April 7, 2026, 9:52 am

সংবাদ শিরোনাম
মেইন রাস্তার ধুলো নয়, নীরব বিষ: রংপুরে তামাক ক্রাসিংয়ের অবৈধ বিস্তার রংপুরে হামের ছায়া: সংখ্যা নয়, গল্পগুলোই বলছে আসল কথা দিনাজপুরে আশ্রম ও এতিমখানায় ৩ কোটি ৬২ লক্ষ ৮৮ হাজার টাকার চেক বিতরণ হাম-আতঙ্কের ভেতর পাঁচ শিশু, রমেকে নীরব লড়াই রংপুরে ”আলোকিতো’র প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত সাড়ে চার কোটির ছায়া: শ্বশুর সামনে, কাস্টমস্ জামাতার সংযোগ গংগাচড়ায় আপোষের নামে বোনকে ডেকে মারপিট, আসামীদের গ্রেফতারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন স্বাস্থ্যসেবা দোরগোড়ায়—দাবি, বাস্তবতা ও অপেক্ষার বৈধ কাগজপত্র-হেলমেট ছাড়া মিলবে না জ্বালানি তেল ক্যাম্পবেলটাউনে গার্হস্থ্য সহিংসতা প্রতিরোধে সেমিনার অনুষ্ঠিত

যশোরের শিক্ষাবোর্ডে সাড়ে ২৯ লাখ টাকা অপচয় বন্ধ করলেন ড. মোল্লা আমীর হোসেন

বিল্লাল হুসাইন,ঝিকরগাছা (যশোর) প্রতিনিধিঃ

mostbet

যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ডে বার্ষিক সাড়ে ২৯ লাখ টাকা অপচয় বন্ধ করে দিয়েছেন চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মোল্লা আমীর হোসেন। ফলে, শিক্ষাবোর্ডের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারি ও শিক্ষকরা যোগ্য অভিভাবক পেয়ে উৎফুল্ল ও স্বস্তির নিঃশ্বাস নিচ্ছেন। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, শিক্ষাবোর্ডে জেএসসি, এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা এবং বাজেট কমিটি বাবদ অতিরিক্ত সাড়ে ২৯ লাখ টাকা অপচয় করা হতো। তার মধ্যে শিক্ষাবোর্ডের তিনটি পরীক্ষায় বহিরাগত ৪০ থেকে ৪৫ জন লোক দিয়ে কাজ করানো হত।এদের দিয়ে পরীক্ষার কাগজপত্র স্ক্যানিং, সলবিং ও সার্টিফিকেট তৈরীর কাজ করানো হত। প্রতি পরীক্ষা বাবাদ ৯ লাখ টাকা অপচয় হত। সেই হিসেবে তিন পরীক্ষা ২৭ লাখ অপচয় হত। আর শিক্ষাবোর্ডের বাজেট কমিটিতে ২৯ জনকে সদস্য করে সাড়ে তিন লাখ টাকা খরচ দেখানো হত। সংশ্লিষ্ট দায়িত্বপ্রাপ্তদের সাথে সিবিএ নেতাদের ও তাদের মনোনিতদের কমিটিতে রাখা হত এবং তাদের অবৈধভাবে সম্মানি দেয়া হত।প্রফেসর ড. মোল্লা আমীর হোসেন যোগদানের এক মাসের মধ্যে এ দু’টি খাত থেকে সাড়ে ২৯ লাখ টাকা অপচয় বন্ধ করে দিয়েছেন। শিক্ষাবোর্ডে জেএসসি, এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার সকল কাজ শিক্ষাবোর্ডের কর্মচারিদের দিয়ে করাচ্ছেন। এ কাজ বাবদ কোন অতিরিক্ত খরচ হচ্ছে না। আর বাজেট কমিটিতে ২৯ জন থেকে কমিয়ে ১২ জন রেখেছেন।যারা সবাই সংশ্লিষ্ট কাজের সাথে জড়িত। সিবিএ নেতাসহ অতিরিক্ত সকলকে বাদ দিয়েছেন। এ খাত থেকে তিনি তিন লাখ টাকা অপচয় বন্ধ করেছেন। এ খাতে এখন মাত্র ৫০ হাজার টাকা খরচ হবে। নওয়াপাড়া সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ রবিউল হাসান বলেন, শিক্ষাবোর্ডে এখন মানসম্মত সেবা পাওয়া যাচ্ছে। চেয়ারম্যান ড. মোল্লা আমীর হোসেন সততার সাথে কাজ করে যাচ্ছেন।স্যারের হস্তক্ষেপে আমরা বিভিন্ন সেবা পেতে বিভিন্ন ধরণের হয়রানি থেকে মুক্তি পাচ্ছি। শিক্ষাবোর্ড কর্মকর্তা কল্যাণ সমিতির সহ-সাধারণ সম্পাদক মুজিবুল হক বলেন, বর্তমান চেয়ারম্যান ড. মোল্লা আমীর হোসেন একটি বড় চ্যালেঞ্জ নিয়ে যশোর শিক্ষাবোর্ডে এসেছেন। তিনি সচিব থাকাকালীন সময়ে এসব দুর্নীতি ও অপচয়ের প্রতিবাদ করার জন্য একটি মহল তার বিরুদ্ধে উঠেপড়ে লেগে যায়। চেয়ারম্যান হওয়ার পর তিনি সেই সব দুর্নীতি ও অপচয় প্রতিরোধে চ্যালেঞ্জ হিসেবে কাজ করছেন।শিক্ষাবোর্ডকে গতিশীল করতে তার সকল ভাল কাজের সাথে আমরা আছি। শিক্ষাবোর্ড কর্মচারি ইউনিয়নের (২১২১) সাধারণ সম্পাদক মাকসুদ-আল- হাবিব বাপু বলেন, বিগত চেয়ারম্যানের সময়ে দুর্নীতিবাজদের একটি সিন্ডিকেট ছিল। বর্তমান চেয়ারম্যান শিক্ষাবোর্ডকে বাঁচাতে ও সেবা গ্রহিতাদের সঠিক সেবা দিতে সেই সিন্ডিকেট ভেঙ্গে দিচ্ছেন। দুর্নীতিকে জিরো টলারেন্সে নামাতে প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা যে ঘোষণা দিয়েছেন চেয়ারম্যান স্যার সেটা অনুসরণ করছেন। তার সকল দুর্নীতি বিরোধী অভিযান ও ভাল কাজের সাথে আমরা আছি ও সহযোগিতা করবো।

প্রাইভেট ডিটেকটিভ/২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২০/ইকবাল

 

Share Button

     এ জাতীয় আরো খবর