March 30, 2026, 3:01 am

সংবাদ শিরোনাম
দিনাজপুরে যাত্রীবাহী কোচ ও ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২, গুরুতর আহত ৬ ক্যান্সার প্রতিরোধে স্বাস্থ্য সচেতনতা ও খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তনের বিকল্প নেই পূর্ব শত্রুতার জেরে রাতের আঁধারে শতাধিক গাছ নষ্টের অভিযোগ এক-এগারোর ছায়া: বন্ধ দরজার ভেতর থেকে উঠে আসা নাম—মাসুদ রাস্তায় ‘মরণফাঁদ’—রংপুরের প্রাণকেন্দ্র সাতমাথা সড়কের দায় কার? ঈদ যাত্রায় জনভোগান্তি নিরসনে সেনাবাহিনীর বিশেষ অভিযান শ্রম পরিদর্শন: লাইসেন্সে অস্বচ্ছতা, বোনাসে নীরবতা রসিক-এর পূর্ণকালীন প্রশাসক হলেন-আইনজীবী মাহফুজ-উন-নবী চৌধুরী আলুর লাভজনক দাম নিশ্চিত করা এবং সার নিয়ে দুর্নীতি, কালোবাজারী বন্ধ করে ভর্তুকি মূল্যে কৃষকের সার পাওয়ার নিশ্চয়তার দাবিতে রংপুরে কৃষক সংগঠনের বিক্ষোভ শ্রম পরিদর্শন না প্রহসন?

আন্দোলন হলে না ফেরালে

 

ঢাবি প্রতিনিধি :

