মোঃ ইকবাল হাসান সরকার সাংবাদিকঃ
আজ ১২ অক্টোবর ২০১৮ ইং তারিখ শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাব সংলগ্ন বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু ছাত্র মহাজোটের আহবায়ক শ্রী প্রশান্ত হালদারের সভাতিত্বে বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু ছাত্র মহাজোট ও ঢাকাস্থ পিরোজপুর জেলার সর্বস্তরের হিন্দু জনসাধারনের
উদ্যোগে দেশের বিভিন্ন স্থানে একের পর এক প্রতিমা ভাংচুর জমি দখল,কুপিয়ে হত্যা প্রচেষ্টার প্রতিবাদে ও অপরাধীদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে এক মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। হিন্দু ছাত্র মহাজোটের আহবায়ক শ্রী প্রশান্ত হালদারের সভাপিত্বে অনুষ্ঠিত মানববন্ধন সমাবেশে বক্তব্য রাখেন হিন্দু মহাজোটের নির্বাহী সভাপতি অ্যাডভোটেক দীনবন্ধু রায়,মহাসচিব অ্যাডভোটেক গোবিন্দ চন্দ্র প্রামানিক,সিনিয়র সহ-সভাপতি ডঃ সোনালী দাস,ডাঃ এমকে রায়,আন্তর্জাতিক সম্পাদক রিপন দে,ছাত্র সম্পাদক প্রভাষক সুমন সরকার,হিন্দু যুব মহাজোটের সভাপতি কিশোর বমন,সাধারন সম্পাদক মিল্টন বসু,নিউটন পন্ডিত,প্রবীর সরদার,হিন্দ ছাত্র মহাজোটের আহবায়ক প্রশান্ত হালদার,যুগ্ন- আহবায়ক সাজেন কিসনো বল,সদস্য সচিব হরে কিসনো বারুবী,তপু কুন্ডু,জীবন রায়,স্বপন মধু,প্রনব হালদার,প্রসেঞ্জিৎ শীল,পিরোজপুর জেলার পক্ষ থেকে মুণাল কান্তি মিস্ত্রি,হিমাদ্রী শেখর মন্ডল,ইঞ্জিনিয়ার সুরঞ্জিত মৃধা,সুদেব মৃধা,সুমন কুমার মন্ডল,রঞ্জিত মন্ডল,পাথ প্রতিম মজুমদার গৌতম কুমার ত্রদবর,পুলক ঘরামী প্রমুখ। বক্তাগন বলেন এই কয়েক দিনেরমধ্যেইপিরোজপুর,গাজিপুর,দিনাজপুর,নীলফামারী,শরিয়তপুর,কুড়িগ্রাম,শেরপুর,নারায়নগঞ্জ,মানিকগঞ্জ,চাঁদপুর,কারমাইকেল কলেজসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে প্রতমা ও বিগ্রহ ভাংচুর লুঠতরাজ,ভক্তদের কুপিয়ে হত্যা প্রচেষ্টা,হিন্দু জন সাধারনের প্রান নাশের হুমকীর প্রতিবাদে বগুড়া,পঞ্চগড়,দিনাজপুরে হিন্দুদের ধর্মীয় চেতনায় আঘাত করার জন্য গুরুর মাংস খাওয়ানো হয়েছে। পিরোজপুরে জেলা আওয়ামীলীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক ও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শহীদুল ইসলামের নেতৃত্বে মন্দির ভাংচুর ও লুঠতরাজ হয়। প্রতিবাদ করলে ৩জনকে কুপিয়ে হত্যা করার চেষ্টা করা হয়। এ ছাড়া জমি দখলের উদ্দেশ্যে চাঁদপুরে হিন্দু বাড়ীর উঠানে গুরুর মাথা ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। অথচ বরাবরের মত অপরাধীদের গ্রেফতার ও শাস্তি বিধান করতে সরকারের কোন গরজ নাই। বক্তাগন আরো বলেন,দেশে এক ত্রাসের রাজত্ব চলছে। হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে সবর্ত্র আতক্ন বিরাজ করছে। হিন্দু সম্প্রদায় নিরাপত্তাহীনতায় দিন যাবন করছে। দেশের কোথাও শান্তিপূর্ণ বসবাসের পরিবেশ নাই।বক্তাগণ দূর্গা পূজায় ৩ দিনের সরকারী ছুটি,জাতীয় সংসদে ৫০টি আসন সংরক্ষন ও পৃথক নির্বাচন ব্যবস্থা পূন প্রতিষ্ঠা ও সকল হিন্দু নির্যাতকদের অবিলম্ভে গ্রেফতার ও শাস্তি বিধান না করলে বা গড়িমসি করলে আগামী সংসদ নির্বাচন বজন করার সিদ্বান্ত নিতে বাধ্য হবে।
প্রাইভেট ডিটেকটিভ/১২ অক্টোবর ২০১৮/ইকবাল