নিজস্ব সংবাদদাতাঃ
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের ২০১৬-১৭
সেশনের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী শারমিন আক্তার হাসপাতালের বেডে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছেন। চবির এই মেধাবি শিক্ষার্থীর শরীরে ধরা পড়েছে নিউমোনিয়া (Pneumonia)। বর্তমানে ঢাকার অ্যাপোলো হাসপাতালে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন আছেন তিনি। তার চিকিৎসার জন্য প্রয়োজন ৩০ লাখ টাকা। হাসপাতালের বেডে ফিকে হতে থাকা শারমিনের স্বপ্নগুলোকে আবারো জীবন্ত করে তুলতে পয়োজন আপনার আন্তরিক সহযোগীতা।নিউমোনিয়া এক ধরনের ব্যাকটেরিয়াল ইনফেকশনজনিত রোগ। এই ব্যাকটেরিয়াটি রক্তের মাধ্যমে শরীরের সব অঙ্গে খুব দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। যার ফলস্বরূপ শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ পতঙ্গ বিকল হয়ে পড়ে। ইতোমধ্যে ব্যাকটেরিয়াটি শারমিন এর ফুসফুস এবং যকৃত ফাংশনকে অনেকটাই অকেজো করে দিয়েছে।অবস্থার অবনতি দেখে গত ১১ তারিখ রাতে শারমিনকে চট্টগ্রামের মেট্রোপলিটন হাসপাতালের আইসিইউ থেকে ঢাকার অ্যাপোলো হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয় । তবে সেখানে প্রতিদিন প্রায় ১,২০০০০ (এক লাখ বিশ হাজার) টাকা খরচ। যা শারমিনের নিম্ম মধ্য পরিবারের পক্ষে চালানো প্রায় অসম্ভব। তবে চিকিৎসক জানিয়েছেন এই রোগের চিকিৎসা আইসিইউতে রেখেই করতে হবে। তাই তার সহপাঠী এবং পরিবার তাকে অ্যাপোলো হাসপাতাল থেকে অন্য কোন হাসপাতালের আইসিইউতে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে।পরিবার থেকে জানানো হয়, অ্যাপোলোতে রাখলে তাদের পক্ষে হাসপাতালে খরচ বহন করা অসম্ভব। এমনকি আগামী দুই দিনের বেশি অ্যাপোলোর আইসিইউতে রাখা সম্ভব হবে না । তাছাড়া চিকিৎসকরাও বলছেন দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসার কথা। যার ব্যয়ভার প্রায় ২৫-৩০ লাখ টাকা।তাই শারমিনের পরিবার এবং সহপাঠীরা সকলের কাছে আর্থিক সহযোগিতা এবং দোয়া কামনা করেন। শারমিনকে আবারো সুস্থ করে ক্যাম্পাসে ফিরিয়ে আনতে চান তারা। অর্থের অভাবে বান্ধবীর অকাল মৃত্যু দেখতে চায় না সহপাঠিরা।শারমিন আক্তারের বাড়ি বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ উপজেলায়। পিতা মোঃশামসুজ্জামান এবং মাতাঃরাজিয়া সুলতানা। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘প্রীতিলতা হল’ এ থাকেন।সাহায্য পাঠানোর ঠিকানা Bank A/c : 02000029 10398)
অগ্রণী ব্যাংক , জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয় শাখা।শাহিনুর আলম ( রোগীর বড় ভাই ) রকেট : 01814-075956-6
প্রাইভেট ডিটেকটিভ/১৬ জানুয়ারি ২০১৯/ইকবাল