April 9, 2026, 11:46 pm

সংবাদ শিরোনাম
সাড়ে চার কোটি বিনিয়োগ নথি ঠিক, অদৃশ্য উৎস–আয়ের শেষ গন্তব্য কোথায়? রংপুরে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ আত্মীয়ের বাসা থেকে সাড়ে চার কোটির ছায়া: নথি ঠিক, উৎস অদৃশ্য নিজের অপরাধ আড়াল করতে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ মেইন রাস্তার ধুলো নয়, নীরব বিষ: রংপুরে তামাক ক্রাসিংয়ের অবৈধ বিস্তার রংপুরে হামের ছায়া: সংখ্যা নয়, গল্পগুলোই বলছে আসল কথা দিনাজপুরে আশ্রম ও এতিমখানায় ৩ কোটি ৬২ লক্ষ ৮৮ হাজার টাকার চেক বিতরণ হাম-আতঙ্কের ভেতর পাঁচ শিশু, রমেকে নীরব লড়াই রংপুরে ”আলোকিতো’র প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত সাড়ে চার কোটির ছায়া: শ্বশুর সামনে, কাস্টমস্ জামাতার সংযোগ

মুমিনুল-ইয়াসিরের সেঞ্চুরির পর নাঈমের ৮ উইকেট

মুমিনুল-ইয়াসিরের সেঞ্চুরির পর নাঈমের ৮ উইকেট

mostbet

ডিটেকটিভ স্পোর্টস ডেস্ক

 

অধিনায়ক মুমিনুল হক ও মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান ইয়াসির আলীর সেঞ্চুরিতে মধ্যাঞ্চলকে বড় লক্ষ্য দিয়েছিল পূর্বাঞ্চল। এরপর ৮ উইকেট নিয়ে প্রতিপক্ষকে গুঁড়িয়ে দিয়ে দলকে তিন দিনেই দারুণ এক জয় এনে দিলেন নাঈম হাসান। বিসিএলের ষষ্ঠ ও শেষ রাউন্ডে ৩২১ রানে জিতেছে পূর্বাঞ্চল। ৪৫৬ রানের লক্ষ্য তাড়ায় মধ্যাঞ্চল গুটিয়ে গেছে ১৩৪ রানে। সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে গতকাল বুধবার বিনা উইকেটে ২ রান নিয়ে তৃতীয় দিনের খেলা শুরু করা পূর্বাঞ্চল শুরুতেই হারায় ইমরুল কায়েসকে। থিতু হয়ে ফিরেন রনি তালুকদার। ১৭৫ রানের জুটিতে দলকে পথ দেখান মুমিনুল ও ইয়াসির। ১০৬ বলে ৯ চার ও এক ছক্কায় ১০০ রান করা মুমিনুলকে ফিরিয়ে জুটি ভাঙেন মোশাররফ হোসেন। খানিক পর সেঞ্চুরি তুলে নেন ইয়াসির। তার সেঞ্চুরির পরপরই ৩ উইকেটে ২৫৪ রানে দ্বিতীয় ইনিংস ঘোষণা করে পূর্বাঞ্চল। ১০৯ বলে ১০ চার ও দুই ছক্কায় ১০১ রানে অপরাজিত থাকেন ইয়াসির। ৪৫৬ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে অফ স্পিনার নাঈমের ঘূর্ণিতে ৪২.২ ওভারে অলআউট হয়ে যায় মধ্যাঞ্চল। দলটির ইনিংসে নেই কোনো পঞ্চাশ ছোঁয়া জুটি। দুই অঙ্ক ছোঁয়া ছয় ব্যাটসম্যানের কেউ যেতে পারেননি চল্লিশ পর্যন্ত। সর্বোচ্চ অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর ৩৬। ৪৭ রানে ৮ উইকেট নেন নাঈম। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে এটাই তার সেরা বোলিং। গত অক্টোবরে এনসিএলে চট্টগ্রামের হয়ে ঢাকার বিপক্ষে ১০৬ রানে ৮ উইকেট ছিল তার আগের সেরা। একটি জায়গায় এখন সবার উপরে এই তরুণ। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে অফ স্পিনারদের মধ্যে বাংলাদেশের সেরা বোলিংয়ের রেকর্ড এখন তার। ২০০৫ সালে বরিশালের বিপক্ষে ৬৭ রানে ৮ উইকেট নেওয়া খুলনার জামাল বাবুকে পেছনে ফেললেন নাঈম। একাই প্রতিপক্ষকে গুঁড়িয়ে দিয়ে জিতলেন ম্যাচ সেরার পুরস্কার।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:

পূর্বাঞ্চল ১ম ইনিংস: ৪২৫

মধ্যাঞ্চল ১ম ইনিংস: ২২৪

পূর্বাঞ্চল ২য় ইনিংস: (আগের দিন শেষে ২/০) ৪৩ ওভারে ২৫৪/৩ ইনিংস ঘোষণা (রনি ২৪, ইমরুল ৮, মুমিনুল ১০০, ইয়াসির ১০১*, জাকির ১৫*; তাসকিন ১/৩৭, আবু হায়দার ০/৩৫, শাহাদাত ১/১৯, মোশাররফ ১/৮৯, মোসাদ্দেক ০/৭০)

মধ্যাঞ্চল ২য় ইনিংস: (লক্ষ্য ৪৫৬) ৪২.২ ওভারে ১৩৪ (সাইফ ৩১, পিনাক ০, শান্ত ৩৬, মজিদ ১১, মার্শাল ১৬, মোসাদ্দেক ৭, জাকের ১৩, মোশাররফ ১১, আবু হায়দার ৪, তাসকিন ২*, শাহাদাত ০; তাইজুল ইসলাম ০/৬৪, নাঈম ৮/৪৭, খালেদ ০/১২, আবু জায়েদ ২/৮)

ফল: ৩২১ রানে জয়ী পূর্বাঞ্চল

ম্যান অব দা ম্যাচ: নাঈম হাসান

Share Button

     এ জাতীয় আরো খবর