April 16, 2026, 6:55 am

সংবাদ শিরোনাম
অধিকার না ব্যবসা? ট্রেড ইউনিয়ন নিবন্ধনের অন্ধকার অর্থনীতি রেস্টুরেন্ট, ভবন, আর অদৃশ্য টাকা: এক কর্মকর্তার সম্পদের নীরব বিস্তার জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশ্ন: রংপুরে ১১ দলের বিক্ষোভ দিনাজপুর বধির ইনস্টিটিউটে শিক্ষার্থীদের মাঝে উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে দিতে নতুন পোশাক বিতরণ সাড়ে চার কোটি বিনিয়োগ নথি ঠিক, অদৃশ্য উৎস–আয়ের শেষ গন্তব্য কোথায়? রংপুরে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ আত্মীয়ের বাসা থেকে সাড়ে চার কোটির ছায়া: নথি ঠিক, উৎস অদৃশ্য নিজের অপরাধ আড়াল করতে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ মেইন রাস্তার ধুলো নয়, নীরব বিষ: রংপুরে তামাক ক্রাসিংয়ের অবৈধ বিস্তার রংপুরে হামের ছায়া: সংখ্যা নয়, গল্পগুলোই বলছে আসল কথা

সাড়ে চার কোটির ছায়া: নথি ঠিক, উৎস অদৃশ্য


লোকমান ফারুক, রংপুর
৮ এপ্রিল ২০২৬
রংপুরের সমবায় মার্কেটের সেই রেস্টুরেন্টিতে এখন জমজমাট ব্যবসা। কিন্তু হিসাবের খাতায় জমে আছে একটি প্রশ্ন–সাড়ে চার কোটি টাকার উৎস কোথায়?
নথি বলছে, তিন কোটি টাকার বরাদ্দে দোকানটি পেয়েছেন মারুফা আক্তার, তিনি কাস্টমস ডেপুটি কমিশনার আল আমিন-এর স্ত্রী। অর্থ জমা দিয়েছেন কমিশনারের শ্বশুর মাহবুবুর রহমান। কাগজে কোনো ত্রুটি নেই। কিন্তু বাস্তবতায় মিলছে না হিসাব।

mostbet

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, মাহবুবুর রহমানের পরিচিত আয়-উৎস ছিল সীমিত। এই বিপুল বিনিয়োগের পক্ষে কোনো ট্যাক্স রিটার্ন, ব্যাংক স্টেটমেন্ট বা বৈধ আয়ের প্রমাণও পাওয়া যায়নি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষও এ বিষয়ে নীরব। এরই মধ্যে অনুসন্ধানে উঠে আসছে নতুন তথ্য –কাস্টমস কর্মকর্তা আল আমিনের স্ত্রীর ঘনিষ্ঠদের ও মাহবুবুর রহমানের ছেলে, জামাতা এবং অন্যান্যের নামে একের পর এক সম্পদের খোঁজ মিলছে। আরও রেস্টুরেন্ট, ব্যবসা ও জমিতে বিনিয়োগ–যার পরিমাণ তার পরিচিত আয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় বলে বলছেন সংশ্লিষ্টরা।
প্রশ্নটা তাই আরও স্পষ্ট হচ্ছে–এই অর্থ কি সত্যিই মাহবুবুর রহমানের?নাকি তিনি কেবল একটি আড়াল?
ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পরও কোনো বিভাগীয় তদন্ত শুরু হয়নি। সমবায় কর্তৃপক্ষও উৎস যাচাইয়ে উদ্যোগী হয়নি।
একদিকে চলমান ব্যবসা। অন্যদিকে– অজানা উৎসের অর্থ। এই দুইয়ের মাঝখানে দাঁড়িয়ে এখন একটাই প্রশ্ন–টাকাটা আসলে কার?

Share Button

     এ জাতীয় আরো খবর