April 20, 2026, 6:13 pm

সংবাদ শিরোনাম
কাজের প্রলোভন দেখিয়ে অপহরণ, ৭ দিন পর ৩ যুবক উদ্ধার হিলিতে আধিবাসী উচ্চ বিদ্যালয়সহ বিভিন্ন বিদ্যালয়ে এসএসসি’র দোয়া ও বিদায় অনুষ্ঠান মরিচের লাল রং মুছে গেলে যা থাকে এক্সিম ব্যাংকের প্রতারণার শিকার জামাল কন্সট্রাকশন কোম্পানির প্রোপাইটর ভোলায় গৃহবধূর মৃত্যু, শিশুর তথ্যে আটক ১ বাঙ্গালহালিয়া ছাগলখাইয়াতে শ্মশানের পাশে পড়ে ছিলো নবজাতক শিশু, উদ্ধার করল পথচারী যশোরে মাদকসহ ৫ কারবারি আটক চিলমারীর “কড়াই বরিশাল চরে” মেয়েদের প্রীতি হ্যান্ডবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত. হয়েছে সংরক্ষিত ধানের ক্ষতি কমাতে স্মার্ট আল্ট্রাসনিক প্রযুক্তি উদ্ভাবন চৌদ্দগ্রাম প্রেসক্লাবের বার্ষিক আনন্দ ভ্রমণ অনুষ্ঠিত

সাকিব স্পিনারদের ওপর কেন আস্থা রাখলেন না?

সাকিব স্পিনারদের ওপর কেন আস্থা রাখলেন না?

mostbet

ডিটেকটিভ স্পোর্টস ডেস্ক

সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে ৪৫ রানে হেরেছে বাংলাদেশ। আফগানিস্তানের সঙ্গে র‌্যাঙ্কিংয়ের ব্যবধানটা যে হিসেবের গোলমেলের কারণে নয় সেটি পরিষ্কার বুঝিয়ে দিয়েছে রশিদ খানরা। বাংলাদেশ ইনিংসের মেরুদ- ভেঙে দিয়েছেন আফগান স্পিনাররা। শেষ দিকে পেসাররা শুধু স্পিনারদের দেওয়া উপহারগুলো বুঝে নিয়েছেন। ম্যাচ শেষে প্রশ্ন উঠেছে, বাংলাদেশ কী তাদের স্পিনারদের ঠিকমতো কাজে লাগিয়েছে?

মুজিব-উর-রহমান, রশিদ খান ও মোহাম্মদ নবী মিলে ১১ ওভার করেছেন কাল। আরেকটি ওভার করার সুযোগ বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরাই দেননি। তো এই ১১ ওভারে ৫৪ রান দিয়ে বাংলাদেশের ৬ উইকেট তুলে নিয়েছেন এ তিন স্পিনার। সাকিব আল হাসানও ম্যাচ শেষে বলেছেন, ‘ওদের কৃতিত্ব দিতে হচ্ছে। ওদের মানসম্পন্ন স্পিনার আছে এবং ওরা ভালো করেছে।’ এর উল্টো দিকেই বাংলাদেশের দীর্ঘশ্বাস। না, বাংলাদেশের স্পিনাররা মোটেও খারাপ করেননি। ১০ ওভার বল করে ৫৫ রান দিয়ে তাদের অর্জন ৩ উইকেট। আর তিন পেসার মিলে ১০ ওভারেই দিয়েছেন ১০৬ রান, উইকেট ৪টি। এর মধ্যে রুবেল হোসেনের উইকেটটিই ম্যাচে যা একটু প্রভাব রেখেছিল।

ম্যাচের মোড় ঘুরে গেছে শেষ চার ওভারে। তিন পেসারের ৪ ওভারে ৬২ রান তুলেছে আফগানিস্তান। রুবেলের দুই ওভারে এসেছে ২৩ রান। বাকি দুই পেসার আবু জায়েদ ও আবুল হাসান এক ওভারেই দিয়েছেন ২০ ও ১৯ রান। অথচ ম্যাচটা বাংলাদেশের দিকে হেলে দিয়েছিলেন স্পিনাররা। ১২ থেকে ১৫Ñএ চার ওভারে আফগানিস্তান দল মাত্র ১৪ রান তুলতেই হারিয়ে ফেলেছিল ৩ উইকেট। সাকিব, মাহমুদউল্লাহ, মোসাদ্দেক ও নাজমুলÑসবাই দারুণ বল করেছেন। আগের তিন ওভারে ২৭ রান দেওয়া নাজমুলও ওই সময়ে দিয়েছেন মাত্র ৫ রান। অনিয়মিত মোসাদ্দেকও এক ওভারে দিয়েছেন মাত্র ৩ রান। আর মাহমুদউল্লাহ তো ছাড়িয়ে গেছেন সবাইকে। ১ ওভারে মাত্র ১ রান দিয়ে ২ উইকেট!

১৪তম ওভারে এমন বোলিং করার পরও শেষদিকের পাঁচ ওভারে একবার বল হাতে তুলে দেওয়া হয়নি মাহমুদউল্লাহর কাছে। এ ব্যাপারে সাকিবের উত্তর, ‘এটা কঠিন সিদ্ধান্ত ছিল। আমি যদি তাকে বল দিতাম আর ছক্কা খেয়ে যেত তখন আপনারা জিজ্ঞেস করতেন কেন তাকে বল দিলাম। নিয়মিত বোলারদের দিলাম না।’ এ ব্যাপারে অধিনায়ককে সমর্থন দিচ্ছেন সংবাদ সম্মেলনে আসা লিটন দাসও, ‘অন্যরা (পেসাররা) উইকেট পেয়ে গেলে এই সমালোচনা করা যেত না।’

সব আলোচনা, সমালোচনাই ঘটে যাওয়া ফলের ওপর হয়। অধিনায়ককে ম্যাচের মুহূর্তে সিদ্ধান্ত নিতে হয়। কিন্তু এ ম্যাচের অনেক আগ থেকেই উইকেটকে স্পিনবান্ধব, বিভ্রান্তিকর দুই ধরনের গতির উইকেট বলে দাবি করা হচ্ছিল। ম্যাচেও স্পিনাররাই ছড়ি ঘোরাচ্ছিলেন। দু পেসার জায়েদ ও আবুলও আগের স্পেলে এমন কিছু করে দেখাননি। তাঁদের বোলিংয়ে না ডেকে অনিয়মিত মোসাদ্দেককে না ডাকায় কেউ প্রশ্ন তুলছে না। তবে স্পিনবান্ধব উইকেটে ১ রানে ২ উইকেট পাওয়া স্পিনারকে আরেকটি ওভার দিলে সমালোচনা হয়তো খুব বেশি হতো না!

 

 

 

 

Share Button

     এ জাতীয় আরো খবর