April 15, 2026, 6:10 am

সংবাদ শিরোনাম
অধিকার না ব্যবসা? ট্রেড ইউনিয়ন নিবন্ধনের অন্ধকার অর্থনীতি রেস্টুরেন্ট, ভবন, আর অদৃশ্য টাকা: এক কর্মকর্তার সম্পদের নীরব বিস্তার জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশ্ন: রংপুরে ১১ দলের বিক্ষোভ দিনাজপুর বধির ইনস্টিটিউটে শিক্ষার্থীদের মাঝে উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে দিতে নতুন পোশাক বিতরণ সাড়ে চার কোটি বিনিয়োগ নথি ঠিক, অদৃশ্য উৎস–আয়ের শেষ গন্তব্য কোথায়? রংপুরে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ আত্মীয়ের বাসা থেকে সাড়ে চার কোটির ছায়া: নথি ঠিক, উৎস অদৃশ্য নিজের অপরাধ আড়াল করতে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ মেইন রাস্তার ধুলো নয়, নীরব বিষ: রংপুরে তামাক ক্রাসিংয়ের অবৈধ বিস্তার রংপুরে হামের ছায়া: সংখ্যা নয়, গল্পগুলোই বলছে আসল কথা

কর্তৃপক্ষের অবহেলায় মৃত সন্তান জন্মের অভিযোগ, রাজশাহীতে হাসপাতালে ভাংচুর

কর্তৃপক্ষের অবহেলায় মৃত সন্তান জন্মের অভিযোগ, রাজশাহীতে হাসপাতালে ভাংচুর

mostbet

ডিটেকটিভ নিউজ ডেস্ক

কর্তৃপক্ষের অবহেলায় মৃত সন্তান জন্মের অভিযোগ তুলে রাজশাহী ইসলামি ব্যাংক মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভাংচুর চালিয়েছে এক প্রসূতির স্বজনরা। গতকাল সোমবার ওই প্রসূতির স্বজনরা হাসপাতাল ভাংচুর ও পরিচালকের কক্ষ ঘেরাও করে রাখে বলে নগরীর শাহমুখদুম থানার ওসি জিল্লুর রহমান জানান। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ওসি বলেন, হাসপাতালে রোগীর স্বজনদের উত্তেজনার খবর পেয়ে সেখানে পুলিশ পাঠানো হয়। পুলিশ গিয়ে তাদের হাসপাতাল থেকে বের করে দেয়। তবে বের হওয়ার আগে তারা জানালার কাচ ও টব ভাংচুর করে। হাসপাতালের ৪০৬ নম্বর ওয়ার্ডের ২ নম্বর বেডে চিকিৎসাধীন জুলিয়া বেগমের স্বজনরা এ ভাংচুর চালায়। জুলিয়া নগরীর আসাম কলোনির নাজমুল হাসান টগরের স্ত্রী। গত রোববার বিকালে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে মৃত সন্তানের জন্ম দেন তিনি। টগর বলেন, শনিবার রাত ১২ টার দিকে তার স্ত্রীকে রাজশাহী ইসলামি ব্যাংক মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ভর্তি করা হয়। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাকে চিকিৎসক আবেদা বেগমের তত্ত্বাবধানে দেয়। রাতেই চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে মা ও সন্তান ভাল আছে জানিয়ে গত রোববার ভোর ৬টার দিকে অপারেশনের (সিজার) সময় দেন। কিন্তু তিনি আর হাসপাতালে আসেননি। পরে গত রোববার বেলা ৩টার দিকে তার স্ত্রী সিজারিয়ান অপারেশেনের মাধ্যমে মৃত সন্তানের জন্ম দেন। সময়মত সিজার না করায় গর্ভে তার সন্তানের মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ করেন টগর। এ ব্যাপারে চিকিৎসক আবেদা বেগমের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি। তার সহকারী সাবিনা বলেন, শাশুড়ির মৃত্যুর খবর পেয়ে ভোরেই ম্যাডাম কুষ্টিয়া চলে গেছেন। যাওয়ার আগে তিনি দুইদিন কোনো রোগী দেখবেন না তা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষেকে জানিয়ে দিতে বলে গেছেন। সকাল ৯টার দিকে আমি হাসপাতালের পরিচালকে বিষয়টি জানিয়ে দিয়েছি। এ ব্যাপারে পরিচালক মামুনুর রশিদের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তিনি কথা বলতে রাজি হননি।

Share Button

     এ জাতীয় আরো খবর