April 5, 2026, 10:26 pm

সংবাদ শিরোনাম
রংপুরে হামের ছায়া: সংখ্যা নয়, গল্পগুলোই বলছে আসল কথা দিনাজপুরে আশ্রম ও এতিমখানায় ৩ কোটি ৬২ লক্ষ ৮৮ হাজার টাকার চেক বিতরণ হাম-আতঙ্কের ভেতর পাঁচ শিশু, রমেকে নীরব লড়াই রংপুরে ”আলোকিতো’র প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত সাড়ে চার কোটির ছায়া: শ্বশুর সামনে, কাস্টমস্ জামাতার সংযোগ গংগাচড়ায় আপোষের নামে বোনকে ডেকে মারপিট, আসামীদের গ্রেফতারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন স্বাস্থ্যসেবা দোরগোড়ায়—দাবি, বাস্তবতা ও অপেক্ষার বৈধ কাগজপত্র-হেলমেট ছাড়া মিলবে না জ্বালানি তেল ক্যাম্পবেলটাউনে গার্হস্থ্য সহিংসতা প্রতিরোধে সেমিনার অনুষ্ঠিত দিনাজপুরে যাত্রীবাহী কোচ ও ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২, গুরুতর আহত ৬

সঞ্জিত-শামসুর মুস্তাফিজের ফেরার ম্যাচে উজ্জ্বল

সঞ্জিত-শামসুর মুস্তাফিজের ফেরার ম্যাচে উজ্জ্বল

mostbet

ডিটেকটিভ স্পোর্টস ডেস্ক

প্রায় সাড়ে চার বছর পর ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে খেলতে নেমে প্রথম ওভারেই জোড়া উইকেট নিলেন মুস্তাফিজুর রহমান। পরে নিলেন আরও একটি। তবে তার দারুণ বোলিংয়েও পেরে ওঠেনি দল শাইনপুকুর ক্রিকেট ক্লাব। বারবার বৃষ্টির বাধায় পড়া ম্যাচে সঞ্জিত সাহা ও শামসুর রহমানের নৈপুণ্যে জয় তুলে নিয়েছে গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্স।

দশম রাউন্ডের ম্যাচে ডাকওয়ার্থ ও লুইস পদ্ধতিতে ২১ রানে জিতেছে গাজী। শুরুতে ৪৮ ওভারে ১৭৯ রানের লক্ষ্য পেয়েছিল তারা। তাদের ইনিংসের ২১.৫ ওভার বৃষ্টি নামলে আর খেলা সম্ভব হয়নি। সে সময় গাজীর স্কোর ছিল ১০৬/৪, ডাকওয়ার্থ ও লুইস পদ্ধতিতে প্রয়োজন ছিল ৮৫ রান।

মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সোমবার টস হেরে ব্যাট করতে নামা শাইনপুকুরের ইনিংসে বৃষ্টির বাধায় দুইবার খেলা বন্ধ হয়ে যায়। নবম ওভারে প্রথমবার খেলা বন্ধ হয়, সেবার ওভার কমেনি। ২৩তম ওভারে আবার বৃষ্টি নামলে ম্যাচের দৈর্ঘ্য নেমে আসে ৪৮ ওভারে। গাজীর স্পিনারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে ৯ উইকেটে শাইনপুকুর তুলতে পারে কেবল ১৭৭ রান।

শুরুটা খারাপ হয়নি দলটির। সাব্বির হোসেনের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে এক সময়ে তাদের স্কোর ছিল ১ উইকেটে ৫৮ রান। এক দিকে আঁটসাঁট বোলিংয়ে ব্যাটসম্যানদের বেঁধে রাখেন মেহেদি, অন্য প্রান্তে ছোবল দেন ছন্দে থাকা সঞ্জিত। শিকার ধরেন নাসুম আহমেদও।

তৌহিদ হৃদয়, অমিত হাসান ও আফিফ হোসেনকে দ্রুত বিদায় করা অফ স্পিনার সঞ্জিত ফিরিয়ে দেন এক প্রান্ত আগলে রেখে ৪০ রান করা সাদমান ইসলামকে।

