April 14, 2026, 12:13 am

সংবাদ শিরোনাম
অধিকার না ব্যবসা? ট্রেড ইউনিয়ন নিবন্ধনের অন্ধকার অর্থনীতি রেস্টুরেন্ট, ভবন, আর অদৃশ্য টাকা: এক কর্মকর্তার সম্পদের নীরব বিস্তার জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশ্ন: রংপুরে ১১ দলের বিক্ষোভ দিনাজপুর বধির ইনস্টিটিউটে শিক্ষার্থীদের মাঝে উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে দিতে নতুন পোশাক বিতরণ সাড়ে চার কোটি বিনিয়োগ নথি ঠিক, অদৃশ্য উৎস–আয়ের শেষ গন্তব্য কোথায়? রংপুরে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ আত্মীয়ের বাসা থেকে সাড়ে চার কোটির ছায়া: নথি ঠিক, উৎস অদৃশ্য নিজের অপরাধ আড়াল করতে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ মেইন রাস্তার ধুলো নয়, নীরব বিষ: রংপুরে তামাক ক্রাসিংয়ের অবৈধ বিস্তার রংপুরে হামের ছায়া: সংখ্যা নয়, গল্পগুলোই বলছে আসল কথা

রাজ্জাক-মুমিনুলের পরামর্শে শাণিত নাঈম

রাজ্জাক-মুমিনুলের পরামর্শে শাণিত নাঈম

mostbet

ডিটেকটিভ স্পোর্টস ডেস্ক

বড় দৈর্ঘ্যরে ক্রিকেট এখন বুঝতে পারছেন নাঈম হাসান। কোন পরিস্থিতিতে কিভাবে বোলিং করতে হয় অনেকটাই আয়ত্তে এসে গেছে দীর্ঘদেহী এই অফ স্পিনারের। এখন নিজেকে আরও বেশি প্রস্তুত মনে হচ্ছে এনসিএলের সদ্য সমাপ্ত আসরের সেরা এই উইকেট শিকারির।

বছরের শুরুতে নিউ জিল্যান্ডে যুব বিশ্বকাপে খেলার সময় হঠাৎ করেই শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টেস্ট দলে ডাক পান নাঈম। শেষ পর্যন্ত খেলা হয়নি ১৭ বছর বয়সী চট্টগ্রামের এই স্পিনারের।

তারপর আর ডাক মেলেনি টেস্ট দলে। তবে একদিন দেশের হয়ে খেলার স্বপ্ন নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছেন এই তরুণ। এনসিএলের শেষ দিনের খেলা শেষে বৃহস্পতিবার  জানান, আবদুর রাজ্জাক, মুমিনুল হকের পরামর্শ তার বোলিংকে আরও ধারাল করতে সাহায্য করেছে।

“আগে চার দিনের ম্যাচ আমি বুঝতাম না। দক্ষিণাঞ্চলের হয়ে বিসিএলে খেলার সময় প্রথম বড় দৈর্ঘ্যরে ম্যাচ নিয়ে ধারনা পাই। ওই দলে আমার সতীর্থ ছিলেন রাজ্জাক ভাই। তিনি আর দলের অন্যরা আমাকে সে সময় অনেক সাহায্য করেছেন।”

“চট্টগ্রাম দলে পেয়েছি মুমিনুল ভাইকে। তিনিও আমাকে অনেক সাহায্য করেছেন। তাদের পরামর্শ অনেক কাজে লেগেছে। খেলতে খেলতে চার দিনের ম্যাচ এখন আমি বুঝি। কখন কিভাবে বোলিং করতে হয় আমি শিখে গেছি।”

বৃষ্টির বাধায় তিন ইনিংসে বোলিং করতে পারেননি নাঈম। একটিতে করেন মোটে ২ ওভার। নাঈমের বিশ্বাস, সেই খেলাগুলো নষ্ট না হলে লক্ষ্যের কাছে পৌঁছাতে পারতেন এবার।

