April 13, 2026, 1:13 am

সংবাদ শিরোনাম
রেস্টুরেন্ট, ভবন, আর অদৃশ্য টাকা: এক কর্মকর্তার সম্পদের নীরব বিস্তার জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশ্ন: রংপুরে ১১ দলের বিক্ষোভ দিনাজপুর বধির ইনস্টিটিউটে শিক্ষার্থীদের মাঝে উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে দিতে নতুন পোশাক বিতরণ সাড়ে চার কোটি বিনিয়োগ নথি ঠিক, অদৃশ্য উৎস–আয়ের শেষ গন্তব্য কোথায়? রংপুরে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ আত্মীয়ের বাসা থেকে সাড়ে চার কোটির ছায়া: নথি ঠিক, উৎস অদৃশ্য নিজের অপরাধ আড়াল করতে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ মেইন রাস্তার ধুলো নয়, নীরব বিষ: রংপুরে তামাক ক্রাসিংয়ের অবৈধ বিস্তার রংপুরে হামের ছায়া: সংখ্যা নয়, গল্পগুলোই বলছে আসল কথা দিনাজপুরে আশ্রম ও এতিমখানায় ৩ কোটি ৬২ লক্ষ ৮৮ হাজার টাকার চেক বিতরণ

জাতীয় ফুটবল দলে অবশেষে জিপিএস

জাতীয় ফুটবল দলে অবশেষে জিপিএস

mostbet

ডিটেকটিভ স্পোর্টস ডেস্ক

ঢাকার ফুটবলে গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম বা জিপিএস ব্যবহার নতুন নয়। গত মৌসুম থেকে আরামবাগ আর এবার সাইফ স্পোর্টিং ক্লাবের ফুটবলাররা অনুশীলন ও ম্যাচের সময় ব্যবহার করছেন জিপিএস। জাতীয় দল এতদিন ফুটবলের এই নতুন প্রযুক্তি থেকে দূরে ছিল। বাংলাদেশের ফুটবলের জন্য সুখবর, দেরিতে হলেও জাতীয় দল পেতে যাচ্ছে জিপিএস প্রযুক্তির সুবিধা।

কয়েক দিন আগে এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন (এএফসি) ৪০টি জিপিএস পাঠিয়েছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) কাছে। জিপিএসগুলো অবশ্য এখনও বাফুফে ভবনে এসে পৌঁছায়নি, পড়ে আছে চট্টগ্রাম বন্দরে। বাফুফের সাধারণ সম্পাদক আবু নাইম সোহাগজানালেন, ‘আমরা শিগগিরই বন্দর থেকে জিপিএসগুলো নিয়ে আসবো।’

গত জুনে জাতীয় দলের দায়িত্ব নেওয়ার পরই বাফুফের কাছে জিপিএস চেয়েছিলেন জেমি ডে। একটু দেরিতে হলেও চাহিদা পূরণ হতে যাচ্ছে, তাই বাংলাদেশের ইংলিশ কোচ খুব খুশি। আধুনিক ফুটবলে জিপিএসের অপরিহার্যতার কথা উল্লেখ করে তিনি বললেন, ‘একজন খেলোয়াড়ের রানিং থেকে শুরু করে ফিটনেসের অবস্থা জানা যাবে এই প্রযুক্তির মাধ্যমে। এটা জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের খুবই কাজে আসবে।’

ঢাকার ফুটবলে জিপিএসের পথিকৃৎ মারুফুল হক। আরামবাগের কোচ জানালেন, ‘গত মৌসুমে আরামবাগ ক্লাবের দায়িত্ব নিয়ে জিপিএস ব্যবহার শুরু করি। গতবার আরামবাগের অনেকেই এটা নিয়মিত ব্যবহার করেছে। এবার তো সবাই ব্যবহার করছে জিপিএস।’

জিপিএস ব্যবহারের উপকারিতা সম্পর্কে মারুফুলের ব্যাখ্যা, ‘এটার উপযোগিতা অনেক। জিপিএস প্রযুক্তি ফুটবলারদের সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা দিতে পারে কোচকে। জিপিএসের মাধ্যমে একজন ফুটবলারের সামর্থ্য এবং একটি নির্দিষ্ট দিনে তার পারফরম্যান্সের প্রতিচ্ছবি ধরা পড়ে। এটা ব্যবহার করলে ফুটবলারদের মধ্যে একটা সুস্থ প্রতিযোগিতা শুরু হয়ে যায়, যার ফলে তাদের খেলা হয় গতিময়। একজন পেশাদার ফুটবলার ম্যাচে ১১/১২ কিলোমিটার দৌড়ালে সেটাকে সন্তোষজনক বলা যায়। জিপিএস ব্যবহার করে সহজেই বোঝা যায় ফুটবলারদের পথ পরিক্রমা।’

গত মৌসুমে আরামবাগের জার্সিতে খেলা জাতীয় দলের ফরোয়ার্ড মাহবুবুর রহমান সুফিলও জিপিএস নিয়ে উচ্ছ্বসিত, ‘এই প্রযুক্তির মাধ্যমে ফুটবলারদের সামর্থ্যরে গাণিতিক হিসেব পাওয়া যায়। গত বছর আরামবাগের ফুটবলারদের মধ্যে আমি সবচেয়ে বেশি দৌড়েছিলাম। জিপিএস ব্যবহার করে কে কতটা দৌড়ালাম তা নিয়ে প্রতিযোগিতায় মেতে উঠতাম আমরা। জাতীয় দলে জিপিএস ব্যবহার শুরু হলে ভালোই হবে।’

Share Button

     এ জাতীয় আরো খবর