বিশেষ প্রতিনিধিঃ
প্রতদিনি-রাত অসংখ্য লবনবাহী ট্রাক খোলামলোভাবে চট্টগ্রাম-মহাসড়ক অতক্রিম করছে। ট্রাক হতে ফোটা ফোটা লবনরে পানি নিঃসৃত হয়ে আরকান সড়ক পিচ্ছিলি হয়ে যাচ্ছে। পরিবেশবাদীরা এতে দুর্ঘটনার আশংকা প্রকাশ করছেনে। তারা ট্রাকে মোটা তেরপাল ব্যবহার করলে পানি নিঃসৃত হবেনা বলে পরার্মশ দিয়েছেন। তারা আরো বলছেনে পরিবেশ সুরক্ষা রাখতে মোটা তেরপাল ব্যবহাররে বিকল্প নেই।
জানা যায়, এ মৌসুমে টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপ, টেকনাফ, মহশেখালী, উখিয়া, কুতুবদিয়া, চকরিয়াসহ বিভিন্ন এলাকায় লবন উৎপাদিত হয়। নৌপথ ও স্থল পথে এসব লবন দেশের বিভিন্নস্থানে প্রেরণ করা হয়। চট্টগ্রামের মাঝিরঘাট ও পটয়িা ইন্দ্রপুল এলাকায় লবন পরিশোধনাগার রয়ছে।
এসব স্থান ছাড়াও ঢাকা, নোয়াখালী, ঝালকাঠি কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্নস্থানে লবন পরিশোধনাগার রয়েছে। ট্রাকইে মূলত এসবস্থানে লবন পরবিহন করা হয়। রাতে কুয়াশার র্স্পশে লবন নিঃসৃত পানি রাস্তায় আঠাল আস্তরণ সৃষ্টি কর। চলমান গাড়ি ব্রেক কষলেই আঠাল আস্তরণের র্স্পশে নিয়ন্ত্রণ হারয়িে ফেলে। ফলে দুর্ঘটনার সৃষ্টি হয়।
এখন পর্যটন মৌসুম। দেশের বিভিন্নস্থান থেকে পর্যটকরা আসেন কক্সবাজার। অন্য জায়গা থেকে আসা চালকদের এ সড়ক সর্ম্পকে অভিজ্ঞতা কম। ফলে পিচ্ছিল অবস্থায় পর্যটকবাহী যানবাহনের চালকরা যানবাহন নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হয়। এদকিে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক সংলগ্ন স্থানীয়রাও প্রতনিয়িত দূর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন। মোটা তেরপাল বিছানো ছাড়া লবনবাহী ট্রাক চলাচল বন্ধ করার জোরদাবী জানিয়েছেন সচেতন মহল।