April 13, 2026, 3:51 am

সংবাদ শিরোনাম
রেস্টুরেন্ট, ভবন, আর অদৃশ্য টাকা: এক কর্মকর্তার সম্পদের নীরব বিস্তার জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশ্ন: রংপুরে ১১ দলের বিক্ষোভ দিনাজপুর বধির ইনস্টিটিউটে শিক্ষার্থীদের মাঝে উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে দিতে নতুন পোশাক বিতরণ সাড়ে চার কোটি বিনিয়োগ নথি ঠিক, অদৃশ্য উৎস–আয়ের শেষ গন্তব্য কোথায়? রংপুরে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ আত্মীয়ের বাসা থেকে সাড়ে চার কোটির ছায়া: নথি ঠিক, উৎস অদৃশ্য নিজের অপরাধ আড়াল করতে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ মেইন রাস্তার ধুলো নয়, নীরব বিষ: রংপুরে তামাক ক্রাসিংয়ের অবৈধ বিস্তার রংপুরে হামের ছায়া: সংখ্যা নয়, গল্পগুলোই বলছে আসল কথা দিনাজপুরে আশ্রম ও এতিমখানায় ৩ কোটি ৬২ লক্ষ ৮৮ হাজার টাকার চেক বিতরণ

রামপালের প্রসাদনগরে জোর পূর্বক মৎস্যঘের দখলের চেষ্টা

মোঃ নাজমুল হুদা,রামপাল (বাগেরহাট) সংবাদদাতাঃ

mostbet

রামপালে মৎস্যঘের ব্যবসায়ীর কয়েকটি ঘের দখল চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এঘটনায় রামপাল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে ভুক্তয়োগী ঘের মালিক মোঃ আমজাদ হোসেন শেখ। অভিযোগে জানা গেছে, উপজেলার প্রসাদনগর মৌজায় ইউপি সদস্য আমজাদ হোসেনের কেরেসের ঘের, লম্বা ঘের, আড়াইকুড়া ঘেরসহ কয়েকটি ঘের স্থাণীয় প্রসাদনগর গ্রামের আনোয়ার হোসেনের পুত্র মেজবাহ উদ্দিন মুক্ত তার বাহিনী দ্বারা দখল করে নেওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছেন। ওই সব ঘেরে ঘের দখলবাজ মুক্তর সামান্ন কিছু জমি থাকার সুবাদে সে আমজাদ হোসেনের জমি দখল করে নিয়ে মৎস্যঘের করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। এ ব্যাপারে মেজবাহ উদ্দিন মুক্তর কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, আমি জলদস্যু ও ভ‚মিদস্যু নই। অহেতুকভাবে আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। আমি প্রকৃত জমির মালিক। এ বিষয়ে রামপাল থানার ওসি (তদন্ত) নজরুল ইসলামের দৃষ্টি আকর্ষন করা হলে তিনি বলেন, উভয় পক্ষের কাগজ যাচাই বাছাই করে মিমাংসা করে দেওয়া হবে। যাতে কেউ ক্ষতিগ্রস্থ না হন।
মোংলা -ঘষিয়াখালী চ্যানেল সংলগ্ন রামপাল শহর রক্ষা বাঁধে তীব্র ভাঙ্গন
মোঃ নাজমুল হুদা,রামপাল (বাগেরহাট) সংবাদদাতাঃ
মোংলা-ঘষিয়াখালী চ্যানেলের রামপাল খেওয়াঘাট থেকে বগুড়া খেওয়াঘাট পর্যন্ত প্রায় দুই কিলোমিটার শহর রক্ষা বাঁধে আবারও তীব্র ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। জোয়ার ভাটা প্রবন এই চ্যানেলে সংলগ্ন বাঁধটি অচিরেই স্থায়ীভাবে মেরামত বা পোল্ডার দিয়ে বেঁধে না দিলে যে কোন সময় বড় ধরনের দূর্ঘটনা ঘটতে পারে। বাঁধের উপর নির্মিত ডবল ইটের রাস্তাটির অধিকাংশ স্থান নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। গত বছর পানি উন্নয়ন বোর্ডের আওতায় ভাঙ্গন রোধে কিছু জিও ব্যাগ ফেলে তাৎক্ষনিকভাবে ভাঙ্গন রোধের চেষ্টা চালানো হয়। নদী ভাঙ্গন রোধে স্থায়ীভাবে পোল্ডার দিয়ে বেঁধে না দিলে ভাঙ্গন রোধ করা সম্ভব হবেনা বলে স্থাণীয় নদী আন্দোলনকারীরা মনে করেন। এ বিষয়ে রামপাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তুষার কুমার পাল এর দৃষ্টি আকর্ষন করা হলে তিনি জানান, স্থায়ীভাবে ভাঙ্গন রোধ করার জন্য আমরা পানি উন্নয়ন বোর্ডকে চিঠি দিয়েছি। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ভাঙ্গন কবলিত এলাকায় নজর রাখা হচ্ছে। এ ব্যাপারে বাগেরহাটের পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী নাহিদ উজ্জামান খানের সাথে কথা মুঠোফোনে কথা হলে তিনি জানান, ইতিপূর্বে আমরা ওই শহর রক্ষা বাঁধের কিছু অংশে জিও ব্যাগ ফেলে ভাঙ্গন রোধ করেছি। শীগ্র গিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

প্রাইভেট ডিটেকটিভ/১৪ মে ২০২০/ইকবাল

Share Button

     এ জাতীয় আরো খবর