April 7, 2026, 4:02 am

সংবাদ শিরোনাম
মেইন রাস্তার ধুলো নয়, নীরব বিষ: রংপুরে তামাক ক্রাসিংয়ের অবৈধ বিস্তার রংপুরে হামের ছায়া: সংখ্যা নয়, গল্পগুলোই বলছে আসল কথা দিনাজপুরে আশ্রম ও এতিমখানায় ৩ কোটি ৬২ লক্ষ ৮৮ হাজার টাকার চেক বিতরণ হাম-আতঙ্কের ভেতর পাঁচ শিশু, রমেকে নীরব লড়াই রংপুরে ”আলোকিতো’র প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত সাড়ে চার কোটির ছায়া: শ্বশুর সামনে, কাস্টমস্ জামাতার সংযোগ গংগাচড়ায় আপোষের নামে বোনকে ডেকে মারপিট, আসামীদের গ্রেফতারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন স্বাস্থ্যসেবা দোরগোড়ায়—দাবি, বাস্তবতা ও অপেক্ষার বৈধ কাগজপত্র-হেলমেট ছাড়া মিলবে না জ্বালানি তেল ক্যাম্পবেলটাউনে গার্হস্থ্য সহিংসতা প্রতিরোধে সেমিনার অনুষ্ঠিত

