April 8, 2026, 9:00 pm

সংবাদ শিরোনাম
রংপুরে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ আত্মীয়ের বাসা থেকে সাড়ে চার কোটির ছায়া: নথি ঠিক, উৎস অদৃশ্য নিজের অপরাধ আড়াল করতে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ মেইন রাস্তার ধুলো নয়, নীরব বিষ: রংপুরে তামাক ক্রাসিংয়ের অবৈধ বিস্তার রংপুরে হামের ছায়া: সংখ্যা নয়, গল্পগুলোই বলছে আসল কথা দিনাজপুরে আশ্রম ও এতিমখানায় ৩ কোটি ৬২ লক্ষ ৮৮ হাজার টাকার চেক বিতরণ হাম-আতঙ্কের ভেতর পাঁচ শিশু, রমেকে নীরব লড়াই রংপুরে ”আলোকিতো’র প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত সাড়ে চার কোটির ছায়া: শ্বশুর সামনে, কাস্টমস্ জামাতার সংযোগ গংগাচড়ায় আপোষের নামে বোনকে ডেকে মারপিট, আসামীদের গ্রেফতারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

কক্সবাজারে স্কুলে বেতন নিয়ে অভিভাবককে বেঁধে মারধর

কক্সবাজারে স্কুলে বেতন নিয়ে অভিভাবককে বেঁধে মারধর

mostbet

ডিটেকটিভ নিউজ ডেস্ক

কক্সবাজারের খরুলিয়া কেজি অ্যান্ড প্রি-ক্যাডেট স্কুলে বেতন-ফি বৃদ্ধি নিয়ে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে এক অভিভাবককে বেঁধে মারধর করা হয়েছে। সদর উপজেলার খরুলিয়া এলাকার বিদ্যালয়টিতে গত রোববার মো. আয়াতুল্লাহ (৪০) নামের ওই অভিভাবকের ওপর এই নির্যাতন চালানো হয়। আয়াতুল্লাহ খরুলিয়া বাজারপাড়ার কবির আহমদের ছেলে। তিনি বলেন, ওই স্কুলে এ বছর বেতন ৫০ টাকা বাড়িয়ে ২৫০ টাকা আর ভর্তি ফি ৪০০ টাকা বাড়িয়ে এক হাজার টাকা করা হয়েছে। আমি আমার ছেলে শাহরিয়ারকে গত রোববার সকালে দ্বিতীয় শ্রেণিতে ভর্তি করাতে নিয়ে যাই। এ সময় বেতন-ফি বাড়ানোর কারণ জানতে চাইলে প্রধান শিক্ষক বোরহান উদ্দিন তেলে-বেগুনে জ¦লে ওঠেন। এ নিয়ে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে প্রধান শিক্ষক বোরহানউদ্দিন কয়েকজনকে ফোন করেন বলে জানান আয়াতুল্লাহ। এরপর সেখানে পাশের খরুলিয়া উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জহিরুল হক তার স্কুলের ছাত্রদের নিয়ে ঘটনাস্থলে আসেন। আর কেজি স্কুল পরিচালনা কমিটির সভাপতি এনামুল হকসহ আরও কয়েকজন আসেন। তারা আমাকে এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষি-লাথি মারতে শুরু করেন। এরপর তারা তার হাত-পা রশি দিয়ে বেঁধে টেনে-হিঁচড়ে ও পিটিয়ে নির্যাতন করেন বলে আয়াতুল্লাহর অভিযোগ। তিনি বলেন, পরে তারা আমাকে খরুলিয়া উচ্চবিদ্যালয়ের একটি কক্ষে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় বেলা আড়াইটা পর্যন্ত আটকে রাখে। পিপাসায় কাতর হয়ে পানি চাইলেও দেয়নি তারা। আড়াইটার দিকে আমার আত্মীয়স্বজন ঘটনাস্থলে আসার পর এনামুলসহ দুই প্রধান শিক্ষক মিলে অলিখিত স্ট্যাম্পে জোরপূর্বক স্বাক্ষর নিয়ে ছেড়ে দেন। ঘটনাটি সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে মোবাইল ফোনে অবহিত করেছেন বলে জানান আয়াতুল্লাহ। এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কক্সবাজার সদর থানায় তিনি মামলা করবেন বলেও জানান। প্রধান শিক্ষক জহিরুল হক মারধরের কথা অকপটে স্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, ভর্তি ফি ও বেতন বৃদ্ধি নিয়ে তর্কাতর্কির একপর্যায়ে আয়াতুল্লাহ ক্ষিপ্ত হয়ে প্রধান শিক্ষককে মারধর করেন। খবর পেয়ে আমি ঘটনাস্থলে যাই। এ সময় আমার স্কুলের ছাত্ররা উত্তেজিত হয়ে আয়াতুল্লাহকে বেঁধে মারধর করে। স্কুল পরিচালনা কমিটির সভাপতি এনামুল হকও মারধরের কথা স্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, শিক্ষককে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার ঘটনায় আয়াতুল্লাহকে উত্তেজিত ছাত্ররা মারধর করে বেঁধে রাখে। পরে তার আত্মীয়স্বজন আসার পর ঘটনার ব্যাপারে দোষ স্বীকার করে স্ট্যাম্পে লিখিত অঙ্গীকারনামা দিলে আয়াতুল্লাহকে ছেড়ে দেয়। বক্তব্য জানার জন্য কেজি স্কুলের প্রধান শিক্ষক বোরহান উদ্দিনের মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করে তা বন্ধ পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন ইউএনও আহমেদ নোমান।

Share Button

     এ জাতীয় আরো খবর