April 13, 2026, 11:10 am

সংবাদ শিরোনাম
রেস্টুরেন্ট, ভবন, আর অদৃশ্য টাকা: এক কর্মকর্তার সম্পদের নীরব বিস্তার জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশ্ন: রংপুরে ১১ দলের বিক্ষোভ দিনাজপুর বধির ইনস্টিটিউটে শিক্ষার্থীদের মাঝে উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে দিতে নতুন পোশাক বিতরণ সাড়ে চার কোটি বিনিয়োগ নথি ঠিক, অদৃশ্য উৎস–আয়ের শেষ গন্তব্য কোথায়? রংপুরে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ আত্মীয়ের বাসা থেকে সাড়ে চার কোটির ছায়া: নথি ঠিক, উৎস অদৃশ্য নিজের অপরাধ আড়াল করতে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ মেইন রাস্তার ধুলো নয়, নীরব বিষ: রংপুরে তামাক ক্রাসিংয়ের অবৈধ বিস্তার রংপুরে হামের ছায়া: সংখ্যা নয়, গল্পগুলোই বলছে আসল কথা দিনাজপুরে আশ্রম ও এতিমখানায় ৩ কোটি ৬২ লক্ষ ৮৮ হাজার টাকার চেক বিতরণ

সিংড়ায় এসএসসির ফরম পূরণে অতিরিক্ত ফি আদায়

নাহিদ হোসেন,নাটোর প্রতিনিধিঃ

mostbet

প্রতিকি ছবি

নাটোরের সিংড়া উপজেলার বিভিন্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এসএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণে অতিরিক্ত ফি আদায়। সংশ্লিষ্ট স্কুলের পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে বিভিন্ন কারণ দেখিয়ে অতিরিক্ত টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।উপজেলার মাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো ফি আদায়ের ক্ষেত্রে শিক্ষা বোর্ডের কোনও নিয়মনীতির তোয়াক্কা করছে না। অতিরিক্ত ফি আদায় নিয়ে শিক্ষার্থী ও অভিভাবক মহলে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে।উপজেলামাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্র জানায়, এসএসসির ফরম পূরণে বিজ্ঞান বিভাগে বোর্ড ও কেন্দ্র ফি ২০৭৫ টাকা এবং মানবিক বিভাগে বোর্ড ও কেন্দ্র ফি ১৯৭৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।জানা গেছে, দমদমা পাইলট স্কুল এন্ড কলেজে তিন হাজার ২০০ টাকা, বিয়াশ দ্বি-মুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে তিন হাজার ৫০ টাকা,ইটালী উচ্চ বিদ্যালয়ে তিন হাজার ২০০ টাকা, চৌগ্রাম উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড কলেজে তিন হাজার টাকা ফি নেয়া হচ্ছে।বোর্ড নির্ধারিত ফি’র চাইতে অতিরিক্ত ফি দিতে হিমশিম খাচ্ছেন অনেক অভিভাবক। আবার অনেকেই তাদের ছেলে-মেয়ের ভবিষ্যত শিক্ষা জীবনের কথা চিন্তা করে ধার-দেনা করে টাকা দিতে বাধ্য হচ্ছেন। এতে অভিভাবক দের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও হতাশা লক্ষ্য করা গেছে। একাধিক অভিভাবক অভিযোগ করে বলেন, শিক্ষকরা টাকা ছাড়া কিছুই বোঝেন না। শিক্ষকরা শিক্ষাকে ব্যবসা হিসেবে নিয়েছে।দমদমা পাইলট স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ আনোয়ারুল ইসলাম আনু বলেন, বিগত দিনের বকেয়া সহ অতিরিক্ত টাকা নেয়া হচ্ছে। সবার তো বকেয়া থাকেনা এমন প্রশ্ন করলে তিনি বলেন অতিরিক্ত টাকা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নের জন্য নেয়া হচ্ছে।বিয়াশ দ্বি-মুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জামাল উদ্দিন বলেন, বোর্ড ফি’র বাহিরে যে টাকা নেয়া হয়েছে সেটা বিশেষ ক্লাস বাবদ ম্যানেজিং কমিটির সাথে আলোচনা করে নেয়া হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ম্যানেজিং কমিটির এক সদস্য বলেন, যারা কোচিং ক্লাস করেছে শুধুই তাদের কাছ থেকেই অতিরিক্ত এক হাজার টাকা নেয়া হয়েছে।সিংড়া উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম বলেন, প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নের যাবতীয় অর্থ সরকার দেয়। প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নের জন্য শিক্ষার্থীদের নিকট থেকে টাকা নেয়ার কোন নিয়ম নেই। এ বিষয়ে কোন অভিযোগ পাইনি।

প্রাইভেট ডিটেকটিভ/২৬ নভেম্বর ২০১৯/ইকবাল

Share Button

     এ জাতীয় আরো খবর