আপেল মাহমুদ রাঙ্গাঃঃ

রাজশাহী বাগমারা উপজেলার গোবিন্দপাড়া ইউনিয়নের মাড়িয়াগ্রামে স্বামী ও তার পরিবারের নির্যাতনে এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে। এলাকাবাসী ও হাটগাঙ্গোপাড়া পুলিশতদন্ত কেন্দ্র সূত্রে জানা যায় উপজেলার গোবিন্দপাড়া ইউনিয়নের গোবিন্দপাড়া গ্রামের মৃত আফাজ সরদারের মেয়ে শিরিনা আক্তার ( ৪০) এর সাথে প্রায় ২৫ বছর পূর্বে পারিবারিক সম্মতিত্রুমে একই ইউনিয়নের মাড়িয়া গ্রামের আছব আলীর ছেলে আঃ লতিফের সাথে বিয়ে হয় । তখন বিয়ের সময় তাদেরকে যৌতুক হিসেবে (১০,০০০) দশ হাজার টাকা দিয়েছিল মেয়ের পরিবার। বিয়ের পর কিছু দিন তাদের দম্পতি জীবন ভালো চললে ও পরবর্তীতে স্বামীর পরকিয়া তার কাল হয়ে দাড়ায়। স্বামী লতিফ প্রথম স্ত্রী শিরিন আক্তারকে রেখে বাগমারা কাঁচারী কোয়ালিপাড়া ইউনিয়নের মধুপুর গ্রামের ডলি আক্তার কে গোপনে বিয়ে করেন। আব্দুল লতিফ দ্বিতীয় স্ত্রী ডলি কে বিয়ের পর থেকে শিরিন আক্তারের উপর শুরু হয় নির্যাতন। মৃত শিরিন আক্তারের গর্ভের একটি মেয়ে ও দুইটি ছেলে সন্তান রয়েছে। মৃত শিরিনকে টাকার জন্য ও তার বাবার বাড়ি থেকে সম্পতি আনার জন্য স্বামী আব্দুল লতিফ সহ তার পরিবারের লোকজন বিভিন্ন ভাবে নির্যাতন করে বলে জানা যায়। গত (৩০ ই অক্টোম্বর) শত্রুবার দিবাগত মধ্যরাতে পরিকল্পিতভাবে শিরিন আক্তার কে হত্যা করে শয়ন ঘরে রেখে তারা পালিয়ে যায়। পরে পুলিশ খবর পেয়ে হাটগাঙ্গোপাড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রর অফিসার ইনর্চাজ রফিকুল ইসলাম সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে স্বামীসহ তিনজন কে আটক করে লাশ উদ্ধার করে হাটগাঙ্গোপাড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে নিয়ে আসে। পরে নিহতের বড় ভাই মুনসুর রহমান (৫৯)বাদী হয়ে বাগমারা থানায় ৪ জন কে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন, মামলা নং ২৮। এ ব্যাপারে হাটগাঙ্গোপাড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনর্চাজ রফিকুল ইসলাম এর সাথে যোগাযোগ করা হলে,তিনি বলেন লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মর্গে পাঠানো হয়েছে। এবং পাশাপাশি আসামিদের ও জেল হাজতে প্রেরন করা হয়েছে