April 20, 2026, 5:57 pm

সংবাদ শিরোনাম
কাজের প্রলোভন দেখিয়ে অপহরণ, ৭ দিন পর ৩ যুবক উদ্ধার হিলিতে আধিবাসী উচ্চ বিদ্যালয়সহ বিভিন্ন বিদ্যালয়ে এসএসসি’র দোয়া ও বিদায় অনুষ্ঠান মরিচের লাল রং মুছে গেলে যা থাকে এক্সিম ব্যাংকের প্রতারণার শিকার জামাল কন্সট্রাকশন কোম্পানির প্রোপাইটর ভোলায় গৃহবধূর মৃত্যু, শিশুর তথ্যে আটক ১ বাঙ্গালহালিয়া ছাগলখাইয়াতে শ্মশানের পাশে পড়ে ছিলো নবজাতক শিশু, উদ্ধার করল পথচারী যশোরে মাদকসহ ৫ কারবারি আটক চিলমারীর “কড়াই বরিশাল চরে” মেয়েদের প্রীতি হ্যান্ডবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত. হয়েছে সংরক্ষিত ধানের ক্ষতি কমাতে স্মার্ট আল্ট্রাসনিক প্রযুক্তি উদ্ভাবন চৌদ্দগ্রাম প্রেসক্লাবের বার্ষিক আনন্দ ভ্রমণ অনুষ্ঠিত

রাজনীতিতে রক্তপাত: দেশের ভবিষ্যতের জন্য অশনি সংকেত

শাহাদত হোসেন কক্সবাজারঃ

mostbet

বাংলাদেশের রাজনীতি অঙ্গনে সহিংসতা এখনো এক আতঙ্কের নাম। যে কোনো দলের প্রধান নেতা বা কর্মীর শরীরের রক্ত ঝরা শুধু একটি ব্যক্তিগত ক্ষতি নয়, বরং গোটা জাতির ভবিষ্যতের জন্য ভয়ঙ্কর অশনি সংকেত।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, “একজন নেতার রক্ত মানে গণতন্ত্রের রক্ত। একজন নেতার ক্ষত মানে জাতির ক্ষত।” ইতিহাসের দিকে তাকালে দেখা যায়, রাজনৈতিক সহিংসতা কখনোই রাষ্ট্রের উন্নয়ন ও শান্তির পথকে সহজ করেনি। বরং প্রতিবারই জাতিকে অস্থিরতা, বিভক্তি ও অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দিয়েছে।

এ প্রসঙ্গে এক নাগরিক বলেন, “আমরা চাই শান্তিপূর্ণ রাজনীতি, যেখানে নেতা-কর্মীরা নয়, নীতিমালা লড়াই করবে। রক্তের রাজনীতি দেশের জন্য কল্যাণ বয়ে আনতে পারে না।”

অন্যদিকে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা সতর্ক করে দিয়ে বলেন, যদি সহিংসতার এই সংস্কৃতি বন্ধ না হয়, তবে রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতা মারাত্মক হুমকির মুখে পড়বে। রাজনীতির উদ্দেশ্য যদি সত্যিই জনগণের কল্যাণ হয়, তবে সেখানে রক্তপাতের কোনো স্থান থাকতে পারে না।

এখন সময় এসেছে রাজনৈতিক দলগুলোর নীতি পরিবর্তনের। সহিংসতা নয়, আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের পথ বেছে নিতে হবে। কারণ, শান্তিপূর্ণ রাজনীতিই পারে জনগণের আস্থা ফিরিয়ে আনতে, গণতন্ত্রকে সুদৃঢ় করতে এবং দেশকে এগিয়ে নিতে।

সারকথা হলো, রাজনীতিতে রক্ত নয়—শান্তির বার্তা ছড়াক। তাহলেই দেশের জন্য মঙ্গল নিশ্চিত হবে।

Share Button

     এ জাতীয় আরো খবর