April 9, 2026, 6:43 pm

সংবাদ শিরোনাম
সাড়ে চার কোটি বিনিয়োগ নথি ঠিক, অদৃশ্য উৎস–আয়ের শেষ গন্তব্য কোথায়? রংপুরে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ আত্মীয়ের বাসা থেকে সাড়ে চার কোটির ছায়া: নথি ঠিক, উৎস অদৃশ্য নিজের অপরাধ আড়াল করতে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ মেইন রাস্তার ধুলো নয়, নীরব বিষ: রংপুরে তামাক ক্রাসিংয়ের অবৈধ বিস্তার রংপুরে হামের ছায়া: সংখ্যা নয়, গল্পগুলোই বলছে আসল কথা দিনাজপুরে আশ্রম ও এতিমখানায় ৩ কোটি ৬২ লক্ষ ৮৮ হাজার টাকার চেক বিতরণ হাম-আতঙ্কের ভেতর পাঁচ শিশু, রমেকে নীরব লড়াই রংপুরে ”আলোকিতো’র প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত সাড়ে চার কোটির ছায়া: শ্বশুর সামনে, কাস্টমস্ জামাতার সংযোগ

এলমাছের বন্দোবস্ত পাওয়া দেড় একর জমি পাওয়ার দলিল নিয়েছে জামাল গাজী ॥ আব্বাসকে বানানো হয়েছে কথিত এলমাছ ॥

কলাপাড়া(পটুয়াখালী)প্রতিনিধি ॥
পটুয়াখালীর কলাপাড়ার লালুয়ার চরচান্দুপাড়ার এলমাছ গাজী ভূমিদস্যু চক্রের কবলে পড়ে বন্দোবস্ত পাওয়া খাস জমি হারাতে বসেছে। তারই দুই আত্মীয় এমন কাজের পরে সহজ-সরল এলমাছ এখন দিশেহারা হয়ে বিভিন্ন দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন। এমনকি এলমাছকে এনিয়ে ঘাঁটাঘাটি করলে মেরে ফেলার হুমকি পর্যন্ত দেয়া হয়েছে।  এ ঘটনায় আদালতে এলমাছ একটি মামলা করেছেন।
এলমাস জানায়, ভূমিহীন হিসেবে এলমাছ গাজী ১৯৭৯-৮০ অর্থবছরের ৩৩৮কে বন্দোবস্ত কেসের মাধ্যমে চান্দুপাড়া মৌজা থেকে দেড় একর খাস জমি পায়। যা চাষাবাদ করে কোনমতে জীবিকার চাকা ঠেলছিল। যার দলিল নম্বর-৭১৩৭, তারিখ ১৯৮২ সনের ১৫ ডিসেম্বর। এসএ খতিয়ান নম্বর-৩৪২। কিন্তু ২৩ জানুয়ারি ২৫৪/১৮ একই এলাকার জনৈক আব্বাসকে সাব রেজিস্ট্রি অফিসে কথিত এলমাছ বানিয়ে দাঁড় করিয়ে পাওয়ার অব এ্যাটর্নি দলিল করে নিয়েছে একই এলাকার মৃত রুস্তুম গাজীর ছেলে জামাল গাজী। ২৫৪ নম্বর দলিলে আব্বাস তার নিজের ছবিতে এলমাছের হয়ে টিপসই দিয়েছে। এমনকি কম্পিউটারে বানানো জাতীয় পরিচয়পত্রেও নিজর ছবি ব্যবহার করেছে। যার এনআইডি নম্বর দেখানো হয়েছে ৭৮১৬৬৩৫৬১৮৭৬৬। বর্তমানে পাওয়ার অব এটর্নি দলিলে জমির ক্ষমতাপ্রাপ্ত হয়ে জামাল গাজী চক্র এ জমি হস্তান্তরের জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে।
এটর্ণি দলিল দাতা কথিত এলমাছ হয়ে দাঁড়ানো আব্বাস এখন তার ভুল স্বীকার করে এর বিচার চেয়ে বলেন, তাকে বয়স্বভাতার তালিকায় নাম দেয়ার কথা বলে কলাপাড়ায় নিয়ে এসে টিপসই নেয়া হয়েছে। তার স্ত্রী শাহিদা জানায়, তাকে দিয়ে এলমাছের বিরুদ্ধে মামলা করার জন্য চাপ দিয়েছে। জামাল গাজী ও তার কয়েক সহযোগী এসব করেছে। বর্তমানে এলমাছের গোটা পরিবার রয়েছেন চরম নিরাপত্তাহীন। এব্যাপারে জামাল গাজীর নম্বরে মোবাইল করলে তিনি কল রিসিভ করে নিজেকে জামাল গাজী নয় বলে উত্তর দেন।
কলাপাড়া সাব-রেজিস্টার কাওসার খান জানান, বিষয়টি জানার পরে ক্ষতিগ্রস্ত এলমাছকে আইনি সহায়তা নেয়ার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। এক্ষেত্রে তিনি হতদরিদ্র এলমাছকে সকল সহায়তার কথা জানালেন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার তানভীর রহমান এ চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানালেন।

mostbet

প্রাইভেট ডিটেকটিভ/৫ মার্চ ২০১৮/রুহুল আমিন

Share Button

     এ জাতীয় আরো খবর