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কবি সুফিয়া কামাল হল থেকে বের করে দেয়া ছাত্রীদের ২৪ ঘন্টার মধ্যে হলে ফিরিয়ে নেয়ার জন্য কর্তৃপক্ষকে আল্টিমেটাম দিয়েছে বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ। একই সঙ্গে হলে গভীর রাতে অভিভাবক ডেকে তিন ছাত্রীকে বের করে দেয়ার প্রতিবাদে প্রাধ্যক্ষের অপসারণ চেয়েছে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলন করে আসা সংগঠনটি। এই সময়ের মধ্যে ছাত্রীদের হলে ফেরত না নিলে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলন করা সংগঠনটি। গতকাল শুক্রবার বিকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের সামনে এই হুঁশিয়ারি দেন সংগঠনটির নেতারা। : বৃহস্পতিবার রাতের ওই ঘটনাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে একটি ‘কলঙ্কজনক অধ্যায়’ হিসেবে বর্ণনা করে পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক নূরুল হক নূর বলেছেন, ওই ঘটনার পর অধ্যাপক সাবিতা রেজওয়ানা রহমান প্রাধ্যক্ষ পদে থাকার ‘নৈতিক’ অধিকার হারিয়েছেন। ছাত্রীদের বের করে দেয়ার প্রতিবাদে এবং প্রাধ্যক্ষের অপসারণ দাবিতে গতকাল শুক্রবার বিকালে ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল করে। রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশ থেকে শুরু হয়ে চারুকলা, শাহবাগ, টিএসসি হয়ে নীলক্ষেত ঘুরে এসে আবার রাজু ভাস্কর্যের সামনে শেষ হয় মিছিলটি। এরপর সেখানে তারা বিক্ষোভ সমাবেশ করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের স্নাতকোত্তরের শিক্ষার্থী নূর সমাবেশে বলেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে বলতে চাই, সুফিয়া কামাল হলের প্রাধ্যক্ষ যে কাজ করেছেন এতে তার নৈতিক অবক্ষয় ঘটেছে। তাকে উক্ত পদ থেকে অতিদ্রুত প্রত্যাহার করুন। আমরা এই বিক্ষোভ মিছিল থেকে তার পদত্যাগ দাবি করছি।’ তিনি বলেন, ‘যে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দেশের সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলনের সূচনা হয়েছে, সেখানে রাতে এক কলঙ্কজনক অধ্যায় রচিত হয়েছে। তাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মান রক্ষার্থে এই প্রাধ্যক্ষকে অপসারণ করুন।’ কোটা সংস্কারের আন্দোলনের মধ্যে ছাত্রলীগ নেত্রী ইফফাত জাহান এশাকে হেনস্তার ঘটনার তদন্তে কবি সুফিয়া কামাল হল কর্তৃপক্ষ বৃহস্পতিবার রাতে ছাত্রীদের জিজ্ঞাসাবাদ করে। এরই একপর্যায়ে রাত ১০টা থেকে ১টার মধ্যে ওই হলের তিন ছাত্রীকে তাদের স্থানীয় অভিভাবকের কাছে তুলে দেয়া হয়। আরেক ছাত্রীর অভিভাবক এলেও গভীর রাত হয়ে যাওয়ায় শেষ পর্যন্ত ওই শিক্ষার্থীকে হলে রাখা হয়। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, যারা সাম্প্রতিক কোটা সংস্কার আন্দোলনে যুক্ত ছিলেন, তাদের ডেকে ডেকে ‘তদন্তের নামে হয়রানি’ করছে হল কর্তৃপক্ষ। অবশ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি মো. আখতারুজ্জামান বলেছেন, ফেইসবুকে ভুয়া অ্যাকাউন্ট খুলে ‘সরকারবিরোধী বক্তব্য ও অপতথ্য ছড়ানোর কারণে’ তিন ছাত্রীর বিরুদ্ধে ওই ব্যবস্থা নিয়েছে হল কর্তৃপক্ষ। ছাত্র অধিকার পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক নূর দাবি করেন, তিনজন নয়, কোটা সংস্কার আন্দোলনে ‘সক্রিয় ভূমিকা রাখায়’ আট ছাত্রীকে বৃহস্পতিবার রাতে হল থেকে বের করে দেয়া হয়েছে। ‘তাদের ভয়ভীতি দেখিয়ে, অভিভাবক ডেকে এভাবে হল থেকে বের করে দেয়ার ঘটনা ন্যক্কারজনক। প্রাধ্যক্ষকে বলতে চাই, আমাদের যে বোনদের হল থেকে বের করে দিয়েছেন, তাদের অতিদ্রুত সম্মানের সাথে হলে তুলে নিন। নইলে সারা বাংলার ছাত্রসমাজ রাজপথে দাবানল দেখাবে।’ কোটা বাতিলের ঘোষণা প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দৃষ্টি আকর্ষণ করে নূর বলেন, ‘আমরা প্রধানমন্ত্রীর ওপর আস্থা রাখি। তিনি যা বলেন তা করে দেখান। