March 31, 2026, 7:05 am

সংবাদ শিরোনাম
ক্যাম্পবেলটাউনে গার্হস্থ্য সহিংসতা প্রতিরোধে সেমিনার অনুষ্ঠিত দিনাজপুরে যাত্রীবাহী কোচ ও ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২, গুরুতর আহত ৬ ক্যান্সার প্রতিরোধে স্বাস্থ্য সচেতনতা ও খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তনের বিকল্প নেই পূর্ব শত্রুতার জেরে রাতের আঁধারে শতাধিক গাছ নষ্টের অভিযোগ এক-এগারোর ছায়া: বন্ধ দরজার ভেতর থেকে উঠে আসা নাম—মাসুদ রাস্তায় ‘মরণফাঁদ’—রংপুরের প্রাণকেন্দ্র সাতমাথা সড়কের দায় কার? ঈদ যাত্রায় জনভোগান্তি নিরসনে সেনাবাহিনীর বিশেষ অভিযান শ্রম পরিদর্শন: লাইসেন্সে অস্বচ্ছতা, বোনাসে নীরবতা রসিক-এর পূর্ণকালীন প্রশাসক হলেন-আইনজীবী মাহফুজ-উন-নবী চৌধুরী আলুর লাভজনক দাম নিশ্চিত করা এবং সার নিয়ে দুর্নীতি, কালোবাজারী বন্ধ করে ভর্তুকি মূল্যে কৃষকের সার পাওয়ার নিশ্চয়তার দাবিতে রংপুরে কৃষক সংগঠনের বিক্ষোভ

নন- এম পি ও ভুক্ত প্রতিষ্ঠানের এম পি ও ভুক্তির আশ্বাসে টাকার বিনিময়ে শুরু হয়েছে শিক্ষক রদ-বদল

