April 6, 2026, 5:56 pm

সংবাদ শিরোনাম
মেইন রাস্তার ধুলো নয়, নীরব বিষ: রংপুরে তামাক ক্রাসিংয়ের অবৈধ বিস্তার রংপুরে হামের ছায়া: সংখ্যা নয়, গল্পগুলোই বলছে আসল কথা দিনাজপুরে আশ্রম ও এতিমখানায় ৩ কোটি ৬২ লক্ষ ৮৮ হাজার টাকার চেক বিতরণ হাম-আতঙ্কের ভেতর পাঁচ শিশু, রমেকে নীরব লড়াই রংপুরে ”আলোকিতো’র প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত সাড়ে চার কোটির ছায়া: শ্বশুর সামনে, কাস্টমস্ জামাতার সংযোগ গংগাচড়ায় আপোষের নামে বোনকে ডেকে মারপিট, আসামীদের গ্রেফতারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন স্বাস্থ্যসেবা দোরগোড়ায়—দাবি, বাস্তবতা ও অপেক্ষার বৈধ কাগজপত্র-হেলমেট ছাড়া মিলবে না জ্বালানি তেল ক্যাম্পবেলটাউনে গার্হস্থ্য সহিংসতা প্রতিরোধে সেমিনার অনুষ্ঠিত