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আপনার সন্তানেরা অস্থিরতার মধ্যে আছে। গেজেট প্রকাশের মাধ্যমের আপনার ঘোষণার বাস্তবায়ন করে আমাদের অস্থিরতা দূর করুন।’ সুফিয়া কামাল হলের ঘটনা প্রসঙ্গে ভিসির বক্তব্যের সূত্র ধরে সাংবাদিকদের প্রশ্নে নূর বলেন, ‘নিরপরাধ কাউকে যদি শাস্তি দেয়া হয়, তাহলে আমরা প্রতিবাদ করব। কিন্তু কেউ যদি সহিংস কোনো কর্মকান্ড করে তার দায় আমরা নেব না।’ আগের রাতের ওই ঘটনায় ছাত্রী হলগুলোতে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে দাবি করে আন্দোলনের আরেক যুগ্ম আহ্বায়ক মুহম্মদ রাশেদ খান বলেন, এ কারণে তাদের এই বিক্ষোভ সমাবেশে ছাত্রীদের উপস্থিতি কম হয়েছে। ‘আমাদের যে আন্দোলনকারীরা আছেন, তাদের নানাভাবে হুমকি-ধমকি দেয়া হচ্ছে। আমাদের প্রাণনাশেরও হুমকি দেয়া হচ্ছে। চারপাশে আতঙ্ক আর ষড়যন্ত্রের পরিবেশ তৈরি করা হয়েছে হলগুলোতে।’ ছাত্র অধিকার পরিষদের এই কর্মসূচির আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি আবিদ আল হাসান ও মোতাহার হোসেন প্রিন্সসহ বিশ্ববিদ্যালয় ও হল শাখা ছাত্রলীগের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীদের ঘোরাফেরা করতে দেখা যায়। বিকাল পৌনে ৫টায় বিক্ষোভ মিছিল শুরু হলে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা সরে গিয়ে হাকিম চত্বরে অবস্থান নেন। মিছিল আবার রাজুতে ফিরলে আবার ফুটপাতে এসে দাঁড়ান তারা। তবে ছাত্রলীগের কাউকে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে কথা বলতে দেখা যায়নি। : জানা যায়, গত কয়েকদিন ধরেই হল প্রশাসন আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের কর্তৃক ছাত্রলীগ নেত্রী ইশার গলায় জুতার মালা পরানোর ঘটনায় শিক্ষার্থীদের ডেকে হেনস্তা করছিল। নানা ধরনের ভয়ভীতি প্রদর্শন করাসহ ছাত্রত্ব বাতিলের হুমকি পর্যন্ত দেয়া হয়েছে। এসব ঘটনায় থমথমে হয়েছিল হলের পরিবেশ। তবে গতকাল এই অবস্থার চূড়ান্ত রূপ ধারণ করে যখন ছাত্রীদের অভিভাবকদের ডেকে হল থেকে বের করে দেয়া হয়। যে ২৬ ছাত্রী ছাত্রলীগ নেত্রী ইফফাত জাহান এশার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছিলেন, প্রথমে তাদের বিচার করছে হল প্রশাসন। গত বৃহস্পতিবার রাত ১১টায় কবি সুফিয়া কামাল হলের প্রদীপ্ত ভবনের নিচে প্রাধ্যক্ষ সাবিতা রেজওয়ানা ছাত্রীদের ডেকে হুমকি দেন। : ছাত্রীদের উদ্দেশে সাবিতা রেজওয়ানা বলেন, ‘অনেকে বিভ্রান্তিকর পোস্ট দেয়। ইনটেলিজেন্স সেল দেখবে যে কারা কারা বিভ্রান্তিকর পোস্ট দিচ্ছে। আই ডোন্ট ওয়ান্ট অ্যানি ইনভলভমেন্ট। এরপর এই হলে ছাত্রলীগ যদি গন্ডগোল করে আমাকে বিচার দেবে। জেনারেল মেয়ে গন্ডগোল করলে আমাকে বিচার দেবে। এখন থেকে হল সিট হল প্রশাসন দেবে। আর কোনো পয়েন্টে এর বাইরে আর কোনো সিট হবে না। হলে যদি আর কেউ বিশৃঙ্খলা করার চেষ্টা করে বা তোমরা কোনো পোস্ট দেয়ার চেষ্টা করো হলকে বিভ্রান্ত করার জন্য, তাহলে কিন্তু আমরা সরকারকে বলব…আমার নলেজের বাইরে আমার ভিডিও যে আপলোড করে সেটা কিন্তু ক্রাইম। আজকে আমি বলে দিলাম সেটা কিন্তু সাইবার ক্রাইম…আই ওয়ান্ট টু বি লাউড অ্যান্ড ক্লিয়ার। কারও কিছু প্রশ্ন আছে?’ : জবাবে ছাত্রীরা কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় ছাত্রলীগ নেত্রী ইফফাত জাহানকে কেন্দ্র করে যা যা ঘটেছে, তাতে হলের দুই হাজার ছাত্রী সম্পৃক্ত ছিল বলে উল্লেখ করেন। তখন সাবিতা রেজওয়ানা বলেন, ‘দুই হাজার মেয়ে কিছু করেনি। আমার সিসিটিভি ফুটেজে আছে কারা কারা করেছে। দুই হাজার মেয়ে স্বাক্ষর দাও, আমি বিশ্ববিদ্যালয়কে দেব। আমি দুই হাজার মেয়ের ছাত্রত্ব বাতিল করে দেব। আমার শিক্ষকরা দেখেছে, আমার সিসিটিভি প্রমাণ আছে ওরা মেরেছে। তোমরা যদি মেরে থাক, নাম লেখ। ওইদিন যেটা হয়েছে, সেটা অপপ্রচার। ওই মেয়ে যার পা কেটেছে, সে নিজে স্বীকারোক্তি দিয়েছে। ওর শুধু পা-ই কাটা হয়েছে। এই মেয়েটাকে যে পরিমাণ মারা হয়েছে, সেটা কি বিচারে মারা হয়েছে? যে মেয়ে ভয় পেয়েছে, সে নিজে বলেছে। মোবাইল দিয়ে কী করছ?’ : খোঁজ নিয়ে আরো জানা গেছে, গতকাল রাতে হলের ফ্লোরে ফ্লোরে হাউস টিউটররা পাহারা বসান। এতে ছাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এ নিয়ে রাতভর অস্থিরতা চলে। : এ বিষয়ে জানতে চাইলে হল প্রাধ্যক্ষ সাবিতা রেজওয়ানা বলেন, ‘আমরা বেশ কয়েকজন ছাত্রীকে ডেকেছি। তাদের মোবাইল চেক করা হচ্ছে। তারা ফেসবুকে ফেক অ্যাকাউন্ট খুলে গুজব ছড়াচ্ছে। মুচলেকা দিয়ে তাদের স্থানীয় অভিভাবকদের সঙ্গে পাঠিয়ে দেয়া হচ্ছে।’ : জানা যায়, দিবাগত রাত ১১টা ৪৮ মিনিটে এক ছাত্রীকে হল থেকে বের করে দেয়া হয়। ওই ছাত্রীর বাবা তার মেয়েকে মোটরসাইকেলে বসিয়ে দ্রুত চলে যান। চলে যাওয়ার সময় তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে চাননি। দিবাগত রাত ১২টা ৪০ মিনিটে এক ছাত্রীর বাবা হলের ফটক দিয়ে ভেতরে ঢোকেন। এ সময় তিনি সাংবাদিকদের বলেন, তাকে ফোন করে হলে এসে মেয়েকে নিয়ে যেতে বলা হয়েছে। এরপর ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। তিনি ধামরাই থেকে হলের ফটকে এসে অপেক্ষা করতে থাকেন। পরে তিনি সেখান থেকে চলে যান। : চলে যাওয়ার সময় এই অভিভাবক সাংবাদিকদের বলেন, তার মেয়ে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনে যুক্ত ছিল। ভবিষ্যতে যেন এমন আর না হয়, এ জন্য হল কর্তৃপক্ষ তাকে ডেকে সতর্ক করেছে। রাত ৯টা থেকে অন্তত ৫০ জন ছাত্রীকে হল থেকে বের করে দেয়া হয়েছে। তবে সবাইকে একসঙ্গে বের করে দেয়া হয়নি। : তবে এখন পর্যন্ত বের করে দেয়া শিক্ষার্থীদের সুস্পষ্ট তালিকা পাওয়া যায়নি। : এ বিষয়ে বিশ্বদ্যিালয়ের ভিসি মো. আখতারুজ্জামান বলেন, কয়েকজন শিক্ষার্থীকে হল কর্তৃপক্ষ ডেকে সাবধান করেছে যাতে গুজব ছড়িয়ে বিভ্রান্তি তৈরি না করে। আর কয়েকজনকে অভিভাবক ডেকে তাদের কাছে দেয়া হয়েছে। এ নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি করে চলেছে একটি দুষ্টচক্র। : এদিকে ছাত্রীদের হল থেকে বের করে দেয়ার ঘটনায় প্রতিবাদ জানানো শিক্ষার্থী ইয়াসিন আরাফাত নিজের হলে ঢুকতে পারেননি। স্যার এফ রহমান হলে ফেরার সময় ছাত্রলীগ তাকে ফটক থেকেই ফেরত পাঠিয়েছে বলে প্রত্যক্ষদর্শী ব্যক্তিরা জানান। কবি সুফিয়া কামাল হলের বেশ কয়েকজন ছাত্রীকে হল ত্যাগে বাধ্য করা হয়। এ ঘটনার প্রতিবাদ জানান ইয়াসিন। : হল থেকে শিক্ষার্থীদের বের করে দেয়ার ঘটনায় উদ্বেগ জানিয়ে সাদা দলের বিবৃতি : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি হল থেকে মাঝরাতে শিক্ষার্থীদের বের করে দেয়ার খবরে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাদা দল। সাদা দলের আহ্বায়ক অধ্যাপক আখতার হোসেন খান এক বিবৃতিতে জানান, ‘গণমাধ্যমে প্রচারিত এ সংবাদ যদি সত্যি হয় তবে এই ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক এবং বেদনাদায়ক। দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠে এই ধরনের নির্বতনমূলক কর্মকান্ড কোনোভাবেই কাম্য নয়। মনে রাখতে হবে সব শিক্ষার্থীই আমাদের কাছে সন্তানতুল্য। কোনো শিক্ষার্থী অপরাধ করলে তাকে শাস্তি দেয়া যায়। কিন্তু শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়ার আগে পক্ষপাতহীন, স্বচ্ছ এবং সুষ্ঠু তদন্ত হওয়া বাঞ্ছনীয়। হল এবং বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে আমরা দায়িত্বশীল, নিরপেক্ষ ও মানবিক আচরণ প্রত্যাশা করি। শিক্ষার্থীদের বলব নিজেদের মাঝে সংঘাত পরিহার করে প্রতিহিংসার জন্ম নেয় এমন আচরণ করা থেকে বিরত থাকতে। মনে রাখতে হবে প্রতিহিংসা কেবলই প্রতিহিংসার জন্ম দেয়, সমস্যার সমাধান করে না।’

 

 

 

 

 

প্রাইভেট ডিটেকটিভ/২১এপ্রিল২০১৮/সাদিয়া
Share Button

     এ জাতীয় আরো খবর