“অবশ্যই ভালো লাগছে। তবে আমার লক্ষ্য পূরণ হয়নি। এবার ৪০/৪৫ উইকেট নিতে চেয়েছিলাম। বৃষ্টির জন্য চার ইনিংসের বোলিং নষ্ট না হলে হয়তো আরও কাছে যেতে পারতাম। সেই আক্ষেপ থাকলেও সেরা বোলার হওয়াও তো আনন্দের। সে দিক থেকে খুব ভালো লাগছে।”

৬ ম্যাচে ৯ ইনিংসে ২৫.০৩ গড়ে ২৮ উইকেট নেন নাঈম। পাঁচ উইকেট নেন দুইবার, ১০ উইকেট একবার। এবারের আসরের ইনিংসে সেরা বোলিং ৮/১০৬ এই অফ স্পিনারের দখলে। এটা তার ক্যারিয়ার সেরা বোলিংও। আর কেউ ইনিংসে ৮ উইকেট পাননি।

প্রথমবারের মতো ম্যাচে দশ উইকেটের স্বাদ পান নাঈম ঢাকা বিভাগের বিপক্ষে। ১৪৫ রানে নেন ১১ উইকেট। ঢাকা মেট্রোর বিপক্ষে নিয়েছিলেন ৯ উইকেট।

২৩ উইকেট নিয়ে সেরা উইকেট সংগ্রাহকদের তালিকার দুই নম্বরে আছে ঢাকা মেট্রোর আরাফাত সানি। ৫ ম্যাচে ৯ ইনিংসে ২৪.৬৫ গড়ে অভিজ্ঞ এই বাঁহাতি স্পিনার নেন ২৩ উইকেট।

পাঁচ উইকেট নেন একবার। সানির ইনিংস সেরা ৭/৫৭, ম্যাচ সেরা ৮/৬৫।

বরাবরের মতো এবারের লিগেও ছিল স্পিনারদের দাপট। সেরা পাঁচে পেসার মাত্র একজন- রাজশাহীর ফরহাদ রেজা। ৬ ম্যাচে ১২ ইনিংসে ২৬.৫৯ গড়ে ২২ উইকেট নিয়ে এই পেস বোলিং অলরাউন্ডার আছেন তিন নম্বরে। তার ইনিংস সেরা ৪/২৬, ম্যাচ সেরা ৭/৮০।

রাজশাহীর শিরোপা জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা সানজামুল ইসলামের অধিকারে আসরের সেরা বোলিংয়ের কীর্তি। রংপুরের বিপক্ষে ১৪১ রানে বাঁহাতি এই স্পিনার নেন ১১ উইকেট।

৬ ম্যাচে ১১ ইনিংসে ২৯.৫০ গড়ে ২০ উইকেট নিয়ে সেরা উইকেট শিকারীদের তালিকায় চার নম্বরে আছেন সানজামুল।

সেরা পাঁচে দ্বিতীয় অফ স্পিনার সোহাগ গাজী। বরিশালের এই ক্রিকেটার ২৭.৯৪ গড়ে নেন ১৯ উইকেট। ইনিংস সেরা ৫/৪০। ম্যাচ সেরা ৭/১০৫।

নাঈম-সানজামুল ছাড়া ম্যাচে ১০ উইকেট আছে কেবল সৈয়দ খালেদ আহমেদের। ঢাকা মেট্রোর বিপক্ষে দুই ইনিংসে পাঁচটি করে উইকেট নেন সিলেটের এই পেসার। ১৩৯ রানে ১০ উইকেট নেওয়া খালেদের অন্য তিন ম্যাচ মিলিয়ে উইকেট কেবল একটি।

হ্যাটট্রিক করেছেন রাজশাহীর পেসার দেলোয়ার হোসেন, বরিশালের বাঁহাতি স্পিনার মনির ও সিলেটের এনামুল হক জুনিয়র। দুইবার পাঁচ উইকেট নিয়ে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে বাংলাদেশের হয়ে সবচেয়ে বেশি ৩৪বার ৫ উইকেট নেওয়া আবদুর রাজ্জাকের পাশে বসেছেন এনামুল জুনিয়র।

Share Button

     এ জাতীয় আরো খবর