
প্রতিকি ছবি
যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার ১১ নং বাঁকড়া ইউনিয়নে উজ্জ্বলপুর শহীদ মুক্তিযোদ্ধা দাখিল মাদ্রাসার, সিনিয়র শিক্ষক নজরুল ইসলামের নামে বিভিন্ন মিথ্যা মামলার অভিযোগ।
উজ্জ্বলপুর শহীদ মুক্তিযোদ্ধা মাদ্রাসায় গাছ কাটাকে কেন্দ্র করে, সেই শিক্ষক নজরুল ইসলামকে ফাঁসানোর জন্য, মিথ্যা ও বানোয়াট অভিযোগ দেয় বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে।
সাদা রেজুলেশনে স্বাক্ষর না করার কারণে, তাকে বিভিন্ন মামলায় ফাঁসানোর চেষ্টা করছেন সেই বহিরাগত শফিকুল ইসলাম (ওরফে) নেদা।
এই নেদা খোরশেদ কে দিয়ে সরকার থেকে ৩ হাজার টাকা দেওয়ার প্রলোভবন দেখিয়ে, বিভিন্ন লোকের কাছ থেকে স্বাক্ষর করে।
এই অভিযোগ সাংবাদিকদের নিকট আসলে সাংবাদিক কওছার আলী গাজীর
কাছে পৌঁছে তার সাক্ষাত্কার নেন।
কওছার আলীর কাছে জানতে চাইলে কওছার আলী জবাবে বলেন, আমাকে ০৩ ( তিন )হাজার টাকা সরকার থেকে নাকি আমাকে দেবে,সেই কথা বলে সাদা কাগজে খোরশেদ স্বাক্ষর নেয়।
পরে বাঁকড়া বাজারে গিয়ে জানতে পারি যে, মিথ্যা কথা বলে, নজরুল স্যারকে
ফাঁসানোর জন্য স্বাক্ষর নিয়েছে। আমি এই কথা
জানতে পেরে রাত্রি খোরশেদকে বললাম সেই কাগজ কোথায়, আমি আমার নাম কেটে দেব।
কিন্তু সে কোন মতেই কাগজটা আমাকে দেখালো না,পরেদিন সকাল বেলা গিয়ে পুনরায়
কাগজ চাই কিন্তু সে বলে আমি ছিড়ে ফেলেছি।
এর পর সাংবাদিক আঃ জব্বার, খোরশেদের মুঠোফোনে- (০১৭২৯-১০৬৬৭১ ) উক্ত নম্বরে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, আমি বাড়িতে আছি।
সাংবাদিক তার কাছে জানতে চাইলেন আপনি যে গণস্বাক্ষর নিচ্ছেন কিসের জন্য, জবাবে খোরশেদ বললেন যে উজ্জ্বলপুর মাদ্রাসার গাছ কাটা নিয়ে যে অভিযোগ উঠেছে তাতে কিছু লোকের স্বাক্ষর লাগবে। এই কাগজে শফিকুল ইসলাম নেদা, আমাকে স্বাক্ষর নিতে বলে।
সাংবাদিক আরও জানতে চান আপনি কওছারের কাছ থেকে যে স্বাক্ষর নিয়েছেন, তার ভিডিও আমার কাছে
আছে।
জবাবে খোরশেদ বলেন,যে আমি স্বাক্ষর নিয়েছি তাতে সমস্যা কি? সাংবাদিক জিজ্ঞাসা আবারও জানতে চাইলেন, যে আপনি প্রতিষ্ঠানের কি?জবাবে তিনি বললেন যে আমি কোন পদে নেই, আমি বহিরাগত এবং এই প্রতিষ্ঠানের
শফিকুল ও কোন পদে নাই।
ইতিপূর্বে (শিক্ষক নজরুল) সুপাররের নামে চাদা বাজির মামলা দিয়েছিলেন, সেই পূর্ব শক্রতার জের ধরে এখন বিভিন্ন মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর চেষ্টা করছে। বিভিন্ন ভাবে হয়রানির চেষ্টা করছে,তাহাতে সভাপতি ও মাদ্রাসা সুপারের পরোক্ষ ভাবে ইনদ্ধন রয়েছে। এবং যশোর ডিবি পুলিশের অফিসে শিক্ষক নজরুলের বিরুদ্ধে অভিযোগ দেয়,এই শফিকুল,উক্ত গাছ কাটা মামলা হতে বাঁচার জন্য, সুপার ও সভাপতি ও শফিকুল ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে।উক্ত প্রতিষ্ঠানের ৫ জন প্রতিষ্ঠাতা সদস্য, ২ জন মারা গেছেন ৩ জন বেচে আছেন, তারা ২ জন
(১) মাওঃ আবু দাউদ (২) নূরুল আমিন প্রধান শিক্ষক, তারা বলেছেন কেন সাদা রেজুলেশনে স্বাক্ষর করবে, এটা সুপার এবং কমিটির অন্যায়।
প্রাইভেট ডিটেকটিভ/২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২০/ইকবাল