কুচক্রি মহল ও সম্পদ গ্রাসীদের রোশানলে সাংবাদিক লায়লা ও তার পরিবার
এম.জি. বাবর

টাঙ্গাইল জেলার নাগরপুর উপজেলাধীন সুটইন গ্রামের এক সংবাদকর্মী এবং একজন মানবাধিকার কর্মী গ্রামের এক কুচক্রী ভূমিগ্রাসীর রোশানলে পড়ে স্বর্বঃস হারিয়ে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছি।
জানা যায় দীর্ঘ এক যুগের নাগরপুরের লায়লা আরজুমান আরা ঝুমুর সাংবাদিকতা পেশায় ও মানবাধিকার কর্মী হিসেবে কাজ করে আসছে। এই সংবাদকর্মী শেষ পর্যন্ত নিজের সম্পদ থেকে বঞ্চিত হয়ে দারে দারে ঘুরছে।
জানা যায় পিতার সম্পত্তি গ্রাস করার লক্ষে দীর্ঘদিন ধরে নানা স্বরযন্ত্র করেও ক্ষান্ত হয়নি দফায় দফায় পিতামাতাকে লাঞ্ছিত করে ষড়যন্ত্রের রোষানলে ফেলে ১৯৭১ সালে পিতা ওয়াজউদ্দিন মিয়াকে নির্মমভাবে হত্যা করে। অসহায় হয়ে বিধবা মাতা। কিছুদিন পর বৃদ্ধ মাতার উপর চালায় নানারকম অত্যাচার। অবশেষে সুকৌশলে চিকিৎসার নাম করে জাল জালিয়াতের মাধ্যমে মা রেজিয়া আক্তার থেকে সম্পত্তি রেজিস্ট্রি করে নেয় উক্ত সম্পদ গ্রাসকারীরা।
আমি শিক্ষিত সচেতন নারী হিসেবে আমার পরিবারের সম্পদ লোভী ভাই-বোনদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করলে তারা লায়লার উপর চালায় হামলা-মামলা সহ নানা অপরাধ কর্মকান্ড। তার মুখ বন্ধ করার জন্য নানা হুমকি-দুমকি দিয়ে ব্যর্থ হয়ে তাকে হত্যা করার চেষ্টা চালায়।
এমনকি তার চরিত্র নিয়ে আপনজনরাও অপবাদ চালায়। অপবাদ চালিয়েও ক্ষান্ত হয়নি স্থানীয় কতেক দুশ্চরিত্র ধান্দাবাজ সন্ত্রাসী ব্যক্তিবর্গকে অর্থকরি দিয়ে তার বিরুদ্ধে অপপ্রচারে সমাজপতিদের কান ভারী করে তোলে।
সে এসব ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে আইনের আশ্রয় নিয়ে অভিযোগ করলে তারা প্রশাসনকে নানা অপ্রীতিকর কথা বলে ক্ষেপিয়ে তোলে। ফলে সে অভিযোগকারী প্রশাসন থেকে ন্যায্য বিচার পাই না।
অপরদিকে লায়লা শিক্ষা জীবন শেষ করে কর্ম জীবনে পাঁ দিয়ে হাঁস-মুরগি পালন সহ অনেক আয়ের পথ বেছে নিয়েছিল। বার বার প্রতিপক্ষের মিথ্যা হয়রানির মামলায় পড়ে তার অর্থকড়ি সবই হারায়। এমনকি সংসার জীবন করে অন্যের ঘরে সুখি হবে ভেবে নিজের অর্থকড়ি দিয়ে স্বর্ণালংকার ব্যবস্থা করে রেখেছিল। একদিন পেশাগত দায়িত্ব পালনে টাঙ্গাইল শহরে আসার পর তার কক্ষের তালা ভেঙ্গে সর্বঃস লুটে নিয়ে যায় সন্ত্রাসীরা। তাদের ষড়যন্ত্রের কারণে আজ লায়লা বিয়ের পিড়িতে বসতে পারেনি।
অন্যায়কারীদের বিরুদ্ধে তার জীবন যুদ্ধের অবস্থা দেখে এলাকাবাসী অনেক সচেতন নাগরিক এগিয়ে আসতে চাইলেও অপরাধী চক্রের ভয়ে কেউ মুখ খুলতে সাহস পায়না। ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে করতে গিয়ে লায়লা বেগম আজ পৌড়ানারী হয়ে সমাজে অবহেলিত মানবেতর জীবন কাটাচ্ছে।
আজও সে পিতার রেখে যাওয়া সম্পত্তির অংশীদারত্ব সে পায় নি এবং দখলেও যেতে পারছে না। এছাড়াও বৃদ্ধ মাতা রেজিয়া আক্তার বড় ভাই হুমায়ন কবির সকলেই মানবাধিকার থেকে বঞ্চিত হয়ে জীবন কাটাচ্ছে।
একটি সূত্র জানায় নিঃসন্তান বড় ভাই হুমায়ন কবিরের সম্পত্তি গ্রাসের লক্ষে কুচক্রী মহল তাকে পাগল সাব্যস্ত করে অপপ্রচার চালিয়ে আসছে। পুরো ঘটনা বিষয়ে বর্ণনা করে সাংবাদিক লায়লা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী সহ প্রসাশনের বিভিন্ন মহলে লিখিত অভিযোগ দায়ের করে। এলাকাবাসী সচেতন মহল মনে সামাজিক কুচক্রীর মহলে চক্রান্তের শিকার আর কত কুমারী ও তাদের পরিবার নিশ্চিন্ন হবে।