April 13, 2026, 2:22 pm

সংবাদ শিরোনাম
রেস্টুরেন্ট, ভবন, আর অদৃশ্য টাকা: এক কর্মকর্তার সম্পদের নীরব বিস্তার জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশ্ন: রংপুরে ১১ দলের বিক্ষোভ দিনাজপুর বধির ইনস্টিটিউটে শিক্ষার্থীদের মাঝে উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে দিতে নতুন পোশাক বিতরণ সাড়ে চার কোটি বিনিয়োগ নথি ঠিক, অদৃশ্য উৎস–আয়ের শেষ গন্তব্য কোথায়? রংপুরে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ আত্মীয়ের বাসা থেকে সাড়ে চার কোটির ছায়া: নথি ঠিক, উৎস অদৃশ্য নিজের অপরাধ আড়াল করতে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ মেইন রাস্তার ধুলো নয়, নীরব বিষ: রংপুরে তামাক ক্রাসিংয়ের অবৈধ বিস্তার রংপুরে হামের ছায়া: সংখ্যা নয়, গল্পগুলোই বলছে আসল কথা দিনাজপুরে আশ্রম ও এতিমখানায় ৩ কোটি ৬২ লক্ষ ৮৮ হাজার টাকার চেক বিতরণ

হাসপাতাল গেটে ঔষধ না মেলায় জরুরী বিভাগের চিকিৎসা সেবা ব্যাহত ॥ ওদের বোবা কান্না শোনার কেউ নেই ॥

কলাপাড়া প্রতিনিধি॥

mostbet

পটুয়াখালীর কলাপাড়া-কুয়াকাটা মহাসড়কের শেখ কামাল সেতুর নীচে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্থ ব্যবসায়ীরা তাদের ব্যবসা নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছেন। অবৈধ স্থাপনা অপসারনে উপজেলা প্রশাসনের ৪৮ ঘন্টার আলটিমেটামে এমন বিপাকে পড়েছেন ক্ষতিগ্রস্থ ব্যবসায়ীরা। এদের মধ্যে হতদরিদ্র কয়েকজনের অবস্থা এমন যে স্থাপনার ভগ্নাংশ অপসারন দূরের কথা পরিবার পরিজন নিয়ে দু’মুঠো ভাত মুখে দেয়ার সক্ষমতাও হারিয়েছেন।
জানা যায়, কলাপাড়া-কুয়াকাটা মহাসড়কের শেখ কামাল সেতু চালু হওয়ার পর শেখ কামাল সেতুর নীচে স্থাপনা তুলে বেশ কিছু ঔষধ ব্যবসায়ীর পাশাপাশি চা, পান, সিগারেটসহ খাবার হোটেল ও লন্ড্রীর ব্যবসা চালিয়ে সংসার পরিচালনা করে আসছিলেন। শুরু থেকেই এনিয়ে গনমাধ্যমে একাধিকবার প্রতিবেদন প্রকাশ পেলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ছিল নীূরব। কিন্তু ১৬ই ফেব্রুয়ারী শুক্রবার দুপুরে অগ্নিকান্ডের ঘটনায় ২০ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভস্মীভূত, শেখ কামাল সেতু ও সাবমেরিন ক্যাবল ল্যান্ডিং ষ্টেশনের ইন্টারনেট কেবল ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ার পর টনক নড়ে সওজসহ প্রশাসনের। অগ্নিকান্ডের ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্থদের জন্য কোন রকম সহায়তা ছাড়াই ক্ষতিগ্রস্থ ব্যবসায়ীদের স্থাপনাসহ সরে যেতে ৪৮ ঘন্টার আলটিমেটাম দেয়ায় ছোট দোকানীদের বোবা কান্না শোনার এখন আর কেউ নেই।
এদিকে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্থ দোকানের অধিকাংশই ছিল ঔষধের দোকান। হাসপাতাল গেটের কাছাকাছি এসব দোকান পুড়ে যাওয়ায় চরম ভোগান্তিতে চিকিৎসা নিতে আসা রোগী ও তাদের স্বজনরা। জরুরী বিভাগে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের ছুটতে হচ্ছে বাজারে। আবার হাসপাতালমুখী এসব ফার্মেসীতে যেসব জরুরী মেডিসিন রাখত সেসব রাখছেনা বাজারের ফার্মেসীতে। ফলে জরুরী বিভাগে চিকিৎসা নিতে এসে পড়ছে বিড়াম্বনাসহ ঝামেলায়। একথার সত্যতাও জানালেন জরুরী বিভাগের কয়েকজন চিকিৎসা সহকারী।

প্রাইভেট ডিটেকটিভ/২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৮/রুহুল আমিন

Share Button

     এ জাতীয় আরো খবর