ঝিকরগাছা শংকরপুরে বাঁকুড়ায় ভালবাসা দিবসে ধর্ষন হল স্কুল ছাত্রী

বিল্লাল হুসাইন,ঝিকরগাছা (যশোর) প্রতিনিধিঃ

mostbet

প্রতিকি ছবি

যশোরের ঝিকরগাছার পল্লিতে জোর পুর্বক তুলে নিয়ে বন্ধুরা মিলে অষ্টম শ্রেণির স্কুল ছাত্রীকে পালাক্রমে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
১৪ই ফেব্রুয়ারি (শুক্রবার) আনুমানিক রাত সাড়ে ৮টায় সময় উপজেলার শংকরপুর ইউনিয়নের বাঁকুড়া জে কাঠি এলাকায় এ ঘটনাটি ঘটে। এ ঘটনায় থানায় মামলা না দিয়ে বিষয়টি অর্থের বিনিময়ে ধামাচাপা দিয়েছে স্থানীয় মাতব্বারা।
সরেজিমনে জানা গেছে, ১৪ ই ফেব্রুয়ারি সন্ধায় উপজেলার শংকরপুর ইউনিয়নের বাঁকুড়া-জে কাঠি গ্রামের খোরশেদ আলম বাবুর স্কুল পড়ুয়া মেয়ে নিজ বাসা থেকে পাশের একটি দোকানে মোবাইলের এমবি কার্ড কিনে ফিরছিলো।
এ সময় বাঁকুড়া গ্রামের রুস্তমের ছেলে টিটু(২০) ও কলারোয়া শাকদা শিবান ন্দকাটি গ্রামের সাজু (২১) তার মুখ চেপে ধরে জোর পুর্বক মটরসাইকেলে তুলে বাঁকুড়া পদ্মবিলা পানি ব্যবস্হাপনা সমবয় সমিতি অফিসের পেছনে একটি বাগানে নিয়ে যায়।
একই সময় কাছাকাছি অবস্থান করছিল একই এলাকার অপর বন্ধু কলারোয়া শাকদা শিবানন্দকাটি গ্রামের ইয়াছিন (১৮), জেকাঠি গ্রামের শাহাজানের ছেলে সুজন,(১৭)। পরে এ বন্ধুরা একত্রিত হয়ে তারা ঐ স্কুল ছাত্রীকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে পালিয়ে যায়। পরে অজ্ঞান অবস্থায় এলাকাবাসি তাকে উদ্ধার করে। কিছুক্ষন পরে জ্ঞান ফিরে এলে স্কুল ছাত্রী তাঁর বাবাকে ওই পাশবিক ঘটনার বর্নণা দেয়।
ধর্ষিতার পিতা জানান,আমার মেয়ে পাশের বাড়ীর একটি দোকানে এমবি কার্ড কিনতে গিয়েছিলো। এসময় বাঁকুড়া গ্রামের টিটু ও শাকদা সম্মন্ধকাঠি গ্রামের সাজু আমার মেয়েকে জোর পুর্বক তুলে নিয়ে গিয়ে বন্ধুরা মিলে ধর্ষন করেছে। আমি আমার মেয়ের উপর ঘটে যাওয়া এমন ঘটনার সুষ্ঠ বিচার চায়।
এদিকে এমন ঘটনার এক সপ্তাহ অতিবাহিত হলেও থানায় কেন মামলা হলোনা এমন প্রস্ন করতেই উঠে এলো আসল তথ্য। বিষয়টি মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে ধামাচাপা দিয়েছে স্থানীয় মাতব্বররা এমনটাই অভিযোগ এলাকাবাসির।
এ ব্যাপারে অভিযুক্ত সুজনের মুঠোফোনে জানতে চাইলে তিনি জানান, আমি এবং টিটু বিষয়টি স্থানীয় মাতব্বর মারফত ৩০ হাজার টাকার বিনিময়ে মিমাংসা করেছি। বাকি অভিযুক্তদের কথা জানতেই তারাও মোটা অর্থ দিয়ে মিমাংসা করেছে বলে জানান।এ ব্যাপারে বাঁকড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের অফিসার ইনচার্জ শেখ শাহিনুর রহমানের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, বিষয়টি আমি জানিনা।আর কেও অভিযোগও করেনি। তবে এ ব্যাপারে কোন অভিযোগ পেলে তদন্ত পুর্বক ব্যাবস্হা নেওয়া হবে।যশোরের ঝিকরগাছার শংকরপুর পল্লিতে জোর পুর্বক তুলে নিয়ে, বন্ধুরা মিলে অষ্টম শ্রেণির স্কুল ছাত্রীকে পালাক্রমে ধর্ষণ করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।১৪ই ফেব্রুয়ারি (শুক্রবার) আনুমানিক রাত সাড়ে ৮ টার সময় ঝিকরগাছা উপজেলার শংকরপুর ইউনিয়নের বাঁকুড়া জে,কাঠি এলাকায় এ ঘটনাটি ঘটে। এ ঘটনায় থানায় মামলা না দিয়ে বিষয়টি অর্থের বিনিময়ে ধামাচাপা দিয়েছে স্থানীয় মাতব্বারা।সরেজিমনে জানা গেছে, ১৪ ফেব্রুয়ারি সন্ধায় ঝিকরগাছা উপজেলার শংকরপুর ইউনিয়নের বাঁকুড়া-জেকাঠি গ্রামের খোরশেদ আলম বাবুর স্কুল পড়ুয়া মেয়ে নিজ বাসা থেকে পাশের একটি দোকানে মোবাইলের এমবি কার্ড কিনে ফিরছিলো।এ সময় বাঁকুড়া গ্রামের রুস্তমের ছেলে টিটু (২০) ও কলারোয়া শাকদা শিবানন্দকাটি গ্রামের সাজু (২১) তার মুখ চেপে ধরে জোর পুর্বক মটরসাইকেলে তুলে বাঁকুড়া পদ্মবিলা পানি ব্যবস্হাপনা সমবয় সমিতি অফিসের পেছনে একটি বাগানে নিয়ে যায়।একই সময় কাছাকাছি অবস্থান করছিল একই এলাকার অপর বন্ধু কলারোয়া শাকদা শিবানন্দকাটি গ্রামের ইয়াছিন (১৮), জে কাঠি গ্রামের শাহাজানের ছেলে সুজন(১৭)। পরে এ বন্ধুরা একত্রিত হয়ে  ঐ স্কুল ছাত্রীকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে পালিয়ে যায়। পরে অজ্ঞান অবস্থায় এলাকাবাসি তাকে উদ্ধার করে। কিছুক্ষন পরে জ্ঞান ফিরে এলে স্কুল ছাত্রী তাঁর বাবাকে ওই পাশবিক ঘটনার বর্নণা দেয়।ধর্ষিতার পিতা জানান,আমার মেয়ে পাশের বাড়ীর একটি দোকানে এমবি কার্ড কিনতে গিয়েছিলো। এসময় বাঁকুড়া গ্রামের টিটু ও শাকদা সিবানন্দকাটি গ্রামের সাজু আমার মেয়েকে জোর পুর্বক তুলে নিয়ে গিয়ে বন্ধুরা মিলে ধর্ষন করেছে। আমি আমার মেয়ের উপর ঘটে যাওয়া এমন ঘটনার সুষ্ঠ বিচার চায়।এদিকে এমন ঘটনার এক সপ্তাহ অতিবাহিত হলেও থানায় কেন মামলা হলোনা এমন প্রশ্ন উঠতেই উঠে এলো আসল তথ্য। বিষয়টি মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে ধামাচাপা দিয়েছে স্থানীয় মাতব্বররা এমনটাই অভিযোগ এলাকাবাসির।এ ব্যাপারে অভিযুক্ত সুজনের মুঠোফোনে জানতে চাইলে তিনি জানান, আমি এবং টিটু বিষয়টি স্থানীয় মাতব্বর মারফত ৩০ হাজার টাকার বিনিময়ে মিমাংসা করেছি। বাকি অভিযুক্তদের কথা জানতেই তারাও মোটা অর্থ দিয়ে মিমাংসা করেছে বলে জানান।এ ব্যাপারে বাঁকড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের অফিসার ইনচার্জ শেখ শাহিনুর রহমানের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, বিষয়টি আমি জানিনা।আর কেও অভিযোগও করেনি। তবে এ ব্যাপারে কোন অভিযোগ পেলে তদন্ত পুর্বক ব্যাবস্হা নেওয়া হবে।
প্রাইভেট ডিটেকটিভ/২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২০/ইকবাল
Share Button

     এ জাতীয় আরো খবর