-
- অপরাধ, শিক্ষা, সারাদেশে
- শিক্ষার্থী রুমি হত্যাকাণ্ডে জরিতদের গ্রেফতার ও শাস্তির দাবিতে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন
- আপডেট সময় February, 19, 2020, 4:40 pm
- 253 বার পড়া হয়েছে
আবুল হোসেন বাবলু,বিশেষ প্রতিনিধি রংপুরঃ
মেধাবী শিক্ষার্থী রুমাইয়া আকতার রুমি হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ঘাতকদের খুঁজে বের

করে আইনের আওতায় এনে শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন করেছে সাধারণ শিক্ষার্থীরা।
১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২০ ইং তারিখ বুধবার রুমাইয়া আকতাররুমি’র নিশংস ভাবে হত্যাকারী ঘাতকদের গ্রেফতার ও শাস্তির দাবিতে বদরগঞ্জের সাধারণ শিক্ষার্থী ঐক্য পরিষদের আয়োজনে উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে আগত শতশত শিক্ষার্থী, রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এক বিশাল মানববন্ধন করেছে।
রুমি হত্যাকাণ্ডে ঘাতকদের দৃষ্টান্তমুলক শাস্তি চেয়ে মানবন্ধনে উপস্থিত থেক বক্তব্য রাখেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক টুটুল চৌধুরী, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান তাজুল ইসলাম, উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক পলিন চৌধুরী, নাট্য ব্যক্তিত্ব নান্নু চৌধুরী, শিক্ষার্থী পলাশ, শাহিনুর রহমান, সাজু ইসলাম, রুমির মা-বাবা ও বোনসহ পরিবারের লোকজন।
উল্লেখ্য গত ১৬ ফেব্রুয়ারি রংপুর সদরের মমিনপুর এলাকায় তিস্তা ক্যানেলে বস্তাবন্দি অবস্থায় রুমির লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। রুমি বদরগঞ্জ পৌরশহরের মুন্সিপাড়ার বদরুজ্জামান বকুল ও রফিকা বেগম দম্পতির মেয়ে। সে পার্শ্ববর্তী দিনাজপুর জেলার ফুলবাড়ি উপজেলার ফুলবাড়ি অনার্স কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিল। পরিবার ও স্থানীয়দের সুত্রে জানা যায়, হত্যাকাণ্ডের ঘটনার আগের দিন ১৫ ফেব্রুয়ারি সকালে রংপুরে একটি প্রতিষ্ঠানে ট্রেনিং করার কথা বলে রুমি বাড়ি থেকে বের হয়ে যায়। ওই দিন রাতে সে আর বাড়ি ফিরে না আসায় পরিবারের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দেয়। পরের দিন মমিনপুর এলাকার ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া তিস্তা ক্যানেলের পানিতে সাদা রঙের ইউরিয়া সারের বস্তার ভেতর একটি লাশ দেখে এলাকাবাসীর সন্দেহ হলে পুলিশে খবর দেয়। পরে বস্তাবন্দি রুমির লাশ উদ্ধার করা হয়।
প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে দুর্বৃত্তরা রাতের কোনো এক সময় তাকে হত্যা করে লাশ পানিতে ফেলে রেখে যায় বলে ধারণা করা হয়। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য একজনকে আটক করেছে রংপুর সদর কোতোয়ালি থানা পুলিশ। পুলিশ জনায় বদরগঞ্জ পৌরশহরের বালুয়াভাটা এলাকার প্রফেসর পাড়ার হাতেম আলীর ছেলে মোঃ উজ্জল মিয়াকে আটক করা হয়েছে, সে টেইলার্সের কাজ করে। বদরগঞ্জ থানার ওসি হাবিবুর রহমান হাওলাদার বলেন, রুমি হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটন করতে দুই থানা পুলিশের মধ্যে সমন্বয় করা হচ্ছে। সদর থানার ওসি এসএম সাজেদুর রহমান বলেন, মোবাইল ফোনসহ বিভিন্ন সুত্র ধরে তথ্য বের করার সর্বোচ্চ চেষ্টা চলছে।
প্রাইভেট ডিটেকটিভ/১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২০/ইকবাল
এ জাতীয় আরো খবর