April 7, 2026, 4:05 am

সংবাদ শিরোনাম
মেইন রাস্তার ধুলো নয়, নীরব বিষ: রংপুরে তামাক ক্রাসিংয়ের অবৈধ বিস্তার রংপুরে হামের ছায়া: সংখ্যা নয়, গল্পগুলোই বলছে আসল কথা দিনাজপুরে আশ্রম ও এতিমখানায় ৩ কোটি ৬২ লক্ষ ৮৮ হাজার টাকার চেক বিতরণ হাম-আতঙ্কের ভেতর পাঁচ শিশু, রমেকে নীরব লড়াই রংপুরে ”আলোকিতো’র প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত সাড়ে চার কোটির ছায়া: শ্বশুর সামনে, কাস্টমস্ জামাতার সংযোগ গংগাচড়ায় আপোষের নামে বোনকে ডেকে মারপিট, আসামীদের গ্রেফতারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন স্বাস্থ্যসেবা দোরগোড়ায়—দাবি, বাস্তবতা ও অপেক্ষার বৈধ কাগজপত্র-হেলমেট ছাড়া মিলবে না জ্বালানি তেল ক্যাম্পবেলটাউনে গার্হস্থ্য সহিংসতা প্রতিরোধে সেমিনার অনুষ্ঠিত

সপ্তাহজুড়ে বৃষ্টি হবে

ডিটেকটিভ ডেস্কঃঃ

mostbet

 

দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে শুরু হয়েছে নিয়মিত বৃষ্টি। বৃহস্পতিবার থেকে দেশের বিভিন্ন জেলায় চলছে ভারি বর্ষণ। আগামী এক সপ্তাহ এই বৃষ্টি থাকবে। আগামী সোমবার মৌসুমী বায়ু দেশের আকাশে প্রবেশ করবে, যার ফলে বৃষ্টি বাড়বে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। যদিও বর্ষার বৃষ্টির জন্য অপেক্ষা করতে হবে আরো সাত থেকে দশ দিন।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে নিয়মিত বৃষ্টি হচ্ছে। দক্ষিণ-পশ্চিমের মৌসুমী বায়ু আগামী দুই দিনে টেকনাফ উপকূল পর্যন্ত অগ্রসর হতে পারে। এর প্রভাবে আগামী সাত দিনে দেশে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা আরো বাড়তে পারে। বৃষ্টির ফলে সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া বিভাগ। রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

আবহাওয়াবিদ ওমর ফারুক বলেন, দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু বর্তমানে মিয়ানমারের ইয়াঙ্গুন উপকূলে অবস্থান করছে। আগামী দু–তিন দিনের মধ্যে তা বাংলাদেশের টেকনাফ উপকূলে আসতে পারে। ৭ জুনের পর থেকে বৃষ্টির পরিমাণ বাড়তে থাকবে দেশের দক্ষিণাংশে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, বৃষ্টি প্রথম বাড়বে দক্ষিণাংশে—বরিশাল, খুলনা এবং চট্টগ্রামে। পাশাপাশি একই সময়ে বাড়বে ময়মনসিংহ ও সিলেটেও। এরপর সেই বায়ু দেশের মাঝামাঝি চলে আসতে পারে, যা ধীরে ধীরে দেশের উত্তর দিক দিয়ে ভারতে প্রবেশ করবে।

এরই ধারাবাহিকতায় শনিবার ঢাকায় ভোরের দিকে বৃষ্টি হয়েছে। তবে দুপুরের দিকে এসে পুরো আকাশ মেঘে ছেয়ে যায়, নেমে আসে অকাল সন্ধ্যা। সকাল থকে বৃষ্টিতে রাজধানীতে দেখা দিয়েছে জলাবদ্ধতা। বৃষ্টিতে গরম থেকে স্বস্তি মিললেও জলাবদ্ধতা তৈরি হওয়ার নগরবাসী পড়েছে বিপাকে। সকালের দিকে মুষলধারে বৃষ্টি শুরু হলে বিপাকে পড়েন অফিসগামীরা। দুপুরে আবারো শুরু হয় বৃষ্টি। এক ঘণ্টার বৃষ্টিতে জলবদ্ধতা দেখা দেয় রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে।

গত রাতে বৃষ্টি হয়েছে ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম, সিলেট ও রাজশাহীতে। তবে সবচেয়ে বেশি বৃষ্টি হয়েছে সিলেটে, ১০৪ মিলিমিটার। ময়মনসিংহ বিভাগের মধ্যে নেত্রকোনায় ২০ মিলিমিটার ও ময়মনসিংহ অঞ্চলে হয়েছে ৪৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত। তবে খুব একটা বৃষ্টি হয়নি রংপুর ও বরিশালে। একেবারেই বৃষ্টি হয়নি খুলনায়।

আগামীকাল রোববার সকাল ছয়টা পর্যন্ত আবহাওয়া পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ঢাকা, চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায়; রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের কিছু কিছু এবং খুলনা ও বরিশাল বিভাগের দু–এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে সারা দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে।

এ ছাড়া রংপুর, দিনাজপুর, নীলফামারী, চাঁদপুর জেলাসহ ঢাকা, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের ওপর দিয়ে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং এটি কিছু এলাকায় কমতে পারে।
চলতি মাসের ১১ তারিখের দিকে বাংলাদেশে বর্ষা ঢুকবে। ১১ তারিখ উত্তর বঙ্গোপসাগরে একটি নিম্নচাপের হাত ধরেই আসছে এবারের বর্ষা। ওই নিম্নচাপই দেশে বর্ষার আগমণে গতি আনবে।

//ইয়াসিন//

Share Button

     এ জাতীয় আরো খবর