১০টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকের বকেয়া বেতন ভাতা থেকে বঞ্চিত
মোস্তফা- পীরগঞ্জ (রংপুর) প্রতিনিধিঃ

রংপুরের পীরগঞ্জে শিক্ষা অফিসারের উদাসিনতার কারণে ২৭ জন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকেরা বকেয়া বেতন ভাতা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। জানা গেছে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক ঘোষিত ১৭১৯ প্রাথমিক বিদ্যালয় ২য় ধাপে ২০১৩ সালের ১ জুলাই থেকে জাতীয়করণকৃত পীরগঞ্জের ১০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকেরা সাড়ে তিন বছর ধরে বকেয়া বেতন ভাতা না পাওয়ায় হতাশা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। এদিকে অত্র উপজেলার ২য় ধাপে ১০টি বিদ্যালয় জাতীয়করণ হলে শিক্ষা বিভাগের দায়িত্বের অবহেলার কারণে বকেয়া বেতন ভাতা না পাওয়ায় শিক্ষকেরা মানবেতর জীবন যাপন করছেন। পুণাঙ্গ পাঠদান ভাল ফলাফল করেও ওইসব শিক্ষকেরা বেতন ভাতার জন্য দিনের পর দিন শিক্ষা অফিসে ধর্ণা দিতে হচ্ছে অপর দিকে বকেয়া বেতন ভাতা না পাওয়ায় অনেক শিক্ষকরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন শিক্ষা অফিসারকে একাধিক বার যোগাযোগ করা হলেও কোন সাড়া মেলেনি। তারা আরও জানান সারা বাংলাদেশের সকল উপজেলার শিক্ষকেরা বকেয়া বেতন ভাতা পেলেও কর্তৃপক্ষের দায়িত্বে অবহেলার কারণে আমরা উক্ত বেতন ভাতা হতে বঞ্চিত হয়েছি। জাতীয়করণকৃত বিদ্যালয়গুলো হচ্ছে- কুমারপুর সপ্রাবি, হরিরাম সাহাপুর সপ্রাবি, রাজারামপুর সপ্রাবি, দামোদরপুর সপ্রাবি, চকফুলা সপ্রাবি, খামার সাদুল্লাপুর সপ্রাবি, রামকানুপুর সপ্রাবি, কাউয়াপুকুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় গুলো বঞ্চিত হয়েছে। এব্যাপারে শিক্ষা অফিসার জোবায়দা রওশন জাহানের সাথে কথা হলে তিনি জানান উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষ বরাবরে আবেদন দিয়েছি। অর্থ বরাদ্দ পেলে অবশ্যই বকেয়া বেতন ভাতা দেয়া হবে।