জানাযায়, শেখ আক্তার হোসেন ১৯৮৯ সনে নবীগঞ্জ জে.কে হাই স্কুলের ছাত্র থাকাকালীন সময় রাজনীতিতে তার হাতেখড়ি হয়। পরে ১৯৯২ সনে তিনি নবীগন্জ কলেজ ছাত্রদলের সাধারন সম্পাদক নির্বাচিত হন, কলেজে লেখাপড়া শেষ করার পর ১৯৯৮ সনে তিনি নবীগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের সাধারন সম্পাদক নির্বাচিত হন। পরে ২০১১ সনে ইনাতগঞ্জ ইউনিয়ন বিএনপির সাধারন সম্পাদকের দায়িত্বও পালন করেন।
২০১১ সনে বিজয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে নবীগঞ্জ নতুন বাজার মোড়ে এক জনসভা শেষে নবীগন্জ শহরস্থ আরজু হোটেলের সামনে রাজনৈতিক প্রতিহিংসাপরায়ণ হয়ে স্থানীয় ক্ষমতাসীন ছাত্রলীগ নেতার নেতৃত্বে একদল স্বশস্ত্র ক্যাডার প্রাণে হত্যার উদ্দেশ্যে তার উপর হঠাৎ অর্তকিত হামলা করে। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে মুমুর্ষ অবস্থায় নবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। পরে ভিকটিম নবীগঞ্জ থানায় সন্ত্রাসীদের বিরোদ্ধে মামলা করতে গেলে থানা পুলিশ ক্ষমতাসীন ক্যাডারদের বিরুদ্ধে মামলা আমলে নেয়নি। ২ সপ্তাহ হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে তিনি কিছুটা সুস্থ্য হয়ে বাড়ি ফিরেন। এর কিছুদিন পর ২০১২ সালের ১৭ এপ্রিল কেন্দ্রীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সাবেক এমপি এম ইলিয়াস আলী নিখোঁজ এর ঘটনায় উপজেলা সদরের নতুন বাজার মোড়ে এম ইলিয়াস আলীর সন্ধানের দাবীতে এক প্রতিবাদ সভার আয়োজন করা হয়। এতেও ক্ষমতাসীন ছাত্রলীগ ক্যাডাররা তাকে এবং তার পরিবারের লোকজনকে নানান হুমকি ধামকি ও প্রাণনাশের ভয়ভীতি প্রদর্শন করে। পরে সন্ত্রাসীদের হাত থেকে বাঁচতে কৌশল অবলম্বন করে শেখ আক্তার হোসেন পরিবার পরিজন ছেড়ে ও নিজ দেশ ত্যাগ করে ২০১২ সালের আগষ্ট মাসে যুক্তরাষ্ট্রে পালিয়ে আত্মরক্ষা করেন। অপরদিকে দেশে তার মা, ভাই-বোন,স্ত্রী,দুই ছেলে দেশে মানবেতর জীবন যাপন করছেন। তারা স্থানীয় সন্ত্রাসীদের অব্যাহত হুমকিতে চরম আতংকে দিনাতিপাত করছেন।