April 13, 2026, 2:32 am

সংবাদ শিরোনাম
রেস্টুরেন্ট, ভবন, আর অদৃশ্য টাকা: এক কর্মকর্তার সম্পদের নীরব বিস্তার জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশ্ন: রংপুরে ১১ দলের বিক্ষোভ দিনাজপুর বধির ইনস্টিটিউটে শিক্ষার্থীদের মাঝে উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে দিতে নতুন পোশাক বিতরণ সাড়ে চার কোটি বিনিয়োগ নথি ঠিক, অদৃশ্য উৎস–আয়ের শেষ গন্তব্য কোথায়? রংপুরে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ আত্মীয়ের বাসা থেকে সাড়ে চার কোটির ছায়া: নথি ঠিক, উৎস অদৃশ্য নিজের অপরাধ আড়াল করতে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ মেইন রাস্তার ধুলো নয়, নীরব বিষ: রংপুরে তামাক ক্রাসিংয়ের অবৈধ বিস্তার রংপুরে হামের ছায়া: সংখ্যা নয়, গল্পগুলোই বলছে আসল কথা দিনাজপুরে আশ্রম ও এতিমখানায় ৩ কোটি ৬২ লক্ষ ৮৮ হাজার টাকার চেক বিতরণ

তাহিরপুরে প্রাকৃতিক সম্পদ, সরকারের রাজস্ব আয়ের ভান্ডার…

তাহিরপুরে প্রাকৃতিক সম্পদ, সরকারের রাজস্ব আয়ের ভান্ডার

কামাল হোসেন, তাহিরপুর

mostbet


মৎস-পাথর-ধান সুনামগঞ্জের প্রাণ। এই প্রবাদটি সুনামগঞ্জ জেলার ক্ষেত্রে হলেও বাস্তবে তার মিল খোঁজে পাওয়া যায় তাহিরপুর উপজেলার ক্ষেত্রে। প্রাকৃতিক সম্পদে ভরপুর হাওর, বিল, নদী-নালা ও পাহাড় কন্যা বলে খ্যাত সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলা। এ উপজেলার বালু, পাথর, কয়লা, চুনামাটি, গাছ, বাঁশ ও মাছ থেকে বছরে সরকারের প্রচুর রাজস্ব আয় করা সম্ভব বলে উপজেলার বিশেষজ্ঞ মহলের ধারন। এর জন্য প্রয়োজন যথাযথ রক্ষণাবেক্ষন। এখানকার বারেক টিলায় রয়েছে আম, জাম ও কাঠ জাতিয় গাছসহ বাঁশ ঝারের বিশাল বনভূমি। রয়েছে ওয়াল্ড হেরিটেজ মাদার ফিসারিজ খ্যাত রামসার সাইট টাঙ্গুয়ার হাওড়, এছাড়া যেসব প্রাকৃতিক সম্পদ এখানে রয়েছে এর মধ্যে বালু-পাথর, কয়লা-চুনাপাথর, মাছ, ধান ও পাহাড়ী অঞ্চলের বাঁশ অন্যতম। উপজেলার ২৩ কিলোমিটার র্দৈঘ্য রূপের নদী যাদুকাঁটায় প্রতিবছর র্বষা মৌসুমে পাহাড়ী ঢলের সঙ্গে উত্তরের ভারতের মেঘালয পাহাড় থেকে প্রচুর পরিমানে বালু আর পাথর নেমে আসে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে। একই সেঙ্গে তাহিরপুর সীমান্তের চাঁনপুর চড়া, রজনী লাইন চড়া, লাকমা চড়া, বড়চড়াসহ প্রায় ২০-২৫ টি চড়া দিয়ে পাহাড়ি ঢলের সঙ্গে একইভাবে প্রচুর বালু এসে স্তরের সৃষ্টি হয়। বর্ষা মৌসুমে নদী ও চড়া গুলো পাহাড় থেকে নেমে আসা বালু আর পাথরে আশপাশের এলাকার আবাদি জমিগুলো ভরাট হয়ে যায়। এসব নদী ও চড়া গুলো থেকে বছরের ভিবিন্ন সময় এলাকার প্রভাবশালীরা অপরিকল্পিত ও অবৈধভাবে বালু-পাথর ও মাটি উত্তেলন করে বিক্রিকরে। এতেকরে সরকার হারাচ্ছে বড় অঙ্কেও রাজস্ব। এছাড়া উপজেলার সংরক্ষিত বনাঞ্চলের পাহাড়ে চুরাইভাবে গাছ কেটে উজার করে ফেলছে। পাশাপাশি ভারতের ওপারে মেঘালয় পাহড় থেকে অবৈধভাবে যাদুকাঁটা নদীসহ ভিবিন্ন পথে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চোখকে ফাঁকি দিয়ে প্রতিনিয়তই আসছে বিভিন্ন কাঠ জাতিয় গাছ। যা থেকেও সরকার হারাচ্ছে লাখ লাখ টাকা রাজস্ব। তাহিরপুর উপজেলা ৭ টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত। যেখানে রয়েছে অসংখ্য হাওড়, নদী-নালা, খাল-বিল, পুকুর, জলাশয় ও ডুবা যা বর্ষা মৌসুমে বন্যার পানিতে তলিয়ে ভরাট হয়ে যায়। উপজেলার এসব ডুবে যাওয়া নদী, পুকুর ও জলাশয় থেকে ছোট-বড় বিভিন্ন প্রজাতির মাছ বেরিয়ে হাওড়, বিল, নদী-নালায় বিচরণ করে। ওই সময় এখানে প্রচুর পরিমানে দেশীয় মাছ ধারা পরে। যা থেকেও সরকার অনেক রাজস্ব আয় করা সম্ভব। উপজেলার বিশেষজ্ঞদের অভিমত বর্তমানে ওইসব প্রাকৃতিক সম্পদ থেকে সরকার প্রতিবছর শত শত কোটি টাকা রাজস্ব পেয়ে থাকে। সরকার যদি এসব প্রাকৃতিক সম্পদের যথাযত রক্ষণাবেক্ষন ও পরিকল্পিকভাবে এ উপজেলায় ওইসব প্রাকৃতিক সম্পদের উপর নির্ভরশিল যে কোন একটি কলখারখান গড়ে তোলত তা হলে এ এলাকার হাজার হাজার লোকের কর্মসংস্থানের সুযোগ পেত এবং তা থেকেও সরকারের রাজস্ব আয় বৃদ্ধি হত দুই গুণ।

Share Button

     এ জাতীয় আরো খবর