April 13, 2026, 6:49 pm

সংবাদ শিরোনাম
রেস্টুরেন্ট, ভবন, আর অদৃশ্য টাকা: এক কর্মকর্তার সম্পদের নীরব বিস্তার জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশ্ন: রংপুরে ১১ দলের বিক্ষোভ দিনাজপুর বধির ইনস্টিটিউটে শিক্ষার্থীদের মাঝে উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে দিতে নতুন পোশাক বিতরণ সাড়ে চার কোটি বিনিয়োগ নথি ঠিক, অদৃশ্য উৎস–আয়ের শেষ গন্তব্য কোথায়? রংপুরে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ আত্মীয়ের বাসা থেকে সাড়ে চার কোটির ছায়া: নথি ঠিক, উৎস অদৃশ্য নিজের অপরাধ আড়াল করতে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ মেইন রাস্তার ধুলো নয়, নীরব বিষ: রংপুরে তামাক ক্রাসিংয়ের অবৈধ বিস্তার রংপুরে হামের ছায়া: সংখ্যা নয়, গল্পগুলোই বলছে আসল কথা দিনাজপুরে আশ্রম ও এতিমখানায় ৩ কোটি ৬২ লক্ষ ৮৮ হাজার টাকার চেক বিতরণ

আফগানিস্তানের নিয়ন্ত্রণ কার হাতে?

আন্তর্জাতিক  ডেস্কঃঃ

mostbet

আফগানিস্তানের উত্তরাঞ্চলীয় প্রদেশ জাওজানে একটি কারাগার দখল করার পর সব বন্দীকে মুক্ত করে দিয়েছে বলে জানিয়েছে তালেবান। সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যায়, শেবারগান শহরে শনিবার তালেবান বিদ্রোহীরা এক আক্রমণ চালানোর পর ওই কারাগারটি থেকে শত শত বন্দী বেরিয়ে আসছে।

তালেবান ইতোমধ্যেই এ শহরটির নিয়ন্ত্রণ দখল করে নিয়েছে। এটি হচ্ছে গত কিছুদিনে তাদের দখলে চলে যাওয়া দ্বিতীয় শহর।

শুক্রবার তীব্র যুদ্ধের পর তালেবান এই শহরটির সরকারি ভবনগুলোর নিয়ন্ত্রণ দখল করে। তবে এ অঞ্চলের একজন কাউন্সিল প্রধান বাবুর এশচি বিবিসিকে বলেছেন, তালেবান এখন পুরো শহরটিরই নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নিয়েছে , শুধু সেনাবাহিনীর একটি ঘাঁটি ছাড়া। তবে সেখানেও এখন যুদ্ধ চলছে। সারা আফগানিস্তানে বিভিন্ন অংশে যখন যুদ্ধ চলছে, তখন নিরাপত্তা বাহিনীর জন্য এটি আরেকটি বড় আঘাত।

সম্প্রতি মার্কিন সৈন্যরা আফগানিস্তান ত্যাগ করার পর থেকেই দেশটির বিভিন্ন অংশে তীব্র যুদ্ধ চালিয়ে তালেবান দ্রুতগতিতে একের পর এক এলাকা দখল করে নিচ্ছে।

শুক্রবার তারা নিমরোজ প্রদেশের রাজধানী যারাঞ্জ শহর দখল করে, যা তালেবানের হাতে চলে যাওয়া প্রথম প্রদেশিক রাজধানী। এছাড়া পশ্চিমাঞ্চলীয় হেরাত, দক্ষিণাঞ্চলীয় লস্কর গাহ এবং কান্দাহারের আরো কিছু শহরের ওপরও চাপ সৃষ্টি করেছে তালেবান যোদ্ধারা।

শেবারগান শহরটি হচ্ছে সাবেক আফগান ভাইস প্রেসিডেন্ট আবদুর রশিদ দোস্তামের একটি শক্ত ঘাঁটি। তালেবানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নেতৃত্ব দিচ্ছে তার অনুগত সমর্থকরা।

আফগানিস্তানে গত দুই মাসে তালেবান গোষ্ঠী যত এলাকার দখল নিয়েছে, ২০০১ সালে তালেবানকে ক্ষমতাচ্যুত করার পর থেকে কখনওই এত বিশাল এলাকার নিয়ন্ত্রণ তাদের হাতে আসেনি।

গত ২০ বছরে, আফগানিস্তানের কোন অংশ কার দখলে তার মানচিত্র ক্রমাগত বদলেছে। মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের সাথে সাথে সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে তালেবানের হাত কার্যত আরো শক্ত হয়েছে। তারা সরকারি বাহিনীর কাছ থেকে বহু জেলার দখল নিয়ে নিয়েছে।

আমেরিকান সৈন্যরা এবং তাদের নেটো ও আঞ্চলিক জোট বাহিনী ২০০১ সালের নভেম্বর মাসে তালেবানকে ক্ষমতাচ্যুত করেছিল। আমেরিকায় ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বরের হামলার সাথে জড়িত ওসামা বিন লাদেন এবং আল কায়েদার অন্যান্য নেতাদের আশ্রয় দিয়েছিল তালেবান। কিন্তু এলাকায় আন্তর্জাতিক বাহিনীর অব্যাহত উপস্থিতি, আফগান সরকারি বাহিনীর প্রশিক্ষণ ও সহায়তায় শত শত কোটি ডলার অর্থব্যয়ের পরেও তালেবান নিজেদের আবার সুসংহত করেছে এবং প্রত্যন্ত এলাকাগুলোতে ক্রমশ তাদের শক্তি পুনরুদ্ধার করেছে।

তাদের প্রাধান্য মূলত কেন্দ্রীভূত ছিল দেশটির দক্ষিণে এবং দক্ষিণ পশ্চিমে প্রথাগতভাবে তাদের শক্ত ঘাঁটিগুলোর আশপাশের এলাকায়, এবং উত্তরে হেলমান্দ, কান্দাহার, উরুযগান এবং যাবুল প্রদেশে। এছাড়াও উত্তর পশ্চিমাঞ্চলে ফারিয়াব পর্বতমালার দক্ষিণদিকে ও উত্তর পূর্বের বাদাখশান পাহাড়ি এলাকাতেও তাদের প্রাধান্য ছিল বেশি।

//ইয়াসিন//

Share Button

     এ জাতীয় আরো খবর