৯৯৯ সার্ভিসে প্রতিদিন গড়ে ২০ হাজার ৮৩৩ জন সেবা চাইছেন

৯৯৯ সার্ভিসে প্রতিদিন গড়ে ২০ হাজার ৮৩৩ জন সেবা চাইছেন

mostbet

ডিটেকটিভ নিউজ ডেস্ক

জাতীয় জরুরী সেবায় ‘৯৯৯’ ফোন সার্ভিসের সেবা গ্রহীতার সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। উদ্বোধনের পর গত ৬ দিনে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে টোল ফ্রি এই সার্ভিসে প্রতিদিন গড়ে ২০ হাজার ৮শ’ ৩৩ জন সাধারন মানুষ সেবা চেয়েছেন। পুলিশের সদর দফতরের জনসংযোগ ও মিডিয়া শাখার সহকারী মহাপরিদর্শক (এআইজি) সহেলী ফেরদৌস এ কথা জানান। তিনি বলেন, জাতীয় জরুরী সেবায় ‘৯৯৯’ সার্ভিস উদ্বোধনের পর ১৭ ডিসেম্বর রাত ১২ টা পর্যন্ত ৬ দিনে এই সার্ভিসে ১ লাখ ২৫ হাজার ফোন এসেছে। তবে ফোন গ্রহণের পর অপর প্রান্ত থেকে ৭০ হাজার ফোনের কোন সাড়াশব্দ পাওয়া যায়নি। সহেলী বলেন,বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব চেয়ে ফোন এসেছে ১৮হাজার ১শ’টি। ১৩ হাজার ৭২টি এসেছে মিসড কল। বাল্যবিবাহ রোধ, জুয়া, সাইবার অপরাধ, ইভটিজিং, ছিনতাই, খুন, অপহরণ, ধর্ষণ, অগ্নিকান্ডসহ বিভিন্ন ঘটনায় ফোন দিয়ে সেবা নিয়েছেন চার শতাধিক ব্যক্তি এ কথা উল্লেখ করে সহেলী ফেরদৌস জানান, বাকি ফোনগুলোর মধ্যে কিছু ফোন এসেছে পুলিশ সদস্যদের কাছ থেকে। তিনি বলেন, দেশের মানুষের দোরগোড়ায় জরুরী ফায়ার সার্ভিস, এ্যাম্বুলেন্স ও পুলিশী সেবা পৌঁছে দিতেই গত ১২ ডিসেম্বর টোল ফ্রি সার্ভিস ৯৯৯ নম্বরের সম্প্রারিত ব্যবহারের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) একেএম শহীদুল হকের তত্বাবধানে পুলিশ সদর দফতরের আইসিটি ডেস্কের মাধ্যমে এই জাতীয় জরুরী সেবার যাবতীয় কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। ৯৯৯ নম্বরে আগে জরুরি প্রয়োজনে পুলিশী সেবা পাওয়া যেতো। এখন এই সেবাটি সম্প্রসারণ করে ফায়ার সার্ভিস ও অ্যাম্বুলেন্স যুক্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া এ সার্ভিসটি বিশ্বমানের করা হয়েছে। এই সেবার কারিগরি ও প্রযুক্তিগত কাঠামো যুক্তরাষ্ট্রে ব্যবহৃত-৯১১, যুক্তরাজ্যে ব্যবহৃত-৯৯৯ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নে ব্যবহৃত-১১২’র আদলে তৈরি করা হয়েছে। জনসংযোগ ও মিডিয়া শাখার সহকারী মহাপরিদর্শক জানান, দেশের যেকোন প্রান্ত থেকে যে কেউ মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ৯৯৯ নম্বরে সম্পূর্ণ ‘টোল ফ্রি’ কল করে জরুরি পুলিশী সেবা, ফায়ার সার্ভিস বা এ্যাম্বুলেন্স সেবা নিতে পারেন। তিনি বলেন, কোনো অপরাধ ঘটতে দেখলে, প্রাণনাশের আশঙ্কা দেখা দিলে, কোনো হতাহতের ঘটনা চোখে পড়লে, দুর্ঘটনায় পড়লে, অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটলে, জরুরিভাবে অ্যাম্বুলেন্সের প্রয়োজন হলে ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে সাহায্য চাওয়া যাবে। মোবাইল ফোন ও টেলিফোন উভয় মাধ্যমে ৯৯৯ নম্বরে ফোন করা যাবে। ঢাকায় পুলিশের কন্ট্রোল সেন্টার ভবনে এই সেবার কার্যক্রম চলছে। তিনটি পালায় পুলিশের মোট ১৩০ জন সদস্য এই সেবা প্রদানে ২৪ ঘন্টাই কাজ করছেন। এর মধ্যে কল টেকার ২৬ জন। এই সংখ্যা শিগগিরই বাড়ানো হবে। এই সেক্টরে পর্যায়ক্রমে জনবল দ্বিগুণ করা হবে বলেও সহেলী উল্লেখ করেন। পুলিশের সহকারি মহাপরিদর্শক সহেলী বলেন,‘সেবা চাওয়ার পাশাপাশি অনেক বিরক্তিকর কলও আসছে। তবে যারা বিরক্তিকর কল দেয়, প্রথমে তাদের বুঝিয়ে বলা হয় এবং তাদের তথ্য সংরক্ষণ করা হয়। যারা নিয়মিত বিরক্ত করবে তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ পুলিশের এই কর্মকর্তা বলেন,এই ৯৯৯ সার্ভিসে ফোন এলে একটি অংশ তা গ্রহণ করছেন এবং অভিযোগ শুনছেন। প্রাথমিক তথ্য দিয়ে এর সমাধান হলে তাঁরাই সেই তথ্য দিয়ে দিচ্ছেন। সমস্যাটি গুরুতর হলে তাঁরা সংশ্লিষ্ট থানাকে বিষয়টি জানিয়ে দেন। পুলিশ সদর দফতর সূত্রে জানা যায়, ২০১৫ সালের অক্টোবর মাসে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ প্রথম ন্যাশনাল ইমার্জেন্সি সার্ভিস-৯৯৯’র কাঠামো তৈরির কাজ শুরু করে। ৯৯৯ নম্বরের মাধ্যমে জনগণকে পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস, এ্যাম্বুলেন্স ও অন্যান্য জরুরী সেবা প্রদানের লক্ষ্যে ২০১৬ সালের ১ অক্টোবর থেকে চলতি বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত এই সার্ভিসটির পরীক্ষামূলক কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

Share Button

     এ জাতীয় আরো খবর