মঙ্গলবার লক্ষ্মীপুর সদর উপজেরার হাজির পাড়া ইউনিয়নের মুসলিমাবাদ গ্রামের “মুসলিমাবাদ তালিমুল কোরআন ইসলামিয়া একাডেমী হাফিজিয়া মাদ্রাসা”র প্রধান শিক্ষক মোঃ মোবারক হোসেন এই ধরনের নেক্কার জনক কাজ করেছে বলে জানা যায়।
চন্দ্রগঞ্জ থানার এজাহার ও ভূক্তভোগীদের তথ্য মতে জানা যায়, গত (২৮ অক্টোবর) বুধবার রাতে ঐ মাদ্রাসার এক ছাত্রকে ধর্ষণের পরে ঐ ছাত্রের শারীরিক অসুস্থ্যতা দেখা দিলে বিষয়টি সবার দৃষ্টি গোচর হয়। বিষয়টি জানাজানির পর মঙ্গলবার (০৩ নভেম্বর) এলাকাবাসী ঐ শিক্ষককে ধরে মারধর করে পুলিশে সোপর্দ করে। এ বিষয়ে মাদ্রাসায় ধর্ষণের শিকার এক ভূক্তভোগীর মা বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করে। বাদীনী জানায়, লোক মারফত মাদ্রাসার এঘটনা শুনার পর আমি মাদ্রাসায় যাই। গিয়ে আমার ছেলেকে জিজ্ঞাসা করিলে সে ঘটনার সত্যতা প্রকাশ করে এবং আরো জানায় যে, ঘটনার দিন ছাড়াও আরো অনেক দিন হুজুর তার সাথে এই ধরনের অনৈতিক কাজ করেছে। পরবর্তীতে আরো পাঁচ জন ছাত্র এসে উপস্থিত গণ্যমান্য ব্যক্তিদের জানায় তাদের সাথেও মাদ্রাসার প্রধান মোঃ মোবারক হোসেন এই ধরনের নেক্কার কাজ করেছে । এক ছাত্র জানায় মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠার প্রথম থেকে হুজুর এই ধরনের কাজ করে আসছে তাদের শোয়ার রুমে গিয়ে। উল্লেখ্যে যে, “মুসলিমাবাদ তালিমুল কোরআন ইসলামিয়া একাডেমী হাফিজিয়া মাদ্রাসা” ২০১৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় হাজির পাড়া ইউনিয়নের মুসলিমাবাদ গ্রামের ওজীউল্যাহ প্লাজায়।
অভিযুক্ত মোঃ মোবারক হোসেন লক্ষ্মীপুর জেলার রায়পুর উপজেলার ০৮নং দক্ষিণ চর বংশী ইউনিয়নের চরকাচিয়া গ্রামের দক্ষিণপাড়া ব্যাপারী বাড়ির শাহ আলমের ছেলে।