১০২ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে ধুঁকতে থাকা শাইনপুকুরকে লড়াই করার মতো একটা সংগ্রহ এনে দেন দেলোয়ার হোসেন ও সোহরাওয়ার্দী শুভ। দুটি করে ছক্কা ও চারে ৫২ বলে ৪০ রানে অপরাজিত থাকেন দেলোয়ার। শুভ দুই চারে করেন ৩০ রান।

সঞ্জিত ২৫ রানে নেন ৪ উইকেট। এবারের আসরে তিন ম্যাচ খেলে পেলেন ১১ উইকেট।

রান তাড়ায় মুস্তাফিজের ছোবলে শুরুতেই চাপে পড়ে যায় গাজী। ২০১৪ সালের ডিসেম্বরের পর প্রথমবারের মতো প্রিমিয়ার লিগে খেলতে নেমে দ্বিতীয় বলে বাঁহাতি এই পেসার তুলে নেন উইকেট। এলবিডব্লিউ করে বিদায় করেন ওয়ালিউল করিমকে। সেই ওভারের শেষ বলে মুস্তাফিজ ফিরিয়ে দেন ইমরুল কায়েসকে।

ক্রিজে গিয়েই শট খেলতে শুরু করেন শামসুর। তার সঙ্গে ৪৬ রানের জুটি গড়া মেহেদি হাসানকে কট বিহাইন্ড করে বিদায় করেন মুস্তাফিজ। বাঁহাতি এই পেসারকে দেখেশুনে খেলা শামসুর চড়াও হন অন্য বোলারদের উপর।

রান আউট হয়ে ফিরেন রনি তালুকদার। কামরান গোলামকে নিয়ে গাজীকে এগিয়ে নিতে থাকেন শামসুর। ২২তম ওভারটি শেষ করতে পারেননি মুস্তাফিজ। তুমুল বৃষ্টিতে মাঠ ছাড়তে হয় ক্রিকেটারদের। এরপর আর খেলা সম্ভব হয়নি।

৬৫ বলে ৯ চারে ৫৩ রানে অপরাজিত থাকেন শামসুর।

২৩ রানে ৩ উইকেট নেন মুস্তাফিজ।

দারুণ বোলিংয়ে সুর বেঁধে দেওয়া সঞ্জিত জেতেন ম্যাচ সেরার পুরস্কার।

পঞ্চম জয়ে ১০ পয়েন্ট নিয়ে সাত নম্বরে উঠে এসেছে গাজী। পঞ্চম হারে আট নম্বরে নেমে গেছে শাইনপুকুর।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:

শাইনপুকুর ক্রিকেট ক্লাব: ৪৮ ওভারে ১৭৭/৯ (চাঁদ ১৩, সাব্বির ২৪, সাদমান ৪০, হৃদয় ৮, অমিত ৭, আফিফ ০, শুভাগত ২, শুভ ৩০, দেলোয়ার ৪০*, মুস্তাফিজ ৩, টিপু ৪*; আবু হায়দার ১/৫৪, রাব্বি ১/৩৬, মেহেদি ০/২১, নাসুম ২/৩৩, সঞ্জিত ৪/২৫, তারেক ০/৭)

গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্স: (লক্ষ্য ২১.৫ ওভারে ৮৬) ২১.৫ ওভারে ১০৬/৪ (ওয়ালিউল ০, মেহেদি ১৩, ইমরুল ৫, শামসুর ৫৩*, রনি ১৬, কামরান ১৩*; মুস্তাফিজ ৩/২৩, টিপু ০/২৩, শুভাগত ০/১৩, দেলোয়ার ০/১৩, শুভ ০/২৭, সাব্বির ০/৬)

ফল: ডাকওয়ার্থ ও লুইস পদ্ধতিতে গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্স ২১ রানে জয়ী

ম্যান অব দা ম্যাচ: সঞ্জিত সাহা

Share Button

     এ জাতীয় আরো খবর