বিভাগীয় প্রতিনিধি ময়মনসিংহ প্রতিনিধিঃ

জামালপুর সদর উপজেলার ৩নং লক্ষীর চর ইউনিয়নের বারুয়ামারী গ্রামে ২০০০ খ্রি: স্থাপিত হয়, ছোলেমা আহমদ নিম্ন মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়, (যার  ই,আই,এন,এন, নং-১০৯৮৬২) । শিক্ষার গুনগত মান ও মান সম্মত শিক্ষা দান র্নিভর করে যোগ্যতা সম্পন শিক্ষকের উপর । শিক্ষক নিয়োগে যেন কোন প্রকার গাফিলতি না হয় তাই  শিক্ষা মন্ত্রণালয় হতে ২১ অক্টোবর ,২০১৫খ্রি:/০৬ কার্তিক ১৪২২ বঙ্গাব্দে শিক্ষা মন্ত্রণালয় মাধ্যমিক অনুবিভাগ হতে প্রজ্ঞাপনে এস, আর, ও নং-৩০৯-আইন/২০১৫ ।(Non- Government teachers Registration and Certification Authority ( NTRCA.আইন,২০০৫ ( ২০০৫সনের ১নং আইন এর ধারা ২১-এ প্রদত্ত ক্ষমতা বলে সরকার বেসরকারী শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা গ্রহণ ও প্রত্যায়ন বিধিমালা, ২০০৬-এ সংশোধন করে বিধি ৩ এর শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া (Non- Government teachers Registration and Certification Authority ( NTRCA) নিকট যেখানে ম্যনেজিং নিয়োগ দেয়ার  কোন ক্ষমতা রাখে না । কিন্ত এই বিদ্যালয়ে এসে আমাদের শিক্ষা বিষয়ক সকল ভাবনা উল্টা পাল্টা হয়ে গেছে, মনে হয় মাননীয় প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার শিক্ষা দিয়ে সোনার বাংলাদেশ গড়ার চেষ্টা ও শিক্ষা মনীষিদের চিন্তা গুলো কে গলা টিপে হত্যা করা হয়েছে শুধু টাকা আয়ের জন্য বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে । শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে পবিত্র মসজিদ, মন্দির, গীর্জার সাথে তুলনা করা হয়, শিক্ষক শুধু মানুষ গড়ার কারিগর নয় বরং ১টি জাতির সামাজিক, আর্থিক, রাজনৈতিক সহ সার্বিক উন্ননের জন্য দক্ষ মানব সস্পদ হিসাবে গড়ে তোলা ।প্রতিষ্টাতা প্রধান শিক্ষকের অনুপস্থিতিতে সহকারী শিক্ষক মো: রফিকুল ইসলাম  ছলে-বলে কৌশলে নামধারী প্রধান শিক্ষক মো: রফিকুল ইসলাম অর্থ উর্পাজনের লক্ষে সরকারের সকল বিধি-বিধান কে তোয়াক্কা না করে নিয়োগকে নিলামে তুলেছে, যে বেশী টাকা দিতে পারবে তার চাকুরী কনর্ফাম হয়ে যাবে এমনি মন্তব্য করেন প্রতারিত শিক্ষকরা । এই প্রতিষ্টানে নিয়োগ প্রাপ্ত যে শিক্ষক গুলি বিগত দশ থেকে পনের বছর বিনা বেতনে পাঠদান করে এসেছে তাদের কে বাদ দিয়ে বেশী টাকার বিনিময়ে eZ©gv‡b প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক সংখ্যা প্রধান শিক্ষকই ০৩ জন , সহকারী শিক্ষক ( শরীর র্চচা ) ০২ জন , ১ জন নিয়োগ প্রাপ্ত, অন্য জন নিলামের ডাকে আসা, ও অফিস সহকারী ০২ জন ,০১ জন নিয়োগ প্রাপ্ত অন্য জন নিলামে।প্রতারিত হওয়া সহকারী শিক্ষক ( শরীর র্চচা) মোঃ মিজানুর রহমান জানান যে, প্রতি বছর বার্ষিক শিক্ষা জরিপ বাংলাদেশ শিক্ষাতথ্য ও পরিখ্যান ব্যুরো ( ব্যনবেইস) ভবনে দিতে হয় । ২০১৬ সালে জরিপের তথ্য সঠিক ভাবেই দেওয়া হয় এতে কোন ত্রুটি নেই কিন্ত আমি  সহকারী শিক্ষক ( শরীর র্চচা) মোঃ মিজানুর রহমান  গত ২৫ ডিসেম্বরে ২০১৬ইং তারিখে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক এর নিকট হতে পাকসী বিপিএড কলেজে প্রশিক্ষণের জন্য চলে যায় ও ০১ জানুয়ারী ২০১৭ইং হতে ৩১ডিসেম্বর ১৭ ইং পর্যন্ত প্রশিক্ষণরত ছিলাম, আমি প্রশিক্ষণ রত থাকা অবস্থায় রফিকুল ইসলাম  আমার নিকট ৫ লাখ টাকা চান এই বলে যে, বিদ্যুৎ চেয়ারম্যান দিতে বলেছে সামনে স্কুল এম, পি, ও ভুক্ত হবে টাকা যদি না দেন তবে আপনাকে বাদ দেওয়া হবে । আমি বলেছিলাম যে, আপনি এর আগেও চেয়ারম্যান এর কথা বলে ২ লাখ নিছেন, এবার আমি প্রধান শিক্ষক কে না জানিয়ে ১ টাকাও দিব না ।অপর দিকে প্রতিষ্টাতা প্রধান শিক্ষকের অনুপস্থিতি  ২০১৭ সালে বেনবেইস অফিসে আমার নাম রফিকুল স্যার দেয় নি এবং প্রধান শিক্ষকের নামের জায়গায় নিজের নাম দিয়েছেন । আমি প্রশিক্ষণ শেষ করে এসে দেখি বিদ্যালয়ে সংরক্ষিত আমার ব্যক্তিগত ফাইল হতে নিয়োগ ও যোগদান পত্র নেই আমি( মোঃ মিজানুর রহমান) বাধ্য হয়ে তদন্ত কেন্দের  সাধারণ ডাইরী করি ।