটবেলায় ফুটবল খেলতেন। আমার আব্বা ও আমার দাদার দুই টিম মাঠে প্রতিযোগিতা করতেন, যা বঙ্গবন্ধু তার আত্মজীবনীতে লিখে গেছেন। শেখ হাসিনা বলেন, আমার ভাই মুক্তিযোদ্ধা শেখ কামাল, লে. শেখ জামাল খেলাধুলায় অংশ নিতেন এবং খেলা-অনুরাগী ছিলেন। আবাহনী শেখ কামালেরই সৃষ্টি। কামালের স্ত্রী সুলতানা কামালও ছিলেন খেলাধুলায় পারদর্শী। আমরা চাই ক্রীড়া প্রতিযোগিতা আরও ভালোভাবে হোক। সরকারপ্রধান বলেন, জাতির পিতা যুবকদের উদ্দেশে সব সময় একটা কথাই বলতেন, ‘মুখে হাসি বুকে বল, তেজে ভরা মন, মানুষ হইতে হবে, মানুষ যখন’ এটাই হলো যুবকদের জন্য আসল কথা। সব সময় সাহস থাকতে হবে। মনে রাখতে হবে, আমরা বাংলাদেশের নাগরিক। মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বিজয়ী জাতি। আমরা মাথা নিচু করে চলব না। সব সময় মাথা উঁচু করেই চলব। অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বক্তৃতা করেন।

 

 

প্রাইভেট ডিটেকটিভ/১১মার্চ২০১৮/ইকবাল

Share Button

     এ জাতীয় আরো খবর