সাতবার আউট হতে পারতাম পাঁচ ওভারেই: রুশো
ডিটেকটিভ স্পোর্টস ডেস্ক
অসাধারণ রান তাড়ায় জিতেছে রংপুর রাইডার্স। নিজে ঝড়ো এক ইনিংস খেলে হয়েছেন ম্যাচ সেরা। তবে সৌভাগ্যের ছোঁয়া পেয়েছেন অনেকবার, ম্যাচ শেষে নিজে থেকেই মেনে নিচ্ছেন রাইলি রুশো।
সিলেট সিক্সার্সের ১৯৪ রান তাড়ায় শনিবার রংপুর জিতেছে ৪ উইকেটে। দলকে জয়ের পথে এগিয়ে নিয়েছে রুশোর ৩৫ বলে ৬১ রানের ইনিংস। টুর্নামেন্টে নিজের চতুর্থ ফিফটিতে দক্ষিণ আফ্রিকান ব্যাটসম্যান হয়েছেন ম্যাচ সেরা।
তবে আউট হতে পারতেন তিনি ইনিংসের শুরুর দিকেই। ১ ও ১২ রানে তার ক্যাচ ছেড়েছেন সিলেটের কিপার জাকের আলি। ২০ রানে সহজ ক্যাচ হাতে জমাতে পারেননি নিকোলাস পুরান। মাঝে ১৬ রানে হাতে পারতেন রান আউট। আরও কয়েক বার বিপদে পড়েননি অল্পের জন্য।
৩৪৯ রান করে এখনও পর্যন্ত টুর্নামেন্টে সর্বোচ্চ রান সংগ্রহকারী রুশো ম্যাচ শেষে অকপটে মেনে নিলেন ভাগ্যের অবদান।
“এই মূহুর্তে অনেক কিছুই আমার পক্ষে আসছে। আজকে ইনিংসের শুরুতে ভাগ্যের সহায়তা পেয়েছি আমি। প্রথম পাঁচ ওভারেই মনে হয় সাতবার আউট হতে পারতাম। রান করার মূল ব্যাপারটি হলো পরিস্থিতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে এগিয়ে চলা এবং নিজের ভালো ফর্ম উপভোগ করা। সবকিছু সহজ ও স্বাভাবিক রাখা। নিজের স্কোরিংয়ের জায়গাগুলো বুঝে খেলা।”
রুশো আউট হওয়ার পর রান তাড়ায় পথ বাকি ছিল অনেকটা। ওই ওভারেই আউট হন এবি ডি ভিলিয়ার্স। কিন্তু রংপুরের পরের দিকের ব্যাটসম্যানরা ঠিকই জিতিয়েছেন দলকে। শেষ দুই ওভারে ২৪ রানের সমীকরণের সামনে দাঁড়িয়ে ফরহাদ রেজা করেছেন ৬ বলে অপরাজিত ১৮ রান। রুশো কৃতিত্ব দিলেন সতীর্থদের।
“দারুণ ম্যাচ ছিল, খুবই বিনোদনদায়ী ম্যাচ। প্রথম ইনিংস শেষে মনে হচ্ছিল, ওরা গোটা দশেক রান বেশি করে ফেলেছে। তবে সেই রানও ছেলেরা তাড়া করেছে। দুর্দান্ত দলীয় পারফরম্যান্স এটি। স্নায়ু ধরে রাখার কৃতিত্ব ছেলেদের দিতেই হবে। শেষ দিকে ওরা দারুণ ভাবে কাজ শেষ করেছে।”