অপর দিকে অফিস সহকারী  সহকারী আনোয়ার হোসেনের সাথে কথা বলে জানতে পারি তার নিকট ৭ লাখ টাকা রফিকুল দাবী করেন চেয়ারম্যানের কথা বলে । তিনি টাকা না দেওয়াই তাকে বাদ দিয়ে মো: মোখলেচুর রহমান নামক একজনের কাছ থেকে ৫ লাখ টাকা নিয়ে তাকে দিয়ে কাজ করাচ্ছেন ,তিনি আরোও জানান যে, ৩১ ডিরেসম্বর ২০১৬খ্রি: কমিটির মেয়দ শেষ হয় । কমিটি না থাকায় এই বিদ্যালয়ের নিকট  মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড গত ১০ অক্টোবর/২০১৭খ্রি: ৭৬/নতুন/জামাল/০৬৯২ এই সূত্রে কারন দর্শনোর নোটিশ দেন এবং ১১ ডিসেম্বের ২০১৭ খ্রি: এডহক কামিটির গঠনের অনুমতি দেন । তাহলে নতুন করে শিক্ষক নিয়োগ দিলেন কোন শিক্ষার অনুবিভাগ ?।এই সকল অনিয়মের প্রমানাধি সহ প্রতিষ্ঠাতা প্রধান শিক্ষক জামালপুর-৫ আসনে সংসদ সদস্য ও সাবেক ভূমি মন্ত্রি এবং সভাপতি, ভূমি বিষয়ক স্থায়ী কমিটি,জনাব আলহাজ রেজাউল করিম হীরা মহোদয়ের নিকট শিক্ষক নিয়োগের অনিয়ম নিরশনের জন্য প্রমানাদি সহ লিখিত আবেদন করেন । এবং বিভিন্ন শিক্ষা দপ্তরের অনুলিপি প্রদান করেন। যাহা 26 জুন 2018 বিভিন্ন মিডিয়াতে প্রকাশ পায় । নাম প্রকাশের অনিচ্ছুকে এক সহকারী শিক্ষক জানন যে,মোঃ রফিকুল ইসলাম নিজের পদ বহাল রাখার জন্য আফজাল হোসেন বিদ্যুৎ কে প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি করে গত ২৫ জুলাই ২০১৮ সালে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড ঢাকা নং-৭৬/নতুন/জামাল/২০৩২৭, ১০ সদেস্য বিশিষ্ট ম্যনেজিং কমিটির অনুমোদন নেন কিন্ত এই কমিটিতে যে ২ জন শিক্ষক প্রতিনিধি ১ জন মো: ওয়াহেদ আলী, অপরজন সুরাইয়া খাতুন দুঃখের। বিষয় এরা কেউ শিক্ষক নন, অথচ এই আফাজাল হোসেন বিদ্যুৎ কে তার অনিয়মের জন্য গত ১৪ নভেম্বর ২০১২ তারিখে কমিটির সভাপতি পদ হতে অনাস্থা দেন এবং ২৫ নভেম্বর ২০১২ তারিখে অভিভাবক সদস্য হাসেন আলী (হাসু) শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান মহোদয়ের নিকট আবেদন করেন ও ২৬ ফেব্রয়ারী ২০১৩ তারিখে বোর্ড হতে জেলা শিক্ষা অফিসারকে তদন্ত করার অনুরোধ করা হয়, (নং-৭৬/নতুন/জামাল/২৭১৬)  অপর দিকে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড ঢাক, নিয়ম অনুযায়ী বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন  করতে বিদ্যালয়ের উন্নয়নের জন্য এককালীন বিদ্যালয়ের হিসাব নম্বরে ছয় লক্ষ টাকা জমা দিতে হয় । প্রতিষ্টানটি যখন স্থপিত হয় নাম ছিল বারুয়ামার বালিকা বিদ্যালয়,2007 সালে    মোঃ মশিউর রহমান উনার মৃত পিতা-মাতার নামে গ্রামবাশীর অনুরুদে তিনি ছয় লক্ষ টাকা দান করেন ও প্রতিষ্টাতা হন এবং বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন   হয় । গত ২০ মে ১৮ খ্রিঃ মশিউর রহমান কে না জানিয়ে ও মশিউর রহমান সই নকল করে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের একাডেমিক সুপারভার কে সভাপতি করে মশিউর রহমান কে দাতা সদেস্য করে আফজাল হোসেন কে প্রতিষ্টা সদেস্য কমিটি অনুমোদন করেন । শিক্ষক নিয়োগ সহ ম্যানেজিং কমিটি গঠনে ব্যাপক অনিয়ম ও দূর্নীতির জন্য মহামান্য উচ্চ আদালতে অত্র প্রতিষ্ঠানের সহকারী শিক্ষক (শরীরর্চচা) মো: মিজানুর রহমান গত ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮ তারিখে রীট-পিটিশন দাখিল করেন যার নং-১১৫৫৫/২০১৮ইং । এছাড়া ও জানা গেছে্ যে, প্রতারিত শিক্ষকগন মহামান্য উচ্চ আদালতে  রিট পিটিশন লিপিবদ্ধ করেছেন যা যে কোন সময় দাখিল করা হবে ।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 প্রাইভেট ডিটেকটিভ/২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮/ইকবাল

 

 

Share Button

     এ জাতীয় আরো খবর